jugantor
ভেড়া পালন করে স্বাবলম্বী বাহুবলের অনেক বেকার

  মৌলভীবাজার প্রতিনিধি  

২০ অক্টোবর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

সিদ্দিকুর রহমান মাসুম, বাহুবল (হবিগঞ্জ) থেকে

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা জুড়েই বিস্তৃত পাহাড় ও হাওর। এখানে গরু, ছাগল, মহিষ, হাঁস, মোরগ, ভেড়া পালন অনেক মধ্যবিত্ত ও নিুবিত্ত পরিবারের আয়ের উৎস। তবে ভেড়া পালনকে অনেকেই স্বাবলম্বী হওয়ার পথ হিসেবে বেছে নিয়েছেন। তাই বাহুবলের চা-বাগান ও পাহাড়ের বিভিন্ন স্থানে এখন ভেড়া পাল দেখতে পাওয়া যায়। এখন বিস্তৃত হাওর এলাকায়ও ভেড়া পালনের আগ্রহ বেড়েছে। এতে সফলতাও আসছে। ভেড়া পালন করে হাওর এলাকায় অনেক বেকার স্বাবলম্বীও হয়েছেন। উপজেলার দ্বারাগাও গ্রামের চা-শ্রমিক বরুণ সাঁওতাল, সাধন ভৌমিক, কিরণ চাষা, চন্দন সাঁওতাল, সূর্য্য সাওতাল, ফুলমতি চাষা চা-বাগানে কাজের ফাঁকে ভেড়া পালন করেন। এতে তারা আর্র্থিকভাবেও অনেক লাভবান হচ্ছেন। তাদের সঙ্গে তালমিলিয়ে স্নানঘাট ইউনিয়নের হাওর এলাকার বক্তারপুর গ্রামের পারুল বেগম জানান, তারও রয়েছে ২৫টি ভেড়া। পারুল বেগম যে লাভের কথা শোনালেন তাও আশাবাদী হওয়ার মতো। বললেন, ‘এর আগেও আরও ২০টি ভেড়া বিক্রি করে ঘরের চালে টিন লাগিয়েছি। তাই এ রোদ-বৃষ্টির সঙ্গে যুদ্ধ করতে পারছি।’ এভাবেই ভেড়া পালন করে লাভের গল্প শোনালেন তিনি। হাওরের বিস্তৃত এলাকায় ভেড়ার বিচরণের জন্য দারুণ পরিবেশ বিদ্যমান। তাই পারুল বেগমের মতো অনেক নারী-ই হাওরে ভেড়া পালন করে স্বাবলম্বী হয়ে ওঠার পথ খুঁজে নিচ্ছেন। আর এসব আগ্রহীদের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকারের প্রাণিসম্পদ অধিদফতর। সম্প্রতি এই অধিদফতরের উদ্যোগে ‘সমাজ ভিত্তিক ও বাণিজ্যিক খামারে দেশী ভেড়ার উন্নয়ন ও সংরক্ষণ প্রকল্প (কম্পোনেট-বি)’ এর ২য় পর্যায় প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। হবিগঞ্জের সবকয়টি উপজেলার ভেড়া খামারি ও বেকার লোকদের মাঝে এ প্রশিক্ষণের তদারকি করছেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মাহবুবুল আলম। এরই ধারাবাহিকতায় বাহুবল উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের হলরুমে উদ্বোধন করা হয় ৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা। এতে অংশ নেন ২০ জন নারী-পুরুষ। কর্মশালার মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীরা জানতে পারছেন কিভাবে আধুনিক পদ্ধতিতে ভেড়া পালন, সংরক্ষণ ও উন্নয়ন ঘটানো যায়।


 

সাবমিট

ভেড়া পালন করে স্বাবলম্বী বাহুবলের অনেক বেকার

 মৌলভীবাজার প্রতিনিধি 
২০ অক্টোবর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 

সিদ্দিকুর রহমান মাসুম, বাহুবল (হবিগঞ্জ) থেকে

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা জুড়েই বিস্তৃত পাহাড় ও হাওর। এখানে গরু, ছাগল, মহিষ, হাঁস, মোরগ, ভেড়া পালন অনেক মধ্যবিত্ত ও নিুবিত্ত পরিবারের আয়ের উৎস। তবে ভেড়া পালনকে অনেকেই স্বাবলম্বী হওয়ার পথ হিসেবে বেছে নিয়েছেন। তাই বাহুবলের চা-বাগান ও পাহাড়ের বিভিন্ন স্থানে এখন ভেড়া পাল দেখতে পাওয়া যায়। এখন বিস্তৃত হাওর এলাকায়ও ভেড়া পালনের আগ্রহ বেড়েছে। এতে সফলতাও আসছে। ভেড়া পালন করে হাওর এলাকায় অনেক বেকার স্বাবলম্বীও হয়েছেন। উপজেলার দ্বারাগাও গ্রামের চা-শ্রমিক বরুণ সাঁওতাল, সাধন ভৌমিক, কিরণ চাষা, চন্দন সাঁওতাল, সূর্য্য সাওতাল, ফুলমতি চাষা চা-বাগানে কাজের ফাঁকে ভেড়া পালন করেন। এতে তারা আর্র্থিকভাবেও অনেক লাভবান হচ্ছেন। তাদের সঙ্গে তালমিলিয়ে স্নানঘাট ইউনিয়নের হাওর এলাকার বক্তারপুর গ্রামের পারুল বেগম জানান, তারও রয়েছে ২৫টি ভেড়া। পারুল বেগম যে লাভের কথা শোনালেন তাও আশাবাদী হওয়ার মতো। বললেন, ‘এর আগেও আরও ২০টি ভেড়া বিক্রি করে ঘরের চালে টিন লাগিয়েছি। তাই এ রোদ-বৃষ্টির সঙ্গে যুদ্ধ করতে পারছি।’ এভাবেই ভেড়া পালন করে লাভের গল্প শোনালেন তিনি। হাওরের বিস্তৃত এলাকায় ভেড়ার বিচরণের জন্য দারুণ পরিবেশ বিদ্যমান। তাই পারুল বেগমের মতো অনেক নারী-ই হাওরে ভেড়া পালন করে স্বাবলম্বী হয়ে ওঠার পথ খুঁজে নিচ্ছেন। আর এসব আগ্রহীদের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকারের প্রাণিসম্পদ অধিদফতর। সম্প্রতি এই অধিদফতরের উদ্যোগে ‘সমাজ ভিত্তিক ও বাণিজ্যিক খামারে দেশী ভেড়ার উন্নয়ন ও সংরক্ষণ প্রকল্প (কম্পোনেট-বি)’ এর ২য় পর্যায় প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। হবিগঞ্জের সবকয়টি উপজেলার ভেড়া খামারি ও বেকার লোকদের মাঝে এ প্রশিক্ষণের তদারকি করছেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মাহবুবুল আলম। এরই ধারাবাহিকতায় বাহুবল উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের হলরুমে উদ্বোধন করা হয় ৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা। এতে অংশ নেন ২০ জন নারী-পুরুষ। কর্মশালার মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীরা জানতে পারছেন কিভাবে আধুনিক পদ্ধতিতে ভেড়া পালন, সংরক্ষণ ও উন্নয়ন ঘটানো যায়।


 

 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র