¦
পদ নেই তবুও ৫ বছর ধরে উপাধ্যক্ষ পদে বিএমএ সভাপতি

কক্সবাজার প্রতিনিধি | প্রকাশ : ০৯ মে ২০১৫

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে সরকারিভাবে মঞ্জুরকৃত উপাধ্যক্ষের কোনো পদ না থাকলেও এ ধরনের পদবি
ব্যবহার করে দীর্ঘ ৫ বছর ধরে এ পদে বহাল রয়েছেন
অরূপ দত্ত বাপ্পি নামের এক চিকিৎসক। গত দুবছর ধরে স্থানীয় সচেতন মহলে এ নিয়ে আপত্তি উঠলেও তিনি নিজেকে বিএমএর সভাপতি ও সরকারি দলের নেতা বলে দাবি করে দাপটের সঙ্গে এ পদে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি প্রভাব খাটিয়ে ডাক্তারদের বদলি বাণিজ্য থেকে শুরু করে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড করে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন ক্ষুব্ধ বিএমএর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। জানা যায়-কক্সবাজার সরকারি মেডিকেল কলেজে সরকারিভাবে মঞ্জুরিকৃত পদ রয়েছে ৮৮টি। এর মধ্যে উপাধ্যক্ষের কোনো পদ না থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে এ পদবি ব্যবহার করে যাচ্ছেন জুনিয়র কনসালটেন্ট ডাক্তার অরূপ দত্ত বাপ্পি। তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, কলেজটি স্থাপনের শুরুতে শিক্ষক শূন্যতা দূর করতে স্বাস্থ্য বিভাগ ২০০৯ সালের ১৬ জুন এক আদেশে সদর হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্টকে এ পদে সাময়িকভাবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের আদেশ জারি করেছিল। পরে সরকারিভাবে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে নির্ধারিত পদবির অর্সানোগ্রাম জারি করলে অস্থায়ী উপাধ্যক্ষের পদ বিলুপ্তি হয়ে যায়। কক্সবাজার জেলা বিএমএর সেক্রেটারি ডা. সাইফুদ্দিন ফরাজিসহ একাধিক নেতা অভিযোগ করে বলেন, কিভাবে একজন জুনিয়র কনসালটেন্ট দীর্ঘ ৫ বছর ধরে উপাধ্যক্ষের পদবি ব্যবহার করে সরকারি নিয়ম লংঘন করে আসছেন। একই স্থানে অবৈধভাবে কর্মরত থাকার সুযোগে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ডাক্তার বাপ্পি সিভিল সার্জনকে নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করে থাকেন। একই সঙ্গে তিনি নানা অন্যায় ও অনৈতিক কাজ যা ৩৩তম বিসিএসে সদ্য নিয়োগ পাওয়া নবীণ ডাক্তার সৈয়দ মারুফুর রহমানের কর্মস্থল সদরের ইসলামপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কর্মরত হলেও সাবেক সিভিল সার্জন ডাক্তার মোখলেছুর রহমানকে অবৈধভাবে চাপ প্রয়োগ করে সদর হাসপাতালে নিয়ে এসে বিভিন্ন ফায়দা হাসিল করছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এদিকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ডা. অরূপ দত্ত বাপ্পী বলেন, এটি তার বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ষড়যন্ত্র আর অপপ্রচারের অংশ। তাকে কক্সবাজার থেকে বিতাড়িত করতেই এ ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে এটি মহল।
বাংলার মুখ পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close