jugantor
কিশোরগঞ্জে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন তিন রাষ্ট্রপতির ছেলে

  শেরপুর প্রতিনিধি  

০২ ডিসেম্বর ২০১৩, ০০:০০:০০  | 

কিশোরগঞ্জ ব্যুরো ও বাজিতপুর প্রতিনিধি

২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জের ৬টি আসনের মধ্যে সবকটিতেই আওয়ামী লীগ তথা মহাজোট প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। দশম সংসদ নির্বাচনে জেলার ২টি আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বদল করে নতুন দুই জনকে মনোনয়ন দিয়েছে। যে ৪টি আসনে আগের প্রার্থীদের বহাল রাখা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন বর্তমান রাষ্ট্রপতি এবং সাবেক আরও দুই জন রাষ্ট্রপতির ছেলে। কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনে এবারও দলের মনোনয়ন পেয়েছেন মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের বড় ছেলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। বর্তমান রাষ্ট্রপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবদুল হামিদের বড় ছেলে রেদোয়ান আহমেদ তৌফিককে কিশোরগঞ্জ ৪ (ইটনা-অষ্টগ্রাম-মিটামইন) এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমানের একমাত্র ছেলে নাজমুল হাসান পাপনকে কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। তৌফিকের বাবা আবদুল হামিদ রাষ্ট্রপতি হওয়ায় এবং পাপনের বাবা জিল্লুর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন মৃত্যুবরণ করায় আসন দুটি শূন্য হয়ে যার ওই আসনে চলতি বছরই তারা প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের ঘোর দুর্দিনে শক্ত হাতে দলের হাল ধরেছিলেন কিশোরগঞ্জের আলোচিত তিন নেতা। শেখ হাসিনা এবং আবদুল জলিলকে আটক করা হলে দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের গুরু দায়িত্ব অর্পিত হয় মোঃ জিল্লুর রহমান ও সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের কাঁধে। সাবেক স্পিকার হিসেবে অ্যাডভোকেট আবদুল হামিদও এ সময় দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এ সময় আওয়ামী লীগের কাণ্ডারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় কিশোরগঞ্জ জেলা। বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হলে তার অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে গোটা মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেন কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল ইসলাম। আর এভাবেই সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেও দলের কাণ্ডারী হিসেবে কিশোরগঞ্জ দেশের সর্বত্র আলোচিত হয় এবং সবার নজরে আসে। এছাড়া আওয়ামী লীগ কিশোরগঞ্জে-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনটিতেও বর্তমান সংসদ সদস্য মোঃ আফজাল হোসেনকে নতুন করে মনোনয়ন দিয়েছে। অন্যদিকে কিশোগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনে ২০০১ ও ২০০৮ সালে নির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. এমএ মান্নানের স্থলে এবার মনোনয়ন দেয়া হয়েছে জাতীয় পার্টি থেকে আগত পাকুন্দিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সোহরাব উদ্দিন আহমেদকে। তিনি ১৯৯১ও ১৯৯৬ সালে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। একইভাবে কিশোরগঞ্জ-৪ (করিমগঞ্জ-তারাইল) আসনেও আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দেয় দলে নবাগত কাস্টমস বিভাগের সাবেক মূল্য নির্ধারক নাসিরুল ইসলাম আওলাদকে। এ আসনে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের ড. মিজনুল হক, ২০০১ সালে বিএনপির ড. এম ওসমান ফারুক এবং ২০০৮ সালে মহাজোট প্রার্থী বর্তমান প্রতিমন্ত্রী মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।








 

সাবমিট

কিশোরগঞ্জে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন তিন রাষ্ট্রপতির ছেলে

 শেরপুর প্রতিনিধি 
০২ ডিসেম্বর ২০১৩, ১২:০০ এএম  | 

কিশোরগঞ্জ ব্যুরো ও বাজিতপুর প্রতিনিধি

২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জের ৬টি আসনের মধ্যে সবকটিতেই আওয়ামী লীগ তথা মহাজোট প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। দশম সংসদ নির্বাচনে জেলার ২টি আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বদল করে নতুন দুই জনকে মনোনয়ন দিয়েছে। যে ৪টি আসনে আগের প্রার্থীদের বহাল রাখা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন বর্তমান রাষ্ট্রপতি এবং সাবেক আরও দুই জন রাষ্ট্রপতির ছেলে। কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনে এবারও দলের মনোনয়ন পেয়েছেন মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের বড় ছেলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। বর্তমান রাষ্ট্রপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবদুল হামিদের বড় ছেলে রেদোয়ান আহমেদ তৌফিককে কিশোরগঞ্জ ৪ (ইটনা-অষ্টগ্রাম-মিটামইন) এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমানের একমাত্র ছেলে নাজমুল হাসান পাপনকে কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। তৌফিকের বাবা আবদুল হামিদ রাষ্ট্রপতি হওয়ায় এবং পাপনের বাবা জিল্লুর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন মৃত্যুবরণ করায় আসন দুটি শূন্য হয়ে যার ওই আসনে চলতি বছরই তারা প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের ঘোর দুর্দিনে শক্ত হাতে দলের হাল ধরেছিলেন কিশোরগঞ্জের আলোচিত তিন নেতা। শেখ হাসিনা এবং আবদুল জলিলকে আটক করা হলে দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের গুরু দায়িত্ব অর্পিত হয় মোঃ জিল্লুর রহমান ও সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের কাঁধে। সাবেক স্পিকার হিসেবে অ্যাডভোকেট আবদুল হামিদও এ সময় দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এ সময় আওয়ামী লীগের কাণ্ডারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় কিশোরগঞ্জ জেলা। বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হলে তার অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে গোটা মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেন কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল ইসলাম। আর এভাবেই সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেও দলের কাণ্ডারী হিসেবে কিশোরগঞ্জ দেশের সর্বত্র আলোচিত হয় এবং সবার নজরে আসে। এছাড়া আওয়ামী লীগ কিশোরগঞ্জে-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনটিতেও বর্তমান সংসদ সদস্য মোঃ আফজাল হোসেনকে নতুন করে মনোনয়ন দিয়েছে। অন্যদিকে কিশোগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনে ২০০১ ও ২০০৮ সালে নির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. এমএ মান্নানের স্থলে এবার মনোনয়ন দেয়া হয়েছে জাতীয় পার্টি থেকে আগত পাকুন্দিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সোহরাব উদ্দিন আহমেদকে। তিনি ১৯৯১ও ১৯৯৬ সালে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। একইভাবে কিশোরগঞ্জ-৪ (করিমগঞ্জ-তারাইল) আসনেও আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দেয় দলে নবাগত কাস্টমস বিভাগের সাবেক মূল্য নির্ধারক নাসিরুল ইসলাম আওলাদকে। এ আসনে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের ড. মিজনুল হক, ২০০১ সালে বিএনপির ড. এম ওসমান ফারুক এবং ২০০৮ সালে মহাজোট প্রার্থী বর্তমান প্রতিমন্ত্রী মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।








 

 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র