¦

এইমাত্র পাওয়া

  • দুর্নীতির মামলায় ইউসুফ আলী মৃধাকে বাদ দিয়ে দুদকের চার্জশিট দাখিল
মৌলভীবাজারে ইকোপার্ক উন্নয়নের নামে অর্থ অপচয়ের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশ : ২৯ জুন ২০১৪

ইকোপার্কগুলোর মৌলভীবাজারের উন্নয়নের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থের নয় ছয় করা হচ্ছে বলে এতে অভিযোগ রয়েছে। ইকোপার্কগুলোতে পর্যটকদের নিরাপত্তা ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা না থাকায় ভ্রমণপিপাসুরা মুখে ফিরিয়ে নিচ্ছেন। সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব। প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট মাধবকুণ্ড জলপ্রপ্রাত ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। জেলার বড়লেখা উপজেলার ৮নং দক্ষিণভাগ ইউনিয়নের গৌরনগর মৌজায় মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতের অবস্থান। সিলেট বন বিভাগের জুড়ি দুই রেঞ্জের মাধবছড়া বিট এলাকায় গঙ্গাসাড়া নামক পাহাড়ি ছড়ায় প্রায় ২শ ফুট ওপর থেকে যুগ যুগ ধরে গড়িয়ে পড়ছে পানি। এই মনোমুগ্ধ কর দৃশ্য দেখতে প্রতিদিন এখানে বসে নারী-পুরুষ ও শিশু পর্যটকদের মিলনমেলা। শীতে অথবা গ্রীষ্মের কনকনে বাতাসে ঘুরে বেড়াতে পর্যটকদের ভালো লাগে। মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত শুধু পর্যটকদের আকর্ষণীয় স্থান তা নয়, অমুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে তীর্থস্থান হিসেবেও পরিচিত। সেখানে অবস্থিত মাধবেশ্বর মন্দির ও শিবমন্দিরকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর চৈত্রের মধুকৃঞ্চা ত্রয়োদশীতে স্নানে আসনে শত শত পুণ্যার্থী। বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান শফিক আলম মেহেদী ১ জুন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় মৌলভীবাজারকে পর্যটন মডেল জেলা ঘোষণা করেন। ২০০১ সালের ১৫ এপ্রিল সিলেট বন বিভাগের আয়োজনে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত ও কুলাউড়া উপজেলার মুড়াইছাড়া জলপ্রপাত এলাকার গভীর বনাঞ্চল নিয়ে গঠিত ইকোপার্কের উদ্বোধন করা হয়। কিন্তু মাধবকুণ্ড ও মুড়াইছড়া এই দুটি জলপ্রপাত নিয়ে ইকোপার্ক প্রকল্প চালু হলেও উন্নয়ন কাজে বরাদ্দকৃত অর্থের অধিকাংশই মাধবকুণ্ডের আশপাশে ব্যয় করা হয়েছে। জলপ্রপাতে সংরক্ষণ এবং আশপাশের গহীন পাহাড়ি এলাকার উন্নয়ন, মূল্যবান উদ্ভিদ-বন্য প্রাণী ও জীব-বৈচিত্র রক্ষার জন্য বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০০০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সিলেট বন বিভাগের আওতাধীন ওই পাহাড়ি এলাকায় সংরক্ষিত ও একোয়ার্ড বনাঞ্চলে ইকোপার্ক স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। ২০০১ সালের ১১ জুলাই ঢাকায় জাতীয় অর্থনৈতিক নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই প্রকল্প অনুমোদিত হয়। সিলেট বিভাগীয় বন অফিস থেকে পাথারিয়া হিল রিজার্ভ ফরেস্টের ৬৫৪ দশমিক ৪২ একর জমির ওপর ইকোপার্ক ও দেয়াল নির্মাণের নির্দেশ দেয়া হয়। ওই টাকা দিয়ে প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করে সৌন্দর্য বর্ধনের মধ্যে সেড, পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, সমতল থেকে প্রায় ৪শ ফুট উঁচু পাহাড়ের চূড়া পর্যন্ত সিঁড়ি স্থাপনসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড আংশিক শেষ হয়।
বাংলার মুখ পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close