• বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯
যুগান্তর ডেস্ক    |    
প্রকাশ : ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
বিশ্বব্যাপী ছড়াচ্ছে হোমল্যান্ড সিকিউরিটির কার্যক্রম
যুক্তরাষ্ট্রগামী যাত্রীদের ওপর নজরদারিতে ৭০ দেশে তৎপরতা * শুধু কানাডাতেই ৪ শতাধিক মার্কিন কর্মকর্তা নিয়োগ

যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এখন বিশ্বব্যাপী কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করেছে। বিশ্বের প্রায় ৭০টি দেশে সম্প্রসারিত হয়েছে মার্কিন অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাবিষয়ক ওই বিভাগটির কার্যক্রম। বিশ্বের এসব দেশে ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস ইনফোর্সমেন্ট বিভাগের স্পেশাল এজেন্ট থেকে শুরু করে পরিবহন নিরাপত্তা বিভাগে ২ সহস াধিক কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়েছে। হোমল্যান্ড সিকিউরিটির এ কর্মকাণ্ড বাড়ানোয় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় দেশগুলো। তারা বলছে, ইউরোপের দেশগুলোয় যুক্তরাষ্ট্র তাদের অভিবাসন আইন রফতানি করার চেষ্টা করছে। কিন্তু মার্কিন মিত্রদেশগুলো বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপের কারণে অন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ সম্ভব হবে। পাশাপাশি সন্ত্রাসী হামলা, মাদক পাচার ও মানব পাচারের মতো অপরাধ বন্ধ হবে। খবর নিউইয়র্ক টাইমসের। ইকুয়েডরে হোমল্যান্ড সিকিউরিটির এজেন্টের কারণে বিড়ম্বনার শিকার হয়েছেন অনেকেই। মার্কিন এ বিভাগের সান্ত্রাসবাদবিরোধী অভিবাসন অ্যাডভাইজরি প্রোগ্রাম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জার্মানির আইনপ্রণেতারা। এ প্রোগ্রামের আওতায় বিমানবন্দরে পর্যটকদের অনুসন্ধান করা হয় এবং কখনও কখনও কাস্টমস ও বর্ডার প্রোটেকশন কর্মকর্তারা তাদের সাক্ষৎকার নেন। এরপরই কেবল তাদের যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের অনুমতি দেয়া হয়। মার্কিন এসব কর্মকর্তা বিদেশি যাত্রীদের বিমানে আরোহী না করার বিষয়ে এয়ারলাইন্সকে সুপারিশ করতে পারেন। একটি সরকারি অ্যাকাউন্টিবিলিটি দফতরের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ২০১৫ সালে কাস্টমস কর্মকর্তারা ৮,১০০ জন পরিচিত বা সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীকে বা সন্ত্রাসীগোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণে বাধা দিয়েছে। কানাডায় যুক্তরাষ্ট্রের এ কার্যক্রম শুরুর আভাস পাওয়ার পর আগস্টে এর প্রতিবাদে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বহু চিঠি ও ইমেইল জমা হয়েছে। কানাডার বিমানবন্দর ও রেলবন্দরগুলোয় নাগরিকদের তল্লাশি, প্রশ্ন ও আটকের জন্য আমেরিকার কাস্টমস কর্মকর্তাদের অনুমোদন দেয়ার প্রতিবাদ জানায় দেশটির বহু মানুষ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কানাডার সরকারি কর্মকর্তারা জানান, চিঠি ও ইমেইল পাওয়ার সংখ্যা ছিল নজিরবিহীন এবং এতে সরকারি কর্মকর্তারা বিস্মিত হয়েছেন। বর্তমানে দেশটিতে ৪ শতাধিক হোমল্যান্ড সিকিউরিটির কর্মকর্তা রয়েছেন।

বিদেশের মাটিতে হোমল্যান্ড সিকিউরিটির এ কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও সমালোচনা হচ্ছে। এক কংগ্রেস সদস্য অভিযোগ তুলেছেন, ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস ইনফোর্সমেন্ট বিভাগের দেশের ভেতরের শাখার চেয়ে বিদেশি কার্যালয়ে চারগুণ বেশি অর্থ ব্যয় হচ্ছে। এছাড়া সেপ্টেম্বরে হাউস হোমল্যান্ড সিকিউরিটি কমিটির শুনানিতে ন্যাশনাল ট্রেজারি ইমপ্লয়ি ইউনিয়ন উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, বিদেশে অতিরিক্ত কাস্টম কর্মকর্তা নিয়োগের কারণে দেশীয় বন্দরগুলোয় কর্মকর্তা-কর্মচারীর চরম সংকট দেখা দিয়েছে। ন্যাশনাল ট্রেজারি ইমপ্লয়ি ইউনিয়ন প্রায় ২৫ হাজার কাস্টমস ও বর্ডার প্রোটেকশন কর্মকর্তাদের প্রতিনিধিত্ব করে।


 


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত