স্পোর্টস রিপোর্টার    |    
প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর, ২০১৭ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
অপয়া সাতে বন্দি বাংলাদেশ!

বল পজিশন নিয়ন্ত্রণে ছিল না। একটি পেনাল্টি কর্নারও (পিসি) আদায় করতে পারেনি স্বাগতিকরা। এমন খেললে হার তো অবধারিতই। ঘটলও তাই। নিজেদের আঙিনায় এশিয়া কাপ হকির দশম আসরে পাকিস্তানের পর ভারতের কাছেও বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ। শুক্রবার মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের কাছে ৭-০ গোলের হার নিয়েই টার্ফ ছাড়তে হয়েছে জিমি বাহিনীকে। ভারতের হারমানপ্রীত দুটি এবং গুরুজান্ত সিং, আকাশদীপ সিং, ললিত উপাধ্য, অমিত রোহিদাস ও রামানদীপ একটি করে গোল করেন। এমনিতে যেকোনো ক্ষেত্রে সাত সংখ্যাকে সৌভাগ্যের প্রতীক মনে করা হয়। কিন্তু এবারের এশিয়া কাপ হকিতে পয়া সংখ্যাটাকে অপয়া বানিয়ে ফেলেছেন জিমিরা! দুই ম্যাচেই ৭-০ গোলের হার। পাকিস্তানের পর ভারতের বিপক্ষেও সাতের ফের থেকে মুক্তি মিলল না বাংলাদেশের।

মামুনুর রহমান চয়ন ও আশরাফুল ইসলাম দলের দুই পিসি মাস্টার। কিন্তু পিসি আদায় করতে না পারলে তাদের দক্ষতা দেখানোরও কোনো উপায় নেই। অন্যদিকে ভারত ১০টি পিসি পেলেও কাজে লাগাতে পেরেছে মাত্র দুটি। তাতে অবশ্য কোনো লাভ হয়নি বাংলাদেশের। প্রথম কোয়ার্টারে তিনটি এবং দ্বিতীয় কোয়ার্টারে দুই গোল। ম্যাচের সাত মিনিটে গুরুজান্ত সিং গোল উৎসবের শুরু করেন। সেই ধারায় ম্যাচের মাত্র ৩০ মিনিটে ৫-০ গোলে এগিয়ে যায় ভারত। তবে পিসি পেলেও গোল আদায় করতে ব্যর্থ হচ্ছিল অতিথিরা। চতুর্থ কোয়ার্টারে এসে সেই বন্ধ দুয়ারও খুলে যায় তাদের। নবম পিসি থেকে ম্যাচের ষষ্ঠ গোলের দেখা মেলে ভারতীয় শিবিরে। আর ৪৭ মিনিটে হারমানপ্রীত দলের পক্ষে দশম পিসি থেকে সপ্তম গোলটি করেন।

এমন হারের পরও খুশি অধিনায়ক রাসেল মাহমুদ জিমি। তার কথায়- ‘আগের ম্যাচে আমরা প্রথম দু’কোয়ার্টার ভালো খেলেছিলাম। এরপরই ম্যাচ থেকে ছিটকে যাই। এই ম্যাচে সমান গোল হজম করলেও ম্যাচ থেকে ছিটকে যাইনি। তৃতীয় ও চতুর্থ কোয়ার্টারে ভালো খেলেছি।’ দু’ম্যাচে একটি পিসিও আদায় করতে পারেনি বাংলাদেশ। ব্যাপারটিকে নিজেদের দুর্বলতা বলেই মানছেন জিমি। তার কথায়- ‘একটি পিসিও না পাওয়া আমাদের দুর্বলতা ছিল। আসলে পাকিস্তান কিংবা ভারতের মতো দলের সক্ষমতাও তো দেখতে হবে। এজন্য আমাদের বেশি বেশি করে ম্যাচ খেলতে হবে।’

দু’ম্যাচে হারলেও সংবাদ সম্মেলনে আসেননি কোচ মাহবুব হারুন। তবে ম্যাচে জিমিদের প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানান ম্যানেজার রফিকুল ইসলাম কামাল। তার কথায়- ‘কোচের নির্দেশনা অনুযায়ীই খেলেছে জিমিরা। তবে পিসি না পাওয়াটা দুর্ভাগ্যজনক। আমাদের সবার বুঝতে হবে ভারত ও পাকিস্তান এশিয়ার জায়ান্ট। তাদের বিপক্ষে খেলতে হলে আগেই ব্যাকফুটে থাকতে হয়।’ কোচের বিষয়ে কামালের কথা- ‘ম্যাচ জিতলেই আপনাদের সামনে হাজির হবেন মাহবুব হারুন।’ আগের ম্যাচে গোলবারে অসীম গোপ থাকলেও ভারতের বিপক্ষে নামানো হয়েছিল আবু নিপ্পনকে। এ বিষয়ে কামালের কথা- ‘পাকিস্তানের বিপক্ষে অসীমের কিছু ভুল ছিল, যা তার মতো পেশাদার গোলকিপারের সঙ্গে যায় না। তাই আমরা নিপ্পনকে নামিয়েছি এ ম্যাচে। দারুণ খেলেছে সে। ভারতের অনেক পিসিও আটকে দিয়েছে সে।’ অন্যদিকে আরও বড় ব্যবধানে জয়ের প্রত্যাশা ছিল বলে জানান ভারতের কোচ জোর্ড মারিজনে।


 


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত