¦
মির্জাপুরে ভূমি ফাটল পরিদর্শনে বাপেক্স প্রতিনিধি দল

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি | প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল ২০১৫

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ১৩নং আজগানা ইউনিয়নের তেলিনা গ্রামে প্রায় ৮০০ গজ এলাকাজুড়ে হঠাৎ ফাটল দেখা দেয়ায় পুরো এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। ২ এপ্রিল বিকালে কাল বৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টি শুরু হলে ওই গ্রামের খোরশেদ আলমের বাড়ির উঠানে এ ফাটল দেখা দেয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে। এর পর থেকেই এলাকায় আতংক বিরাজ করছে। মঙ্গলবার মির্জাপুর উপজেলা সদর থেকে ২০ কিলোমিটার পূর্ব দিকে পাহাড়ি এলাকা হিসেবে পরিচিত তেলিনা গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে উৎসুক জনতা ফাটল দেখার জন্য ভিড় জমিয়েছে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও বাড়ির মালিক খোরশেদ সিকদার (৫৬), প্রতিবেশী হাসিম সিকদার (৩৫) ও লুৎফর রহমান (৪৫) জানান, ২ এপ্রিল বিকালে ঝড়-বৃষ্টির সময় হঠাৎ বিকট শব্দ শুনে তারা বাড়ির বাইরে বের হন। বাইরে এসে দেখতে পান কাঠ বাগানের ভেতরে ৪০-৫০ গজ ফাটল। ফাটলের ব্যাস ৩-৪ ফুট এবং ৩৫-৪০ ফুট গর্ত হয়ে গেছে। আস্তে আস্তে এ ফাটল বেড়ে ৭-৮শ গজ ছাড়িয়ে যায়। এ ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পরলে আতংক দেখা দেয়। কয়েকদিন ধরে আশপাশের লোকজন ফাটল দেখার জন্য ভিড় করেছে। খবর পেয়ে মঙ্গলবার বাপেক্সের ভূতত্ত্ব বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার আলমগীর হোসেন, উপ-ব্যবস্থাপক মৌসুমী আক্তার এবং মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুম আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ব্যাপারে বাপেক্সের জেনারেল ম্যানেজার আলমগীর হোসেন বলেন, এলাকাটি পাহাড়ি পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় এবং খরার কারণে মাটিতে ফাটল দেখা দিয়েছে। এতে আতংকিত হওয়ার কিছু নেই বলে তিনি এলাকবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন।
বাংলার মুখ পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close