• শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯
এ কে এম শাহনাওয়াজ    |    
প্রকাশ : ৩০ জানুয়ারি, ২০১৬ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
নষ্ট রাজনীতির ঘেরাটোপে বিশ্ববিদ্যালয়

প্রাচ্য বা পাশ্চাত্য সব অঞ্চলেই বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠেছিল জ্ঞানচর্চা ও জ্ঞান সৃষ্টির উদ্দেশ্য নিয়ে। আট শতকে বাংলা অঞ্চলে বৌদ্ধ বিহারগুলো যখন জ্ঞানকেন্দ্রে পরিণত হয়, তখন বাংলার এ আদি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি গবেষণাও চলেছে। জ্যোতির্বিদ্যা, আইন, গণিত, ব্যাকরণ, চিকিৎসাশাস্ত্র- সব ক্ষেত্রেই বৌদ্ধ পণ্ডিতরা নিবেদিত ছিলেন। এমনকি পশু চিকিৎসা নিয়েও চর্চা করা হতো। ‘হস্তি আয়ুর্বেদ’ নামে হাতির চিকিৎসা সংক্রান্ত গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিও পাওয়া গেছে। পণ্ডিত চন্দ্রগোমিন ‘চান্দ্রব্যাকরণ’ লিখে খ্যাতিমান হয়েছিলেন। প্রাচীন বাংলার শাসকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য-মহাচার্যদের বিশেষভাবে সম্মানিত করতেন। শান্তিরক্ষিত, অতীশ দীপঙ্করের মতো পণ্ডিতদের জগৎজোড়া সুখ্যাতি ছিল। চীন-তিব্বতে ক্ষয়িষ্ণু বৌদ্ধ ধর্মের পুনর্জাগরণের জন্য এদেশের পণ্ডিতদের কাছে চীন সরকার অনেক অনুনয় করে অতীশ দীপঙ্করকে নিয়ে গিয়েছিলেন। এগারো শতক থেকে তেরো শতক পর্যন্ত ইউরোপের নানা দেশে গড়ে উঠতে থাকে বিশ্ববিদ্যালয়। শাসকগোষ্ঠী থেকে শুরু করে সর্বশ্রেণীর মানুষের চোখে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল বিশেষ সম্মানের জায়গা। বিশ্বাস করা হতো এ জ্ঞানকেন্দ্রগুলোই হবে রাষ্ট্রের চালিকাশক্তি। পঞ্চাশ ও ষাটের দশকেও এদেশে রাজনীতিকরা নানা সংকটে পরামর্শ ও দিকনির্দেশনার জন্য ছুটে আসতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছে। সর্বকালের শাসক, প্রশাসক ও সাধারণ মানুষের কাছে স্পষ্ট ছিল যে, বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্ঞানচর্চা ও জ্ঞান সৃষ্টির প্রবাহই একটি দেশ ও জাতির জ্ঞানভিত্তিক অগ্রগতির চালিকাশক্তি।

স্বাধীনতার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গৌরবধারায় একটি ফাটল তৈরি হতে থাকে। বঙ্গবন্ধু গতিসঞ্চারের জন্য কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৭৩-এর অধ্যাদেশ পাস করিয়ে আনেন। বাহ্যিকভাবে একটি গণতান্ত্রিক ধারা তৈরি হয়। একই সঙ্গে অধ্যাদেশের অপব্যবহারের পথও কোনো কোনো মহল তৈরি করতে থাকে। শিক্ষকরা রাজনীতি করার অধিকার পেলেও একে মুক্তচিন্তা বিকাশের ক্ষেত্রে কাজে লাগাতে পারলেন না। ক্রমে ক্ষমতাপ্রেমী জাতীয় রাজনীতির নেতিবাচক প্রভাব বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক রাজনীতিকে কলুষিত করতে থাকে। সিংহভাগ শিক্ষক নিবেদিতপ্রাণ হওয়ার পরও তারা অন্তরালে চলে যেতে থাকেন দাপুটে রাজনীতিবাজদের সদম্ভ পদচারণার তোড়ে। অশিষ্ট ছাত্র রাজনীতি মেধাবী শিক্ষার্থীদের মুক্ত চিন্তাধারাকে কণ্টকাকীর্ণ করে তোলে। এর সঙ্গে হয়তো যুক্ত হয় কুচক্রী কোনো পক্ষ। এরা জনসম্মুখে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অপদস্থ করার জন্য নানা প্রচারণা চালাতে সক্রিয় থাকে। অভব্য, আদর্শচ্যুত রাজনীতির লাঠিয়াল কিছুসংখ্যক ছাত্রকে দেখে এখন সাধারণ মানুষ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের নেতিবাচক চোখে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে।

১৯৭৫-এ জিয়াউর রহমান রাজনীতিকে জটিল করে দেয়ার অভিপ্রায়ে পা ফেলতে গিয়ে অনেকটা প্রকাশ্যেই দলীয় লাঠিয়াল বানানোর কাজ সম্পন্ন করেন। অস্ত্র আর অর্থ তুলে দেন ছাত্রদের হাতে। নষ্ট রাজনীতির ঘেরাটোপে ফেলে ছাত্রদের নষ্ট করার প্রক্রিয়া পরবর্তী সময়েও লক্ষ করা গেছে। ক্ষমতার রাজনীতিতে থাকা যুদ্ধংদেহী আর কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীরা অন্ধকার থেকে ছাত্র রাজনীতিকে টেনে আনেননি। বরঞ্চ এদের এমন এক জীবে পরিণত করেছেন যে, পেশাজীবনে এসেও ক্যাম্পাসে সরকারদলীয় রাজনীতি করা অনেকেই এ নষ্ট চরিত্র বদলাতে পারেননি, তা তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হোন বা সরকারি আমলা হোন। বিশ্ববিদ্যালয়ে সাড়ে তিন দশকের অভিজ্ঞতায় প্রতিদিন এ তিক্ত সত্য অনুভব করছি। এ কারণে যারা সরল বিচারে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনাচারকারী ছাত্র আর শিক্ষকের নিন্দা করেন, তাদের সবিনয়ে বলতে ইচ্ছে করে- পুতুলকে নয়, পুতুল নাচানে আমাদের ক্ষমতালিপ্সু রাজনীতিকদের কাছে প্রশ্ন তুলুন।

ক্যাম্পাসে বিএনপি আমলে ছাত্রদল আর আওয়ামী লীগ আমলে ছাত্রলীগের আচরণে কোনো ফারাক আমরা আমাদের বাস্তব পর্যবেক্ষণে দেখি না। ছাত্র রাজনীতির আচরণ যে ভব্য করে তুলবেন, জন্মসূত্রের সংকটের কারণে বিএনপি নেতা-নেত্রীদের কাছে তেমনটা আশা করি না। তবে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের কাছে তেমন প্রত্যাশা করব না কেন? দলটির দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। এককালে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াই করেছে। ছাত্রলীগেরও মহান গৌরব রয়েছে। কিন্তু এখন যখন সন্ত্রাস ও অশিষ্ট আচরণে ছাত্রদলের ঐতিহ্যকেও তারা ছাড়িয়ে যেতে চায়, তখন এদের ওপর দলীয় শাসন কোথায়! কোনো বড় অনাচার করে ফেললে মিডিয়া যখন সরব হয়, দেশের মানুষ যখন ছি ছি করতে থাকে, তখন আই ওয়াশের মতো অ্যাকশন নিতে দেখি। কিন্তু স্বয়ংক্রিয় শাসন কোথায়? একথাও বাজারে প্রচলিত আছে যে, উন্মত্ত ছাত্রলীগের রাশ টানার কথা দলীয় ফোরামে উঠলে দায়িত্বশীল নেতা-নেত্রীরা বলেন, এদের এটুকু আচরণ সহ্য করতে হবে, কারণ দলীয় সংকটে এরাই তো ঝাঁপিয়ে পড়ে। ফলে আশকারা পাওয়া দলীয় রাজনীতিতে নাম লেখানো নেতাকর্মীরা শিষ্ট আচরণকে দুর্বলতা ভাবে। এরা নিজেদের বন্ধুদের ওপর হামলে করতে দ্বিধা করে না। জুনিয়র ছাত্র অনায়াসে অপমান করে সিনিয়র ভাইকে। একে একরকম বীরত্বই ভাবে তারা। শিক্ষক-অফিসারদের অপমান করতেও কোনো সংকোচ নেই ওদের। কারণ ওদের কাছে একমাত্র সম্মানীয় হচ্ছেন একই মানসিকতার দুর্বৃত্ত রাজনৈতিক নেতা।

সম্প্রতি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ঘটে যাওয়া একটি লজ্জাজনক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটায় ছাত্রলীগের কিছু অশিষ্ট কর্মী। ঘটনাটি আকারে ছোট; কিন্তু এর অন্তর্নিহিত বাস্তবতাটি অনেক মর্মান্তিক ও লজ্জার। ইতিহাস বিভাগের নিবেদিতপ্রাণ অধ্যাপক-গবেষক মোজাহিদুল ইসলাম কোনো শিক্ষক রাজনীতির দলে নাম লেখাননি। মিতভাষী সজ্জন মানুষ। রিকশায় ফিরছিলেন বিভাগ থেকে বাসায়। রাস্তার একপাশে একটি মেয়ের আর্তচিৎকারে রিকশা থামান। দেখেন কজন তরুণ এক তরুণকে প্রহার করছে। সঙ্গে থাকা তরুণীটিকেও লাঞ্ছিত করা হচ্ছে। তিনি থামাতে গেলেন। জানলেন এরা বহিরাগত, ক্যাম্পাসে বেড়াতে এসেছে। যেন ছাত্রলীগের ছেলেদের ওপর প্রশাসন বহিরাগতদের পিটিয়ে ক্যাম্পাস ছাড়া করার দায়িত্ব দিয়েছে! বিশ্ববিদ্যালয়ে জনরব রয়েছে, এসব ক্ষমতাশালী ছাত্রের কেউ কেউ নাকি এভাবে হামলার নাটক সাজিয়ে ছোটখাটো ছিনতাইও করে থাকে। অবশ্য এ অভিযোগটি মানতে আমার মন সায় দেয় না। গত বছরের একটি অঘটন তো বেশ আলোড়ন তুলেছিল। ক্যাম্পাসে বেড়াতে আসা এক দম্পতিকে তাদের শিশুসন্তানের সামনে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় আলবেরুনী হলের সামনে এবং হলের গেস্টরুমে। সন্তানের সামনে মা জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন।

এসব দুশ্চিন্তায় এবং শিক্ষকের দায়িত্ববোধ থেকে অধ্যাপক মুজাহিদ লাঞ্ছিতদের রক্ষা করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু আমাদের নষ্ট রাজনীতির গুরুদের ছাত্ররা উল্টো শিক্ষককে লাঞ্ছিত করতে দ্বিধা করেনি। আমরা অভিজ্ঞতা থেকে বলি, এসব বখে যাওয়া ছাত্রের ওপর শিক্ষকদের নিয়ন্ত্রণ থাকে না। কিছুটা থাকে দলীয় নেতৃত্বের আর রাজনীতির ঘেরাটোপে আটকে থাকা কোনো কোনো শিক্ষক নেতার। এদেরও শিক্ষক সমাজের সরল অবয়বের সঙ্গে মেলানো যায় না।

এ ঘটনায় নিয়মমাফিক প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। প্রতিবাদ করেছে বাম ধারার শিক্ষক সংগঠন। প্রত্যাশা ছিল প্রতিকারের দাবিতে শিক্ষক সমিতি প্রবলভাবে পথে নামবে। তেমনটি হয়নি। একটি দায়সারা গোছের প্রতিবাদলিপি পাঠানো হয়েছে। অবশ্য এমনটি প্রত্যাশিত ছিল। শিক্ষক সমিতির নেতাদের বড় অংশ আওয়ামী লীগপন্থী প্রশাসনের সমর্থক। বাকিরা প্রশাসনকে সমর্থনকারী বিএনপিপন্থী। সুতরাং শিক্ষক লাঞ্ছনার চেয়ে প্রশাসনের ইচ্ছে অনুসরণ করা তাদের কাছে নিশ্চয়ই প্রধান। অধ্যাপক মোজাহিদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তার যেহেতু কোনো পক্ষের রাজনীতির স্ট্যাম্প গায়ে নেই, তাই তিনি বিচার পাওয়ার ব্যাপারে হতাশ। শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনায় মানসিকভাবে আহত কয়েকজন ছাত্র বলছিল, স্যার আমরা আশা করেছিলাম শিক্ষক সমিতির ব্যানারে আপনারা পথে নেমে বিচার চাইবেন। পাশাপাশি স্বগোক্তিও করল, শিক্ষক লাঞ্ছনার বিচার চেয়ে আমাদেরও পথে নামা উচিত, কিন্তু এখন আর সেই শক্তি ও সাহস আমাদের নেই, অমনটি করলে ‘পলিটিক্যাল ছাত্রদের’ অত্যাচারে হলে থাকা কঠিন হবে। আমি শংকিত হলাম এই ভেবে যে, কীভাবে ছাত্ররা তাদের সংগ্রামী প্রতিবাদী ঐতিহ্য হারাতে বসেছে।

খবরে প্রকাশ, নিয়মমাফিক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। দোষ প্রমাণ হলে হয়তো শাস্তি হবে। কী আর শাস্তি দেয়ার ক্ষমতা আছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। হয়তো স্বল্পমেয়াদি বা দীর্ঘমেয়াদি বহিষ্কার। এ তো হরদম হচ্ছে। এতে তো পরিবেশ শুদ্ধ হচ্ছে না। এ ধারার অপরাধ করলেও আমি কখনও এই অভব্য, নষ্ট ছাত্রদের প্রবলভাবে দায়ী করতে পারি না। ক্যাম্পাসে ও ক্যাম্পাসের বাইরে বসে এদের যে রাজনৈতিক গুরুরা রাজনৈতিক সুবিধা পাওয়ার জন্য রাজনীতির নামে এদের নষ্ট করছে, তাদের শতভাগ দায়ী করতে চাই। যদি আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে শুদ্ধতা থাকত এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গরিমা রক্ষার অন্যতম অনুষঙ্গ শিক্ষকের সম্মান রক্ষাকে তারা গুরুত্ব দিতেন, তাহলে দলীয় লাঠিয়ালদের হাতে শিক্ষক লাঞ্ছনার কথা পত্রপত্রিকায় প্রচারিত হওয়ার পর কোনো দায়িত্বশীল নেতার ক্যাম্পাসে ছুটে আসার কথা ছিল। শিক্ষককে সহানুভূতি জানানোর কথা ছিল। তদন্ত করে দোষীদের বিচারের অঙ্গীকার করার কথা ছিল। তেমনটি হলে রাজনীতির তকমায় দাপুটে ছাত্ররা যেমন সংযত হতো, শিক্ষকরাও কিছুটা সান্ত্বনা পেতে পারতেন। কিন্তু আমাদের রাজনীতির ভেতর যে অন্ধকার ছায়া ফেলেছে- দলতন্ত্র যেমন দাপুটে অবস্থা তৈরি করেছে, তাতে সভ্যতা, ভব্যতা আর সংস্কৃতিবোধ অপসৃত হবেই।

এখন তো নেতা-মন্ত্রীদের অনেককে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বুঝে না বুঝে তির্যক মন্তব্য করতে দেখি। মুক্তচিন্তা চর্চার জায়গা বিশ্ববিদ্যালয়। রাজনীতির ঘেরাটোপে সবাইকে তো আর বন্দি করা যায়নি। সব শিক্ষক তো আর ‘হিজ মাস্টার্স ভয়েজ’ নন। তারা তো মুক্ত বিবেক থেকে ক্ষমতাশালীদের সমালোচনা করবেনই। এসব সমালোচনা যে তাদের শুদ্ধ হওয়ার পথ দেখায়, তা মানার মতো মনের বিশালতা তো থাকতে হবে। এ কারণেই বিশ্ববিদ্যালয়ের মহিমাকে খাটো করার জন্য কূট বিতর্ক নানাভাবে তোলা হচ্ছে। এসবের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া সম্ভাবনাময় তরুণদেরও নষ্ট করে ফেলা হচ্ছে। রাষ্ট্র, সরকার ও দায়িত্বশীল রাজনীতির নীতিনির্ধারকরা একবারও কি ভেবে দেখেছেন, জ্ঞানচর্চা ও জ্ঞান সৃষ্টির কেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের গরিমা খাটো করে তারা দেশটিকে অন্ধকারের যূপকাষ্ঠে তুলে দিচ্ছেন কিনা!

ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]


 


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত