• বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০
মাহবুব কামাল    |    
প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
আকাঙ্ক্ষাই অর্ধেক জীবন নিস্পৃহতা অর্ধেক মৃত্যু

হেডিংয়ের কথাগুলো আমার মৌলিক আবিষ্কার নয়। হুবহু না হলেও বাক্যটির কাছাকাছি কথা আরও অনেকেই বলেছেন ইতিপূর্বে। বলা যায়, বাক্য গঠনটিই শুধু আমার, বাদবাকি অপরের।

এই বাক্যের ভাবসম্প্রসারণ করা খুব সোজা একটি কাজ। মানুষ ও গাছপালা দু’টোরই জীবন আছে, জীবনের প্রায় সব বৈশিষ্ট্যই এ দু’য়ের মধ্যে বিদ্যমান। ‘প্রায়’ বললাম, কারণ মানুষ ও গাছপালার মধ্যে অনেক কমন বৈশিষ্ট্য থাকলেও গাছপালার জীবনে গতি নেই, যা আছে মানুষের। এ দুই আলাদা বৈশিষ্ট্যের কারণে মানুষকে বলা হয় প্রাণী আর গাছপালা হল উদ্ভিদ। অতঃপর আমরা বলতেই পারি, মানুষের জীবন থেকে যদি গতিটা কেড়ে নেয়া যায়, তাহলে সে উদ্ভিদ হয়ে যাবে। তো মানুষের ভেতর গতির সঞ্চার হয় কখন? উত্তর, যখন তার ভেতর আকাঙ্ক্ষা জন্ম নেয়। আকাঙ্ক্ষা নেই তো গতি নেই, আর গতি নেই মানে সে আকৃতিতে মানুষ, বৈশিষ্ট্যে উদ্ভিদ। বড়জোর বলা যায় অর্ধেক মানুষ, অর্ধেক উদ্ভিদ।

হেডিংয়ের বাক্যটির দ্বিতীয় অংশটিও ব্যাখ্যার অতীত নয়, বরং তা প্রথম অংশটির পরিপূরক। কেউ নিস্পৃহ মানে বেড-রিডেন রোগীর সঙ্গে তার বিশেষ কোনো পার্থক্য নেই। বলা চলে সে জীবন্মৃত, আরও সহজ করে বললে অর্ধেক মৃত। উদাহরণ দিয়ে বলা যায়, সরকারি চাকরি থেকে অবসরের পর ভূতপূর্ব সেই চাকুরে গতির অভাবে নিস্পৃহ হয়ে পড়েন। তার থাকে না অধস্তনদের ওপর খবরদারি, আগে ১০টা কথা বললে ২০ বার স্যার বলতেন যারা, এখন রাস্তাঘাটে দেখা হলে মুখ সরিয়ে নেন। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও তা বাস্তবায়নের আনন্দ থেকেও বঞ্চিত তিনি। নিষ্প্রভ জীবনের এই অর্ধেক মৃত্যু ঠেকাতে নিজের ভেতর স্পৃহা জাগাতে চান তিনি তখন, খোঁজেন বেসরকারি কোনো চাকরি অথবা অন্য কোনোভাবে কর্মচঞ্চল থাকার উপায়। সংক্ষেপে বললে, জীবনের প্রধান যে দুই উদ্দেশ্য- কর্ম ও ভোগ- নিস্পৃহরা কর্মেও অর্ধেক, ভোগেও। এটা অর্ধেক মৃত্যু নয় তো কী!

আজ আমরা আকাঙ্ক্ষাবর্জিত এক নিস্পৃহ জাতির কথা বলব। প্রথমেই বলে নেয়া ভালো, এই জাতি নিজের অথবা তার পরিবারের ব্যাপারে মোটেও আকাঙ্ক্ষার্জিত কিংবা নিস্পৃহ নয়, বরং এ দুই ক্ষেত্রে তাদের উৎসাহের শেষ নেই। সে নিস্পৃহ তার সমাজ ও রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে, এ দুই জগতে তার মতো নিরাসক্ত, নির্মোহ, নৈর্ব্যক্তিক আর হয় না। তার দেশপ্রেম ও সমাজচেতনা লুপ্ত হতে হতে তা এখন তলানিতে, সেটা থাকা-না থাকা সমান কথা। মুক্তিযুদ্ধের পর থেকে দীর্ঘ ৪৬ বছরের মানসিক বিবর্তনের মধ্য দিয়ে সে এখন রাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের একাত্মবোধ করে না, তার নেই সমাজের প্রতি সেন্স অফ পার্টিসিপেশন অর্থাৎ অংশীদারিত্বের মনোভাব, রাষ্ট্র ও সমাজ থেকে বিচ্ছিন্নতাবোধ তীব্র হতে হতে তার মধ্যে পরার্থবোধ বলেও কোনো পদার্থ আর অবশিষ্ট নেই; নিজের জীবন ও পরিবার নিয়েই তার যত আকাক্সক্ষা, যত স্পৃহা। এই জাতির নাম বাংলাদেশের বাঙালি।

কহলিল জিবরানের কথাটি সুন্দর- খরগোসের চেয়ে কাছিমই রাস্তা চেনে বেশি। রাস্তা চিনতে আমি তাই গাড়িতে কম চড়ি, রিকশা ধরি। এই ধীরগতিতে চলতে গিয়ে যাদের দেখি, তাদের অধিকাংশেরই চেহারায় ফুটে ওঠে- তারা রাষ্ট্র বোঝে না, গৃহ বোঝে; হৃদয় বোঝে না, বস্তু বোঝে; সমাজ বোঝে না, পরিবার বোঝে; দায়িত্ব বোঝে না, প্রতিষ্ঠা বোঝে; সমষ্টি বোঝে না, ব্যক্তি বোঝে; টোকাই বোঝে না, সন্তান বোঝে; প্রতিবাদ বোঝে না, পলায়ন বোঝে; বমি করতে জানে না, হজম বোঝে। এক লেখায় AIDS-এর চেয়েও বিপজ্জনক, দেশপ্রেমের ঘাটতিজনিত এই রোগের নাম দিয়েছিলাম APDS (Acquired Patriotism Deficiency Syndrome)।

রাষ্ট্র নিয়ে কেন থাকবে আকাঙ্ক্ষা অথবা স্পৃহা মানুষের? কী এমন দায় পড়েছে তার রাষ্ট্র ও সমাজকে নিজের সাধ্য দিয়ে গড়ে তোলার! পরার্থে অথবা সমাজকল্যাণে সে টাকা ঢালতে চায় না, কারণ সেই টাকার বেশিরভাগটাই চুরি হয়ে যাবে অথবা হবে তার অপব্যবহার; সে ফাঁকিতে ফেলতে চায় ট্যাক্স, কারণ ট্যাক্স দিয়ে সে সেবা পায় না; অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে পা আগায় না তার, কারণ ওই পা ভেঙে দেয়ার বিরুদ্ধশক্তি থেকে তাকে সুরক্ষা দিতে পারে না রাষ্ট্র। দ্বিতীয় কথা, রাষ্ট্র যখন ভালোবাসে না তার নাগরিককে, সে কোন্ আহাম্মক যে ভালোবাসবে রাষ্ট্রকে? একতরফা প্রেম চালানো যায় কতদিন? খুব কি অতিরঞ্জন হবে এ কথা যে, রাষ্ট্র তার সব বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে পরিণত হয়েছে এক মামুলি ভূখণ্ডে?

তাকে ভুলে থাকা যায়, যার সঙ্গে তুমি হেসেছিলে; ভুলে যাওয়া যায় না তাকে, যার সঙ্গে তুমি কেঁদেছিলে। হ্যাঁ, ৪৬ বছরের অতীত আমরা ভুলে যাইনি, যেতে পারি না, কারণ সেটা কান্নাকাটির অতীত। বঙ্গবন্ধু জাতির পিতা বলে তার প্রতি কোনো প্রশ্ন নেই। তার পরের চার প্রধান শাসকের একজন মৃত, আরেকজন জীবিতই আছেন- এই দু’জনকেও ছাড় দেয়া চলে, কারণ তাদের শাসনামলে আমরা স্বপ্ন দেখিনি; স্বপ্ন নেই যার, তার থাকে না স্বপ্নভঙ্গের বেদনা। প্রশ্নটা তাই, বাকি দু’জনের প্রতি- স্বপ্ন দেখিয়ে, প্রেমে ফেলে ’৯০-এর অভ্যুত্থানে অংশ নেয়ালেন যদি, কেন কারণ ঘটালেন মানুষের এই দুর্গতির? কেন নিয়ে এলেন আমাদের এমন এক জায়গায়, যেখানে ৫০ টাকার মোটা চালের ভাত খেলেও সেটাকে মেনে নিতে হয় নিয়তি, অসাধু ব্যবসায়ীদের শায়েস্তা করা দূরে, তাদের শাপশাপান্ত করে না কেউ। তাদের কেউ বলেও না- ওই চালের বস্তা আমার, কেন সেটা তোর গুদামে? একটা সময় ছিল, যখন শুধু প্রকৃতির খেয়ালখুশির বিপর্যয়কেই নিয়তি মেনে নিত বাঙালি, এখনকার বাংলাদেশে রাজনীতিসৃষ্ট দুঃখ-বেদনা-কষ্টও নিয়তি; অতঃপর নিয়তিকে খণ্ডানো যায় না বলেই ভাগ্য গড়তে জাগে না স্পৃহা। এই যে, মানুষকে রাজপথের ঠিকানা ভুলিয়ে দিলেন, আপনাদের প্রয়োজনে যখন দরকার হবে জনতার শক্তি, কার কাছে ধার চাইবেন?

আগেই বলেছি, পরিবার ও আত্মপ্রেম অটুট রয়েছে মানুষের। শুধু অটুট নয়, দেশ ও সমাজের প্রতি প্রেম ছাড়িয়ে নিয়ে সেটা পরিবারে যোগ করেছে বলে পরিবারপ্রেম আরও জোরদার হয়েছে। আর এতে রাষ্ট্র মনে মনে বলছে- আমাকে ভালোবাসুক আর না-ই বাসুক; চিন্তা নেই। ব্যক্তি ও পরিবারের উন্নয়ন ঘটাতে খেটে মরছে মানুষ, সেগুলোর ফল তো আমার থলেতেও জমা পড়ছে। স্ফীত হচ্ছে আমার কোষাগার! ভালোবাসা দিয়ে আমি কী করব? আমার চাই অর্থ। কিন্তু রাষ্ট্র বুঝতে পারছে না উন্নতিটা হচ্ছে শুধু অর্থনীতিরই, বাকি সবই তো যাচ্ছে গোল্লায়। আবার অর্থনীতির উন্নতিটাই কি ঠিকমতো হচ্ছে? বাজারের মোটা চাল ও সরু চালই কি প্রমাণ করছে না মানুষের আর্থিক চিত্রটাও মোটা আর সরুতে বিভক্ত হয়ে আছে? সরু অর্থনীতির মানুষ খাচ্ছে মোটা চাল আর মোটা অর্থনীতি খাচ্ছে সরু চাল। সবচেয়ে বড় ট্রাজেডি, মোটা অর্থনীতির লোকেরা সরু অর্থনীতিটার পরিমাণটা বুঝতে পারে; কিন্তু মোটা অর্থনীতি ক্ষেত্রবিশেষে এত মোটা যে, সরু অর্থনীতির মানুষেরা তা কল্পনাও করতে পারবে না।

হ্যাঁ, রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতি নিস্পৃহ মানুষের অর্থনীতিটাই শুধু সচল রয়েছে। সেটা তার অর্ধেক জীবন, বাকি অর্ধেক- তার পরার্থবোধ, সৌন্দর্যচেতনা, সহমর্মিতা, মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা, রাষ্ট্রের বাগান সাজানোর মনোবৃত্তি- লুপ্তপ্রায়। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতার একটা প্রবল আকাক্সক্ষার জন্ম হয়েছিল বাঙালির মানসে। তিনি আমাদের প্রত্যেককে একটি করে পরিপূর্ণ জীবনের অধিকারী করে তুলেছিলেন। আমরা হয়ে উঠেছিলাম একেকজন জীবন্ত, প্রাণোচ্ছ্বল মানুষ। জীবনীশক্তিতে যে ভরপুর, সে পারে না আবার কী! হয়ে গেলাম স্বাধীন। তবে কি এই স্বাধীনতাই কাল হল, কবি যেমনটা বলেছেন- বেশি স্বাধীনতা পেয়ে গেলে আমি পরাধীন হতে ভালোবাসি! স্বাধীনতার আকাক্সক্ষাকে রাষ্ট্র পুনর্গঠনের আকাক্সক্ষায় রূপান্তর ঘটাতে পারলাম না। রুশ বিপ্লবের পর লেনিন বলেছিলেন- বিপ্লব ঘটানো যদি কঠিন হয়ে থাকে, সমাজতান্ত্রিক বিনির্মাণের এখনকার কাজটি তাহলে কঠিনতর। বলতে কোনো দ্বিধা নেই- ’৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের সেই তুমুল হর্ষধ্বনিতে মুখরিত যখন চারদিক, কিশোরেরা দলবেঁধে আনন্দোল্লাসে ঝাঁপ দিচ্ছিল পুকুরে, যুবক তার বন্দুকের অবশিষ্ট গুলিগুলো উল্লাস প্রকাশে ছুড়ে মারছিল আকাশের পানে, গৃহবধূরা রান্না ফেলে করছিল একে অপরের আহ্লাদের চুল টানাটানি, বৃদ্ধ ও বৃদ্ধা তাদের ছোট্ট নাতিকে বল বানিয়ে খেলছিল ক্যাচ লোফালুফি- তখন তাদের কারও কানে কানে এই কথাটি কেউ বলেনি যে, এই মহা আনন্দযজ্ঞ যেন কখনও হরিষে-বিষাদ না হয়। আরও বলতে হতো- আনন্দের শেষ বলে কিছু নেই- জমির দলিল হাতে পাওয়ার আনন্দটুকুই শেষ নয়, এর চেয়ে বড় আনন্দ সেখানে একটি ঘর করা, তারও বেশি আনন্দ সেই ঘরের মনের মতো ইন্টেরিওর ডেকোরেশন। এসব কথা বলা হয়নি বলেই এমনকি বঙ্গবন্ধুর আহ্বানেও জমা পড়েনি সব অস্ত্র। যুদ্ধ-শেখা জাতি সহজে হাত থেকে ফেলতে চায় না অস্ত্র, যুদ্ধশেষে নেতৃত্বের গুণে সেটাকে ফেলাতে হয়। তা পারিনি বলে অনেকেরই নিত্যসঙ্গী হয়ে রইল অস্ত্র। অস্ত্রের কোনো শ্রেণীচরিত্র নেই, সে পাকিস্তানি অথবা বাঙালি- কারোরই শ্রেণীভুক্ত নয়। সে চেনে না শত্রু অথবা মিত্রকে, মানুষই শত্রু চিনিয়ে তাকে গুলির নির্দেশ দেয়। অতঃপর পাকিস্তানিদের অবর্তমানে বাঙালিই হয়ে পড়ল বাঙালির শত্রু! রাজনীতিসহ সর্বস্তরেই সেই শত্রুতার জের টানতে টানতে বাংলাদেশে স্থায়ী রূপ পেয়ে গেল শত্রু-শত্রু খেলা। দেশে এখন কেউ কারও মিত্র নয়, একই দল করছে যারা, তারাও একে অপরের শত্রু। মিত্রতা যা দেখছি, তা সাময়িক এবং নিরেট ব্যক্তি-স্বার্থভিত্তিক; বৃহত্তর রাষ্ট্রীয় স্বার্থ অথবা অন্য কোনো মহৎ উদ্দেশ্যের খাতিরে স্থায়ী মিত্র বলে কিছু নেই বাংলাদেশে। তথ্যমন্ত্রী কি আওয়ামী লীগের মিত্র? অথবা তিনি চাইলেই কি তা হতে পারবেন? পারবেন না। কারণ একটি মন্ত্রিত্ব দখল করে আছেন বলে আওয়ামী লীগের যিনি বা যারা নিজেকে বঞ্চিত ভাবছেন, তারা কখনই তাকে মিত্র জ্ঞান করবেন না। মিথ্যা যে বলিনি, দলটির অনেক নেতার প্রকাশভঙ্গিতেই তা স্পষ্ট। প্রধানমন্ত্রী এককভাবেই টিকিয়ে রেখেছেন ইনু ভাইয়ের মন্ত্রিত্ব।

হ্যাঁ, বাংলাদেশ একটি রাষ্ট্র বটে, তবে এটা এক দ্বীপরাষ্ট্র। একেকজন ব্যক্তি অথবা একেকটি পরিবার যে স্বয়ংসম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন দ্বীপ তৈরি করে রেখেছে, সেগুলোরই সমাহার এই বাংলাদেশ। চারদিকেই পানি, একটি দ্বীপের সঙ্গে আরেকটির কোনো যোগাযোগ নেই, যোগাযোগ যা তা কেবল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের, আত্মার যোগ বলে কিছু নেই। ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের আড্ডায় তাদের মনখোলা কথাগুলো শুনলে অথবা যুগলবন্দি প্রেমিক-প্রেমিকাকে দেখলে অবশ্য ভাবান্তর হয় যে, পারস্পরিক হৃদ্যতার সম্পর্ক বলেও কিছু একটা আছে বুঝি। পরক্ষণেই প্রশ্ন জাগে, এই প্রাণজুড়ানো সম্পর্ক কতটা অন্তরাত্মার ডাক, আর কতটা কৃত্রিম!

আকাঙ্ক্ষা ও নিস্পৃহতার মধ্যকার সম্পর্কটি সমানুপাতিক। আকাঙ্ক্ষা যত কমে, নিস্পৃহতা ততোটাই জেঁকে ধরে; উল্টোভাবে আকাঙ্ক্ষা বাড়লে স্পৃহাও জাগে; তখন কর্মের পরিধি বাড়ে, মানুষকে ভালোবাসতে ইচ্ছা করে, রাষ্ট্রকে মনে হয় অতি আপন কেউ। এই রাষ্ট্র তার নাগরিকদের একেকটি নিস্পৃহ জীবে পরিণত করার এক মেগাপ্রকল্প হাতে নিয়েছে। ঠেকাতে হবে এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন। স্পোর্টসম্যানের স্পিরিটে সবার মননে জন্ম দিতে হবে আকাঙ্ক্ষার। রাষ্ট্রকে ওয়াক-ওভার দেয়া যাবে না কিছুতেই। আমরা যখন বলছি, আকাঙ্ক্ষা মানে অর্ধেক জীবন, তখন সেটা অর্ধেক জীবনযুদ্ধও। এই যুদ্ধে জয়ী হতে হবে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে। তার কী এমন সাধ্য, আমি না চাইলে আমাকে নিস্পৃহ বানিয়ে অর্ধেক মৃত্যু ঘটায়!

মাহবুব কামাল : সাংবাদিক

[email protected]



 


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত