অধ্যাপক ডা. খাজা নাজিম উদ্দীন    |    
প্রকাশ : ১২ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
ডায়াবেটিসের আধুনিক চিকিৎসা

মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ, বারডেম

(পূর্ব প্রকাশের পর)

ব্যায়াম : ব্যায়াম ওজন ঠিক রাখে, ইনসুলিনের কাযর্ক্ষমতা ও সংবেদনশীলতা বাড়ায়। অনেকভাবেই ব্যায়াম করা যায় তবে হাঁটাই সর্বোত্তম। আপনার ডায়াবেটিস আছে অথচ হাঁটবেন না তা হবে না, হতে পারে না। ব্যায়াম করতে পারলেই লাভ। প্রতিদিন কমপক্ষে ৪৫ মিনিট হাঁটুন, এমনভাবে হাঁটুন যাতে গা ঘামে, ক্ষুধা লাগে যাতে পাল্স রেট বাড়ে; যাতে মানুষ বোঝে আপনি ডায়াবেটিসের জন্য হাঁটছেন। টারগেট পাল্স রেট : ২২২-বয়স (বছর) ৫০ থেকে ৭০ ভাগ। সপ্তাহে কমপক্ষে ১৫০ মিনিট হাঁটতে হবে এটি ৩ থেকে ৫ দিনে হতে পারে তবে পরপর দু’দিন মিস করা যাবে না। সপ্তাহে দু’দিন রেজিস্ট্যান্স (মাসলস স্ট্রেংদেনিং, ফ্রি ওয়েট বা ওয়েট মেশিন) এক্সারসাইজ করা দরকার। বাচ্চাদের সপ্তাহে ৬০ মিনিট করা উচিত। শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার কারণে ১/৪ ভাগ মানুষের ডায়াবেটিস হয়। ৯০ মিনিটের বেশি একটানা বসে না থেকে ক্ষণিক দাঁড়িয়ে থাকলে বা কিছুক্ষণ হাঁটলে উপকার হয়।

কাদের ব্যায়াম করা ঠিক নয়

অটনমিক নিউরোপ্যাথি থাকলে ব্যায়ামের আগে কার্ডিয়াক ইভালুয়েশন, পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি থাকলে পা পরীক্ষা, ওয়েট বিয়ারিং ব্যায়াম না করা ভালো। প্রলিফারিটিফ রেটিনপ্যাথি থাকলে চিকিৎসার আগে ব্যায়াম না করা ভালো। সিক্রেটগগ ও ইনসুলিন চিকিৎসা পাওয়া রোগীদের ব্লাড গ্লুকোজ ৬ মি. মোলের কম থাকলে ব্যায়ামের আগে কিছু শর্করাজাতীয় খাবার খেয়ে নেয়া ভালো। কিডনি রোগীর ব্যায়ামের নিষেধ নেই।

ডায়াবেটিস না হলেও সবাইকে ধূপমান ছাড়তে বলতে হবে; কারণ ধূমপায়ী হলে ডায়াবেটিস হওয়ার আশংকা ৬০ ভাগ বেড়ে যায়।

ডায়াবেটিস রোগীর সমস্যা

২৫ থেকে ৬৫ বছরের রোগীদের যারা নিউমোনিয়ায় মারা যায় ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা অন্যদের তুলনায় ২.৫ গুণ, সবাইকে তাই নিউমোনিয়ার ভ্যাক্সিন নিতে উৎসাহিত করতে হবে। হেপাটাইটিস বি ভ্যাক্সিন সবার জন্য অত্যাবশ্যক কারণ ট্রান্সমিশনের সমূহ আশংকা।

মানসিক রোগ : ডিপ্রেসনের আশংকা ২০-২৫ ভাগ। ডায়াবেটিসের সঙ্গে ডিপ্রেসন থাকলে হার্ট অ্যাটাকের আশংকা দ্বিগুণ। ডায়াবেটিস ডিস্ট্রেস সবকিছুতেই নেগেটিভ অ্যাটিচুড হয় ১৮ থেকে ৪৫ ভাগ-এর।

ফ্যাটি লিভার : অতিরিক্ত হেপাটিকলট্রান্সামাইনেসরা আসলে যাদের বিএমআই, ওয়েষ্ট সারকামফারেন্স ও ট্রাইগ্লিসারাইড বেশি এবং এইচডিএল কম তাদের সবার ফ্যাটি লিভার থাকে। ওজন কমালে, লিপিডের চিকিৎসা করলে ডায়াবেটিস কন্ট্রোল করলেই উপকার হয়। অন্য ওষুধ লাগে না। স্বাভাবিকের চেয়ে ২.৫ গুণের (১০০) বেশি হলে অন্য রোগ যেমন ভাইরাল হেপাটাইটিস, অটইমুন হেপাটাইটিস, লুপাসহেপাটাইটিস, উইলসনস ডিজিস ইত্যাদির জন্য পরীক্ষা করতে হয়। এগুলো না হলে ট্যাবলেট দিয়েই চিকিৎসা করা যায়। ইনসুলিন আবশ্যক নয়।

ডায়াবেটিস রোগীদের স্লিপঅ্যাপনিয়া (মোটা হলে ৪-১০ গুণ), ক্যান্সার (লিভার, প্যান্ক্রিয়াস, ব্লাডার), ফ্রাক্চার রিক্স (বিশেষ করে গ্লিটাজন ও এসজিএল টি-২ইনহিবিটর খেলে) কগনিটিভ (>৬০) ও হিয়ারিং ইম্পেয়ারমেন্ট, পেরিওডন্টাল ডিজিস বেশি হয়।

ডায়াবেটিসের ওষুধ

ট্যাবলেট ও ইনজেকশন দুই ধরনের ওষুধ দিয়েই ডায়াবেটিসের চিকিৎসা হয়।

ট্যাবলেট-সালফোনিলুরিয়া ও মেটফরমিন ছাড়া বাজারে এখন তিন গ্রুপের ওষুধ পাওয়া যায়। সর্বশেষ সংযোজন SGLT 2 inhibitor. কোন ট্যাবলেটই ১.৫ এর বেশি HbA1C কমায় না, কম্বিনেশন দিলেও ২ বা ২.৫-এর বেশি কমানো কঠিন। ইএএসডি, (ইউরোপিয়ান অ্যাসোসিয়সন ফর স্টাডি অফ ডায়াবেটিস) এডিএ (আমেরিকান ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েসন), আইডিএফ (ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিক ফেডারেশন) সবার সম্মিলিত অভিমত হল লাইফ স্টাইল বদলানোর সঙ্গে মেটফরমিন দিয়ে চিকিৎসা শুরু করতে হবে। তবে রক্তে খুব বেশি গ্লুকোজ থাকলে প্রথম থেকেই ইনসুলিন দেয়া উচিত (দরকার হলে অন্য ওষুধের সঙ্গে)। মেটফরমিন দিয়েই শুরু করতে হবে, পাতলা মানুষকে দেয়া যাবে না একথা ঠিকনা; মেটফরমিন ওজন বাড়ায় না)। ক্রিয়াটিনিন ১.৫-এর বেশি, ক্রিয়াটিনিন ক্লিয়ারেন্স <৪০ হলে, লিভারের অসুখ থাকলে মেটফরমিন দেয়া যাবে না। মেটফরমিন অনন্তকাল ধরে খাওয়া যায়; এর কার্যক্ষমতা নষ্ট হয় না। সালফোনিলুরিয়া বেশি দিন ব্যবহার করলে কাজ করে না। একারবোজ, মেটফরমিন খাওয়ার (meal) সঙ্গে খাওয়া ভালো। তিন মাসে কন্ট্রোল না হলে বা না থাকলে আরেকটা ট্যাবলেট বা জিএলপি১ বা ব্যাসাল ইনসুলিন (৬টি অপশনের একটি) দেয়া যাবে। মেটফরমিন নির্দ্বিধায় অন্য যে কোনো ওষুধের সঙ্গে কম্বিনেশনে দেয়া যায়। মেটফরমিন, একারবোজ, লিপটিনএ তিনটি ওষুধ ওজন বাড়ায় না। মেটফরমিন লিভারের গ্লুকোজ উৎপাদন কমায় বলে রাতে দিয়ে শুরু করা যেতে পারে। মনে রাখা ভালো বহুদিন ধরে ব্যবহার করলে শরীরে ভিটামিন বি১২ কমে যায় (ম্যাক্রোসাইটিক এনিমিয়া হয়), ক্যালসিয়াম কমে (সাপ্লিমেন্ট লাগে)।

