• বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯
নওগাঁ প্রতিনিধি    |    
প্রকাশ : ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
সাপাহার সীমান্তে চোরাচালান
ভারতীয় গরু চলাচলে শত শত বিঘা জমির ফসল নষ্ট
সাপাহার উপজেলার করমুডাঙ্গা সীমান্তে বেড়েই চলেছে চোরাকারবারীদের আনাগোনা। অবৈধভাবে রাতের আঁধারে চোরাকারবারীরা ভারত থেকে গরু-মহিষ নিয়ে আসায় ক্ষতি হচ্ছে স্থানীয় কৃষকের মাঠের ফসল। এতে শতাধিক কৃষকের কয়েকশ’ বিঘা জমির সরিষা, আলু ও ধানের বীজ তলা নষ্ট হয়ে লাখ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় বিজিবি নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
জানা গেছে, বন্যায় ওই এলাকার কৃষকদের আমনের ব্যাপক ক্ষতি হয়। ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে উপজেলার কৃষকরা চলতি বছরে ২ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা, আলু ও ধানের বীজ তলা তৈরি করেছেন। ফসলও ভালো হয়েছে। কিন্তু চোরাই পথে অবৈধভাবে প্রতি রাতে ভারত থেকে গরু-মহিষ আনায় সীমান্ত এলাকার জমিতে ফসলগুলো নষ্ট হচ্ছে। এতে উপজেলায় সরিষা ও আলু আবাদ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা তাদের ফসল রক্ষা করতে করমুডাঙ্গা (বিওপি) বিজিবি ক্যাম্পে গিয়ে মৌখিকভাবে অভিযোগ করেছে।
করমুডাঙ্গা গ্রামের কৃষক শাহিন আলম, সোলাইমান আলী, সাইদুর রহমান, আবদুর রশিদ, আফজাল হোসেন, মামুন হোসেন, কছিমুদ্দীন, জালাল উদ্দীন, হাবিবুর রহমানসহ কয়েকজন কৃষক বলেন, বিজিবি সদস্যদের বিষয়টি জানানো হলে তারা আমাদেরকেই ফসল রক্ষা করতে বলেন। ফসল রক্ষার জন্য রাতে মাঠে পাহারা দিতে গেলে টহলরত বিজিবি সদস্যরা আবার ধমক দেয়। স্থানীয় বিজিবি সদস্যরা ফসল রক্ষায় কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন কৃষকরা। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মুকুল মিঞা বলেন, প্রতিনিয়ত ওই সীমান্ত দিয়ে চোরাকারবারীরা রাতের আঁধারে ভারত থেকে গরু নিয়ে আসছে। ফলে স্থানীয় কৃষকদের ফসলের ক্ষতি হচ্ছে। কৃষকদের মাঠের ফসল রক্ষায় সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।
স্থানীয় বিজিবি করমুডাঙ্গা ক্যাম্প কমান্ডার নায়েক সুবেদার নুরুল আমিন বলেন, এ ক্যাম্পের সীমানা মেইল পিলার ২৩৭ থেকে ২৪১ পিলারে ৯ কিলোমিটার। আমাদের ক্যাম্পে বিজিবি সদস্য ২০ জন। প্রতিদিন নিয়ম করে ১২ জন টহল দেয়। ফসল ক্ষতির বিষয়টি তিনি অবগত আছেন। এ মাসে ৩০টি গরু আটক করা হয়েছে। আমাদের সমস্যা হচ্ছে জনবল সংকট, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও স্থানীয়দের কাছ থেকে সহযোগিতা না পাওয়া। বিজিবি-১৪ পত্নীতলা অধিনায়ক লে. কর্নেল ইঞ্জিনিয়ার খিজির খান বলেন, বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত