¦
শরীয়তপুরে ছাত্রলীগের দুগ্রুপে সংঘর্ষে আহত ১০

শরীয়তপুর প্রতিনিধি | প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল ২০১৫

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শরীয়তপুর জেলা ছাত্রলীগের এক গ্রুপের হামলায় অপর গ্রুপের জেলা ছাত্র লীগের সাবেক সহ-সভাপতিসহ ১০ জন আহত হয়েছে।
জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদেও ভাইস চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন হাওলাদারের সমর্থক আলামিন জেলা শহরের শিল্পকলা এলাকায় সাবেক সহ-সভাপতি তাজুল ইসলাম সরকারের সমর্থক রকি ছৈয়ালকে মারধর করে। এ ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে তাজুল সরকারের লোকজন বিষয়টি আলামিনের কাছে জিজ্ঞাসা করতে গেলে শরীয়তপুর সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের সমর্থকরা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাজুল সরকারের সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা কুপিয়ে, পিটিয়ে ও ককটেল নিক্ষেপ করে ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভপতি তাজুল ইসলাম সরকার, তার ভাই বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম নয়ন সরকার, শওকত ছৈয়াল, মনির হোসেন বেপারী ও জেসমিন আক্তারকে মারাত্মক আহত করে। হামলাকারীরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পুরো এলাকায় আতংক সৃষ্টি করে। আহতদের মধ্যে ছাত্রলীগ নেতা তাজুল ইসলামের অবস্থা অবনতি হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। পরে পুলিশ সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন হাওলাদারের মালিকানাধীন হাওলাদার ক্লিনিকে অভিযান চালিয়ে ৭টি ককটেলসহ বিভিন্ন অস্ত্র উদ্ধার করেছে। এ সময় মাসুদ শেখ নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশ।তবে হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন হাওলাদার বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে আমি উপজেলা অফিসে ছিলাম। হঠাৎ বোমার শব্দ শুনি। পরে জানতে পারি তাজুল সরকার, নয়ন সরকার গংরা শিল্পকলা মাঠ থেকে বোমা ফাটিয়ে আমার ক্লিনিকে আসে। পরে সংঘর্ষ বাধে। এতে আমার গ্র“পের আকতার, দেলোয়ার, আলামিন, লিটনসহ ৫ জন আহত হয়। তিনি আরও বলেন, আমার ক্লিনিকে বোমা উদ্ধারের ঘটনা ষড়যন্ত্র।
বাংলার মুখ পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close