কীভাবে শুরু করবেন ও চিকিৎসা চালাবেন

প্রথম স্টেপে মেটফরমিন ও লাইফ স্টাইল পরিবর্তন করা না হলে দ্বিতীয় স্টেপে যেতে হবে। দ্বিতীয় স্টেপে অন্য যে কোনো ট্যাবলেট ও বেসাল ইনসুলিন যোগ করা যাবে। একস্টেপ থেকে অন্য স্টেপে যেতে জরুরি না হলে তিন মাস দেখতে হবে। যে কোনো ওষুধই কম দিয়ে শুরু করে আস্তে আস্তে বাড়াতে হবে। কোনো ওষুধ কাকে দিতে হবে সেটা ঠিক করতে হবে রোগীর পছন্দ, দাম, অভিজ্ঞতা, পার্শ্বপ্রতিক্রয়া ও কোমরবিডিটি দেখে। SGLT-2 ইনহিবিটর নুতন সংযোজন। তিন ধরনের গ্লিফজন বাজারে পাওয়া যায়। আপনি ২ বা ৩ ট্যাবলেট এবং ইনসুলিন কম্বিনেশনে পারছেন না, তখন যোগ করতে পারেন। প্রক্সিমাল টিবিউলে গ্লুকোজ রিঅ্যাবসরপশন কমায় বিধায় গ্লুকোসুরিয়া/পলিউরিয়া হয়। ডিহাইড্রেশন, ডিজিনেস বা মাথা ঘোরানো হতে পারে। প্রস্রাবের রাস্তায় ইনফেকশন/ ইনফেকশনের ইতিহাস থাকলে না দেয়া ভালো। রেনাল ফেইলুরে দেয়া যায় না। কিটোঅ্যাসিডসিস ত্বরান্বিত করে।

ইনজেকশন : দু’ধরনের ইনজেকশন আছে। ইনসুলিন ও জিএলপি১ এগোনিস্ট (লিরাগ্লুটাইড, এক্সিনাটাইড)।

লিরাগ্লুটাইড : লিরাগ্লুটাইট ওজন কমায়, সুগার কমায়, প্রেশার কমায়। প্রাথমিকভাবে ২-৩ সপ্তাহ এটা কারও কারও (সবার নয়) পেট/ খাদ্যনালির সমস্যা করে। যারা স্থূলকায়, যাদের অনেক ইনসুলিন লাগে তাদের জন্য এটা ভালো ওষুধ। কম দিয়ে শুরু করে আস্তে আস্তে ডোজ বাড়ালে দামে, কাজে দুটিতেই পোষাবে। এটা যে কোনো ওষুধের সঙ্গে কম্বিনেশনে দেয়া যায়। ডিপিপি-৪ ইনহিবিটর ও জিএলপি-১ এগনিস্ট টাইপ-১ ডায়াবেটিসে ব্যবহারের জন্য এফডিএ সম্মতি দেয়নি।

ইনসুলিন : ইনসুলিনই আসল চিকিৎসা।

গ্লুকোটক্সিসিটি : ইনসুলিনের ব্যাপারে প্রথমেই যেটা মানতে হবে সেটা হোল যার লাগবে তাকে দেরি করানো ঠিক হবে না (যেমন কেউ ৩০০ -৪০০ মিগ্রাম (১৭-২০/২১ মিমোল সুগার)- এক্ষেত্রে ইনসুলিনই আসল চিকিৎসা। দেখি কয়েকদিন, কয়েকদিন ওষুধে ট্রায়াল দিয়ে দেখি মানসিকতা থাকলে/এলাউ করলে চলবেনা। গ্লুকোজ বেশি মানেই টক্সিন (গ্লুকোটক্সিসিটি) যা প্যাংক্রিয়াস ও অন্যান্য অর্গানের সমূহ ক্ষতি করবে। সময়মতো ইনসুলিন নিয়ে সুগার কন্ট্রোল হয়ে গেলে তখন আবার ট্যাবলেট ব্যবহার করা যাবে।

ইনসুলিন বিবর্তন : ইনসুলিন ক্রমবিবর্তনে এখন এনালগ পর্যায়ে পৌঁছেছে। উদ্দেশ্য একটাই, প্রাকৃতিকভাবে শরীরে অগ্নাশয় থেকে যে ইনসুলিন বেরোয় সে ধরনের ইনসুলিন আবিষ্কার। সেটা না হলেও এখনকার ইনসুলিনে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম, নেয়ার পদ্ধতি সহজ বিধায় ডায়াবেটিস রোগীদের জীবনযাত্রা সহজতর হয়েছে। সর্বশেষ ডেগ্লুডেগ এবং ডেগ্লুডেগ+এসপার্টাম সহমিশ্রণ ইনসুলিন দু’টা হাইপগ্লাইসেমিয়া বিশেষ করে রাতের হাইপগ্লাইসেমিয়া কম করে, দেয়া সহজ। এ দুটি ইনসুলিন শিডিউল বদলিয়ে নেয়া (প্রতিদিন একই সময়ে না নিলে ও চলে।) সম্ভব। বাচ্চাদের ডায়াবেটিস হওয়ার কারণ হোল ওদের শরীরে ইনসুলিন থাকে না তাই প্রথম দিন থেকেই ইনসুলিন নিতে হয়। বয়স্কদের প্রথমদিকে শরীরে কিছু ইনসুলিন থাকে; অনেকের ইনসুলিন থেকেও কাজ করে না তাই ট্যাবলেটে চলে। গর্ভবতী মহিলার ইনসুলিন ছাড়া চিকিৎসা হয় না।

ইনসুলিন যখন না দিলে চলবে না : যার সুগার অনেক বেশি (১৭ থেকে ২০ মিমোল; ৩০০ থেকে ৩৬০ মিগ্রাম, HbA1c 10-12), যার ডায়াবেটিসের ইমার্জেন্সি (কিটঅ্যাসিডস্সি, কিটনুরিয়া, হনক), ডায়াবেটিকদের ননডায়াবেটিক ইমার্জেন্সি (স্ট্রোক, হার্ট এটাক, ইনফেকশন, জন্ডিস), অনেক বেশি ডোজে করটিকস্টেরয়েড নিতে হয় এমন রোগীর ইনসুলিন ছাড়া চিকিৎসা নেই।

কীভাবে শুরু করবেন : ইনসুলিন শুরু করতে হয় ০.১ থেকে ০.৩ ইউ/কেজি দিয়ে নতুন রোগীর ক্ষেত্রে। পুরনো রোগী হলে (আগে চিকিৎসা পাওয়া) ০.৫ থেকে ১.০ ইউ/কেজি দিয়ে শুরু করতে হবে। ইনসুলিন নিলে ৬ বার খেতে হবে সারা দিনের ক্যালরি ঠিক রেখে। না হলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া হবে। একবার হাইপো হলে রোগীরা ভয় পায়, ডায়াবেটিসের ওষুধ নিতে ভয় পায়; সব রোগীরই তাই হাইপো সম্পর্কে ধারনা দিতে হবে।

হাইপো হলে ডাক্তার খোঁজার দরকার নেই আগে মিষ্টি খেতে হবে, যে ওষুধের জন্য হয়েছে সেটা কমাতে হবে (কমপক্ষে ২০%)

কোন ইনসুলিন/কীভাবে

ব্যাসাল : ইন্টারমিডিয়েট অ্যাক্টিং এনপিএইচ বা লং/আল্ট্রা লংঅ্যাক্টিং(লেভেমির/গ্লারজিন/ডেগ্লুডেগ) দিয়ে শুরু করুন। নাস্তার আগের (ফাস্টিং) গ্লুকোজ পরীক্ষা করে ডোজ অ্যাডজাস্ট করতে হবে। ফাস্টিং কন্ট্রোল হলেও এ১সি কন্ট্রোলে না এলে মেজর মিল-এর আগে রেগুলার হিউম্যান (শর্ট অ্যাক্টিং) অথবা রাপিড অ্যাক্টিং এনালগ দিতে হবে। এরপর এ১সি স্বাভাবিক না হলে বেসাল-বোলাস দিতে হবে অর্থাৎ একটা বেসালের সঙ্গে প্রতিবার খাওয়ার আগে রাপিড অ্যাক্টিং দিতে হবে দরকার অনুযায়ী ডোজ অ্যাডজাস্ট করে। প্রিমিক্সিড ইনসুলিন দিয়ে ডোজ টাইট্রেশন করা যায়না। রেগুলার হিউম্যান ইনসুলিনের বেলায় রাতে এনপিএইচ দিয়ে শুরু করতে হবে। দিনে ৩০ ইউনিটের বেশি লাগলে ভাগ করতে হবে সকালে ২-৩ অংশ ও রাতে ১-৩ অংশ দিয়ে; শর্ট অ্যাক্টিং রেগুলার ইনসুলিন যোগ করতে হবে। এনপিএইচ ২-৩ ও শর্টঅ্যাক্টিং ১-৩ দিতে হবে। যে বেলায় সুগার কম-বেশি হবে তার আগের ডোজ কম বেশি করতে হব। যদি ফাস্টিং গ্লুকোজ কমে তবে আগের ডোজ অর্থাৎ রাতে গিয়ে ইনসুলিন কমাতে হবে।

সিএসইই(কন্টিনিউয়াস সাবকিউটেনিয়াস ইনসুলিন ইনজেকশন) : শরীরের সঙ্গে মেশিন লাগিয়ে রাখতে হবে যেটা সুগার পরীক্ষা করবে এবং প্রয়োজনানুযায়ী ইনসুলিন পুশ করবে। ব্যয়বহুল হলেও এ পদ্ধতিতে কন্ট্রোল করা সহজ।

(পরবর্তী সংখ্যায় সমাপ্ত)


 


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত