বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার    |    
প্রকাশ : ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
গ্রেড বৈষম্য
ডিজির সঙ্গে বৈঠক হয়নি প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের
অনশন ভঙ্গের দু’দিন পরও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকের সঙ্গে প্রাইমারির প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের বৈঠক হয়নি। বুধবার মহাপরিচালকের সঙ্গে বৈঠক হবে বলে জানিয়েছিলেন আন্দোলনকারী শিক্ষকরা। কিন্তু মহাপরিচালক সময় দিতে না পারায় তা সম্ভব হয়নি।
বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের সভাপতি তপন কুমার মণ্ডল যুগান্তরকে বলেন, ‘মহাপরিচালক আমাদের ডাকেননি। তার সঙ্গে বৈঠকও হয়নি। তবে মহাজোট নেতারা আন্দোলনের সার্বিক বিষয়ে আলোচনা করেছেন। আমরা পরবর্তী করণীয় নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করছি।’
বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন যুগান্তরকে বলেন, ‘মহাপরিচালক দাফতরিক কাজে ব্যস্ত থাকায় তিনি আজ (বুধবার) আমাদের সময় দিতে পারেননি। বৃহস্পতিবার (আজ) আমাদের দেখা করতে বলেছেন। দাবির পক্ষে কাগজপত্র নিয়ে যেতে বলেছেন তিনি।’
প্রাইমারির প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পরের ধাপে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড নির্ধারণের দাবিতে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শহীদ মিনারে অনশন শুরু করেন শিক্ষকরা। পরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজারের সঙ্গে বৈঠকের পর অনশন ভঙ্গের সিদ্ধান্ত নেন শিক্ষক নেতারা। এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানায় সাধারণ শিক্ষকদের বড় একটি অংশ। সাধারণ শিক্ষকদের এমন বিরোধিতার মুখে শিক্ষক নেতারা বড় ধরনের চাপে পড়েন। সে কারণেই মন্ত্রীর আশ্বাস অনুযায়ী দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে ‘স্কুলে তালা ঝোলানো’র মতো বড় কর্মসূচি আসবে বলে জানিয়েছিলেন শিক্ষক নেতারা। এমন পরিস্থিতিতেও অধিদফতরের মহাপরিচালক শিক্ষকদের সঙ্গে এখনও আলোচনায় বসতে পারেননি। প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে বেতন গ্রেডে বৈষম্য দূর করতে ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি থেকে আন্দোলন করে আসছেন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকরা। তারা ২০০৬ সালের ২৯ আগস্টের পূর্ব পর্যন্ত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের এক গ্রেড নিচে ছিলেন। এ সময়ের পর তাদের প্রধান শিক্ষকদের দুই গ্রেড পরে নিয়ে যাওয়া হয়। ২০১৪ সালের ৯ মার্চ থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের তিন গ্রেড নিচে রেখে প্রধান শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড দেয়া হয়। সম্প্রতি সহকারী শিক্ষকদের চার গ্রেড নিচে রেখে প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড দেয়ার প্রস্তাবনা দেয়া হয়। এতে সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দেয়।



আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত