¦
বাহুবলে কথিত অপহৃত মাদ্রাসাছাত্র শ্রীঘরে

বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি | প্রকাশ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

হবিগঞ্জের বাহুবলে কথিত অপহৃত মাদরাসাছাত্রকে আটক করে জনতা শ্রীঘরে পাঠিয়েছে। সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা শেখ ফিরোজ মিয়াকে অপহরণ মামলায় ফাঁসাতে গিয়ে সে গত ৬ মাস আত্মগোপনে ছিল। রোববার সকালে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে বাহুবল মডেল থানা পুলিশে সোপর্দ করে। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্র জানায়, বাহুবল উপজেলার ভাদেশ্বর ইউনিয়নের পূর্ব জয়পুর গ্রামের ফজলু মিয়ার পুত্র ক্বারী আবু তালেব ওরপে সোহেল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার একটি মাদরাসায় পড়ালেখা করে। বিগত ঈদুল ফিতরের সময় সে ছুটিতে বাড়ি আসে। এ সময় তারই চাচাত বোন দিলারা খাতুন ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা শেখ ফিরোজ মিয়ার পুত্র ফয়সলের মাঝে বিরোধের জের ধরে গত বছর ৭ আগস্ট বিকালে উভয়পক্ষে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়ে বাহুবল হাসপাতালে ভর্তি হয় ক্বারী আবু তালেব ওরফে সোহেল। পরদিন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে ক্বারী আবু তালেব ওরফে সোহেল আত্মগোপন করে। এ ঘটনায় ১১ আগস্ট তার পিতা ফজলু মিয়া বাদী হয়ে হবিগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (কগ-৯) আদালতে অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা শেখ ফিরোজ মিয়াসহ ৫ জনকে আসামি করা হয়। মামলাটি বাহুবল মডেল থানায় তদন্তাধীন থাকাবস্থায় রোববার পার্শ্ববর্তী চুনারুঘাট উপজেলার টিলাগাঁও গ্রামের মকছুদ আলী মেম্বারসহ স্থানীয় জনতা কথিত অপহৃত ক্বারী আবু তালেক ওরফে সোহেলকে আটক করে। এ সময় সোহেল স্বীকার করে তার পরিবারের পরামর্শে সে আত্মগোপনে ছিল।
বাংলার মুখ পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close