¦
উল্লাপাড়ায় আনন্দ স্কুলের শিক্ষার্থীদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

সিরাজগঞ্জ/উল্লাপাড়া প্রতিনিধি | প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আনন্দ স্কুলের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও পোশাক খাতে বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি উপজেলার পূর্ণিমাগাঁতী ও কয়ড়া ইউনিয়নের ১১টি আনন্দ স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে উপবৃত্তির টাকা বিতরণকালে বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ ওঠে।
লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ফেব্রুয়ারি মাসে উপজেলার কয়ড়া বাজারের ফারুক হোসেনের বাড়িতে পূর্ণিমাগাঁতী ও কয়ড়া ইউনিয়নের ১১টি আনন্দ স্কুলের ১৩৯ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে উপবৃত্তির ১ হাজার ৬শ টাকা করে প্রত্যেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছিল। ৪০ জন শিক্ষার্থীর হাতে টাকা তুলে দেয়ার পর সংশ্লিষ্ট স্কুলের শিক্ষকরা ওই শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জোড়পূর্বক ১ হাজার টাকা করে আদায় করে নেন। এভাবে টাকা নেয়ায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষকদের বাগবিতণ্ডা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ শামীম আলমের কাছে টেলিফোনে অভিযোগ করলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে টাকা বিতরণ বন্ধ করে দেন। পরে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলার ১৩৮টি আনন্দ স্কুলের ১৩৮ জন শিক্ষককে উপজেলা হলরুমে উপস্থিত করে তাদের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে চাইলে শিক্ষকরা একযোগে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ডিআর বাবদ ১০৫ টাকা, কম্পিউটার কম্পোজ বাবদ ১৮০ টাকা এবং অফিস খরচ বাবদ ৩৫ টাকা কর্তন করে নেয়া এবং পোশাক তৈরির টাকাসহ বিভিন্ন খাতে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ধরেন। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসন থেকে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদকে প্রধান করে ৩ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি আগামী ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ শামীম আলমের কাছে দাখিল করবে। এ বিষয়ে কয়ড়া ইউনিয়নের নগরকয়ড়া গ্রামের আবদুল হামিদের বাড়িতে অবস্থিত আনন্দ স্কুলের শিক্ষিকা শামছুন নাহার বলেন, আনন্দ স্কুলের সব শিক্ষকের সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেয়া হচ্ছিল। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মডেল টেস্টসহ বছরে ৬টি পরীক্ষা বাবদ তাদের পরীক্ষা কেন্দ্রে আনা-নেয়া ও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার নিবন্ধনের জন্য অনেক টাকা ব্যয় হয়। এই খরচ পোষাতেই উপবৃত্তি থেকে ১ হাজার করে টাকা নেয়া হচ্ছিল। আত্মসাতের অভিযোগ সঠিক নয়।
বাংলার মুখ পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close