প্রকাশ : ০৯ জুলাই, ২০১৭ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
মহাঅঘটন থেকে বেঁচে গেলেন মারে
সেরেনা উইলিয়ামসের অনুপস্থিতিতে বড় বোন ভেনাস উইলিয়ামসই কি ফেভারিট হয়ে উঠলেন? প্রশ্নটা উঠে গেছে উইম্বলডনের নারী এককে। ৩৭ বছর বয়সে নিজেকে নতুন করে খুঁজে পাওয়া ভেনাস কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে আর মাত্র একধাপ দূরে। ২৩ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে উইম্বলডনের শেষ ষোলোতে পা রাখার নজির গড়লেন মার্কিন কৃষ্ণকলি। শুক্রবার তৃতীয় রাউন্ডে ‘বুলেট ট্রেন’ নামে পরিচিত জাপানি চমক নাওমি ওসাকার আক্রমণাত্মক টেনিস সামলে ভেনাস জিতেছেন ৭-৬ (৭/৩), ৬-৪ গেমে। ১৯৯৪ সালে ৩৭ বছর ২৫৮ দিন বয়সে উইম্বলডনের চতুর্থ রাউন্ডে উঠেছিলেন মার্টিনা নাভ্রাতিলোভা। সাতবারের গ্র্যান্ডস্লাম চ্যাম্পিয়ন ভেনাস চতুর্থ রাউন্ডে উঠলেন ৩৭ বছর ২৯ দিন বয়সে। একই দিনে শেষ ষোলোর টিকিট কেটেছেন ফরাসি ওপেনের বিস্ময় চ্যাম্পিয়ন উয়েলেনা ওস্তাপেংকো ও ব্রিটিশ তারকা জোহান্না কন্তা।
পুরুষ এককে এদিন মহাঅঘটনের হাত থেকে বেঁচে গেছেন বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ও নাম্বার ওয়ান অ্যান্ডি মারে। দারুণ খেলছিলেন ইতালির ফাবিও ফ্যানিনি। অ্যান্ডি মারেকে হারিয়ে দেয়ার সম্ভাবনাও জাগিয়েছিলেন। কিন্তু চতুর্থ সেটে টানা পাঁচটি গেম জিতে ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত জিতে নিলেন ব্রিটিশ তারকাই। সেন্টার কোর্টে এ ম্যাচে মারে জিতেছেন ৬-২, ৪-৬, ৬-১ ও ৭-৫ গেমে।
চতুর্থ সেটে টানা পাঁচ গেম জয়ের সঙ্গে সঙ্গে পাঁচটি সেট পয়েন্ট নিয়ে মারে নিজেকে বিপদের বাইরে নিয়ে যান। শেষ ষোলোতে মারের প্রতিদ্বন্দ্বী অখ্যাত বেনোইত পেইর।
ফ্যানিনির বিপক্ষে ম্যাচটা জিতে যেন হাঁপ ছেড়েই বেঁচেছেন মারে, ‘ম্যাচটা ছিল উত্থান-পতনে ভরা। খুবই টেনশনের। আমার মনে হয় না যে এই ম্যাচে আমি খুব ভালো টেনিস খেলেছি। তবে যেভাবেই হোক আমি ম্যাচটা জিতেই বেরিয়ে আসতে পেরেছি। চতুর্থ সেটটা খেলে আনন্দ পেয়েছি।’
আরেক মহাতারকা রাফায়েল নাদাল এদিন সরাসরি ৬-১, ৬-৪, ৭-৬ (৭/৩) গেমে হারিয়েছেন রাশিয়ার কারেন কাশানভকে। শুরু থেকেই দুর্ধর্ষ ছন্দে ছিলেন নাদাল।
প্রথম গেমটা তিনি জেতেন মাত্র এক মিনিটে। দ্বিতীয় গেমে এমনই জোরাল একটি ফোরহ্যান্ড মারেন তিনি, যা দেখে সেন্টার কোর্টের দর্শকরা পর্যন্ত স্তব্ধ হয়ে যান। আর সেই দর্শকদের মধ্যে ছিলেন সাবেক ফুটবল তারকা ডেভিড বেকহ্যাম এবং স্প্যানিশ গলফার সার্গিও গার্সিয়া। দু’জনই নাদালের ম্যাচ দেখতে হাজির ছিলেন রয়্যাল বক্সে। ‘আমি কয়েকটা ভালো শট খেলেছি। ফোরহ্যান্ড, ব্যাকহ্যান্ড সব ধরনের। সব মিলিয়ে আমি নিজের খেলায় খুশি,’ বলেন নাদাল। উইম্বলডনে পাঁচবার ফাইনাল খেলেছেন নাদাল। দু’বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। কিন্তু গত কয়েক বছরে অল ইংল্যান্ড ক্লাবের কোর্ট মোটেও তার ওপর সদয় ছিল না। নোভাক জোকভিচের কাছে ২০১১ সালের ফাইনালে হারের পর থেকে টানা চারবার তিনি আগেভাগেই বিদায় নিয়েছেন। এবার শেষ ষোলোতে তার প্রতিপক্ষ ছিলেন মুলার, যিনি ঘাসের কোর্টে বিপজ্জনক বলে সুনাম রয়েছে। নাদালও সেটা জানেন, ‘ঘাসের কোর্ট ওর প্রিয়। আমাকে আক্রমণাত্মক টেনিস খেলতে হবে।’ এদিনের অন্যতম সেরা অঘটন অবশ্য ঘটালেন রবার্তো বাতিস্তা আগুত। হারিয়ে দিলেন কেই নিশিকোরিকে। ওয়েবসাইট।



আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত