¦
মৌলভীবাজার শহর প্রতিরক্ষা বাঁধে মাদক ব্যবসা

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি | প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

মৌলভীবাজার শহরের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সেসংলগ্ন মনু নদের শহর প্রতিরক্ষা বাঁধে অবৈধ স্থাপনায় শূকরের খামার গড়ে তোলার পাশাপাশি মাদকের জমজমাট ব্যবসার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাদক ব্যবসা ও শূকর পালনের ফলে একদিকে দুর্গন্ধে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সসহ আশপাশের আবাসিক এলাকার পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। অন্যদিকে মাদকের প্রভাবে এলাকার সামাজিক পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।
জানা যায়, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে শূকরের খামার এবং মাদক ব্যবসা উচ্ছেদের দাবিতে ৮ জানুয়ারি পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী ও মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়রের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে বলা হয়, মনু সেতুর কাছে পাউবোর মনু নদের শহর প্রতিরক্ষা বাঁধের ওপর গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনায় গত পাঁচ-ছয় মাস ধরে শূকরের খামার করা হয়েছে। এসব খামারে অর্ধশতাধিক শূকর লালন-পালন করা হচ্ছে। শূকরের খামারের দুর্গন্ধ মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স এবং সংলগ্ন আবাসিক এলাকার পরিবেশ দূষণ করছে। এছাড়াও অনেক সময় খামারের শূকরগুলো অবাধে ছেড়ে দেয়ার ফলে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে আসা লোকজন, আবাসিক এলাকার বাসিন্দা ও পথচারীরা চরম বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন।
অন্যদিকে মনু সেতু সংলগ্ন স্থানটিতে অবৈধভাবে বসবাসকারী পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের অনেকে মদ-গাঁজা, ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক ব্যবসা করছেন। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের জেলা ইউনিট কমান্ডার মো. জামাল উদ্দিন জানান, জেলার অবহেলিত ও অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যের জন্য মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সটি করা হয়েছে। কিন্তু অবৈধ শূকরের খামার ও মাদক ব্যবসার জন্য কমপ্লেক্সের দোকান ও অফিস কেউ ভাড়া নিতে চান না। তাই নিজেদের পকেট থেকে কমপ্লেক্সের যাবতীয় ব্যয়ভার বহন করতে হচ্ছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, মৌলভীবাজারের মাতারকাপনে পৌরসভার উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বসবাসের জন্য সেবক নিবাস রয়েছে। কিন্তু মনু সেতুর কাছের এ স্থানটিতে অবৈধভাবে বসবাসকারী পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা ওই নিবাসে যেতে চান না। কেননা, সেবক নিবাসে মাদক ব্যবসার কোনো সুযোগ নেই। তাই তারা এ স্থানটি ছাড়তে চাইছেন না। এসব অভিযোগের বিষয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মী লছমন ভাসপর জানান, যেসব শূকর আছে সেগুলো বিক্রি করে দেয়া হবে। এক সময় এখানে মাদক ব্যবসা হতো। তবে এখন মাদক ব্যবসা হয় না। পাউবোর কর্মকর্তা মো. বশির উদ্দিন জানান, ভূমি চিহ্নিত করে অবৈধ বসবাসকারীদের নোটিশ দেয়া হবে। জমি না ছাড়লে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বাংলার মুখ পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close