¦
বেতাগী পিআইওর বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জাল করে বিল উত্তোলনের অভিযোগ

বরগুনা (দক্ষিণ) প্রতিনিধি | প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

বরগুনার বেতাগী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) বিরুদ্ধে ২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। বরগুনার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স এলএফ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ফরহাদ জোমাদ্দারের স্বাক্ষর জাল করে পিআইও শামীমা আক্তার কাজের সমুদয় টাকা আত্মসাৎ করেছেন। পিআইওর কাছে সাত দিনের মধ্যে জবাব চেয়ে এ ব্যাপারে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছেন ওই ঠিকাদার। ঠিকাদারের অভিযোগ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০১২-১৩ অর্থবছরে বেতাগী উপজেলায় ছোট সেতু/কালভার্ট নির্মাণ (৩য় পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় হোসনাবাদ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের চৌকিদার বাড়ির পাশের খালের ওপর ৩৬ ফুট দীর্ঘ সেতু নির্মাণ কাজ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এলএফ এন্টারপ্রাইজ। ওই কাজের মোট প্রাক্কলন ব্যয় ধরা হয় ২৫ লাখ ২১ হাজার টাকা। কার্যাদেশ পাওয়ার নির্দিষ্ট সময় ৬০ দিনের মধ্যে কাজটি সম্পন্ন করা হয়। কাজ শেষে বিল চাইলে পিআইও বরাদ্দ নেই এমন সব অজুুহাতে বিল দিতে গড়িমসি করেন। ঠিকাদার ফরহাদ জোমাদ্দার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসা নিতে দীর্ঘদিন দেশের বাইরে অবস্থান করেন। দেশে ফিরে আবারও বিল উত্তোলন করার জন্য পিআইও শামীমা আক্তারের স্মরণাপন্ন হলে তিনি জানান, তার কাজের সব টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। পরে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে দেখা যায় স্বাক্ষর জালিয়াতি করে কাজের সমুদয় বিল ও জামানতের টাকা উত্তোলন করে নিয়েছে। ঠিকাদার বলেন, আমার সব কাগজপত্র প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কাছে, কাজেই তিনি আমার স্বাক্ষর জাল করে সব টাকা তুলে নিয়েছেন। এমনকি জামানতের ২ লাখ ৫২ হাজার ১৪১ টাকাও তিনি তুলে নিয়েছেন। বুধবার দুপুরে বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয়ে ইউএনও আবদুল্লাহ আল-বাকির সামনে পিআইও শামীমা আক্তার ঠিকাদারের নমুনা স্বাক্ষর নথিপত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেখেন। এ সময় বিল রেজিস্ট্রার, নোটশিট এমবি বই, বিল আবেদন ও জামানত উত্তোলনের আবেদনে দেয়া স্বাক্ষরে গড়মিল দেখা যায়। এসব স্বাক্ষরে একটির সঙ্গে অপরটির মিল পাওয়া যায়নি। এ সময় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শামীমা আক্তার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিলের টাকা উত্তোলনের ব্যাপারে ঠিকাদারের অভিযোগ অযৌক্তিক। একজন সরকারি কর্মকর্তার পক্ষে স্বাক্ষর জাল করে এতগুলো টাকা আÍসাতের বিষয়টি বিশ্বাসের অযোগ্য। মূলত এসব টাকা ঠিকাদার তার প্রতিনিধির মাধ্যমে উত্তোলন করে নিয়েছেন। নিয়মানুসারে ঠিকাদারের উপস্থিতিতে স্বাক্ষর যাচাই-বাছাইয়ের পর বিল পরিশোধ করার কথা থাকলেও ঠিকাদারের প্রতিনিধির কাছে কেন বিল পরিশোধ করা হয়েছে এমন প্রশ্নের তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
বাংলার মুখ পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close