নওগাঁ প্রতিনিধি    |    
প্রকাশ : ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
নওগাঁয় আলুর কেজি তিন টাকা
ধান উৎপাদনের জেলা হিসেবে পরিচিত নওগাঁ। পাশাপাশি সবজি উৎপাদনও হয়ে থাকে। প্রতি বছরের মতো এবারও কৃষকরা আলু চাষে ঝুঁকেছিলেন। বেশি দাম পাওয়ার আশায় আলুচাষী ও ব্যবসায়ীরা আলু কোল্ডস্টোরেজে মজুদ করেছিলেন। কিন্তু সে আশায় এখন গুঁড়ো বালি। পুরনো আলু কোল্ডস্টোরেজে মজুদ। তার ওপর আবার নতুন আলুর আগমন। বর্তমানে বাজারে অন্য সবজির দাম বেশি হলেও আলুর দাম নিতান্তই কম। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে আড়াই থেকে তিন টাকায়। আলুর দাম কমে যাওয়ায় বিপাকে আলু চাষী, ব্যবসায়ী ও কোল্ডস্টোরেজ মালিকরা। আলু চাষী ও ব্যবসায়ীরা পুঁজি হারিয়ে লোকসানে এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে এক বস্তা আলু (৮৫ কেজি) দুশ’ থেকে আড়াইশ’ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। আর এভাবে চলতে থাকলে আগামীতে আলু চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে না কৃষকরা। সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় ও পুরনো আলু বাজারে থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নওগাঁ জেলায় ৪টি কোল্ডস্টোরেজ আছে। এতে আলুর ধারণক্ষমতা প্রায় ৫ লাখ বস্তা। প্রতি বছর হিমাগারে আলু সংরক্ষণ শুরু হয় মার্চ মাসে। আর বের হয় নভেম্বর মাসে। কিন্তু সময় পেরিয়ে গেলেও কোল্ডস্টোরেজ এখনও ফাঁকা হয়নি। পুরনো আলু কোল্ডস্টোরেজে মজুদ। তার ওপর আবার নতুন আলুর আগমন। ফলে বাজারে নতুন আলু বিক্রি হওয়ায় ব্যবসায়ীরা আর কোল্ডস্টোরেজ থেকে আলু কিনছেন না। ফলে কোল্ডস্টোরেজগুলোতে পাইকারি ব্যবসায়ী না যাওয়ায় জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বাধ্য হয়ে স্টোরজাত আলু ফাঁকা করতে কম দামে আলু ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন কোল্ডস্টোরেজ কর্তৃপক্ষ। জেলার মান্দা উপজেলার তেলিপাড়া মোড়ে তামান্না কোল্ডস্টোরেজ গিয়ে দেখা যায়, বস্তা বস্তা আলু স্টোরের বাহিরে স্তূপ করে রাখা আছে। স্টোর ফাঁকা করতেই এভাবে রাখা হয়েছে। অনেক বস্তার মধ্য থেকে আলুর গাছ বেরিয়ে এসেছে। অনেক বস্তা থেকে আলু পচে গন্ধ ছড়াচ্ছে। নারী ও পুরুষ শ্রমিকরা ভালো আলুগুলো বেছে পৃথক করছেন। কার্ডিনাল, ডায়মন্ড ও এ্যাস্টরিক জাতের আলু ৮৫ কেজি ওজনের বস্তা বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৫০ টাকা এবং দেশি আলু ১৫০-২০০ টাকা। আলুর মালিকরা আলু নিতে না আসায় কোল্ডস্টোরেজ কর্তৃপক্ষ ফাঁকা করতে কম দামে বিক্রি করছেন।



আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত