jugantor
মুচলেকা দিয়েও বাল্যবিয়ে
মেহেরপুরে ৩ জনের জেল-জরিমানা

  মেহেরপুর প্রতিনিধি  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

মেহেরপুরে ২৬ নভেম্বর একটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেদিন বরপক্ষ ও কনেপক্ষে পুলিশের কাছে বাল্যবিয়ে না দেয়ার প্রতিশ্র“তি দিয়ে মুচলেকা দিয়েছিল। এরপরও বাল্যবিয়ে সম্পন্ন করার অপরাধে দু’পক্ষের জেল জরিমানা করা হয়েছে। মুচলেকা অমান্য করে বাল্যবিয়ে দেয়ায় কনের চাচি বিউটি খাতুনের এক হাজার টাকা জরিমানা এবং বরের দু’চাচা নজরুল ইসলাম ও সিরাজুল ইসলামের ১৫ দিন করে জেল দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মেহেরপুরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহীনুজ্জামান এ আদালত পরিচালনা করেন। দণ্ডিত বিউটি খাতুনের বাড়ি সদর উপজেলার আমদহ গ্রামে এবং নজরুল ইসলাম ও সিরাজুল ইসলামের বাড়ি একই উপজেলার ভবানন্দপুর গ্রামে। ২৬ নভেম্বর মেহেরপুর সদর উপজেলার আমদহ গ্রামের প্রবাসী সাখাওয়াত হোসেনের মেয়ে ও মেহেরপুর সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী চাঁদনি খাতুনের সঙ্গে একই উপজেলার ভবানন্দপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে সেনা সদস্য মঞ্জুরুল ইসলামের এর বিয়ের দিন ধার্য করা ছিল। ওই দিন খবর পেয়ে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে সদর থানার এএসআই অজিত চক্রবর্তী কনের বাড়ি গিয়ে বিবাহ বন্ধ করে দেন এবং ১৮ বছরের পূর্বে চাঁদনির বিয়ে না দেয়ার জন্য তার পরিবারের কাছ থেকে মুচলেকা নেন।



সাবমিট
মুচলেকা দিয়েও বাল্যবিয়ে

মেহেরপুরে ৩ জনের জেল-জরিমানা

 মেহেরপুর প্রতিনিধি 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 
মেহেরপুরে ২৬ নভেম্বর একটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেদিন বরপক্ষ ও কনেপক্ষে পুলিশের কাছে বাল্যবিয়ে না দেয়ার প্রতিশ্র“তি দিয়ে মুচলেকা দিয়েছিল। এরপরও বাল্যবিয়ে সম্পন্ন করার অপরাধে দু’পক্ষের জেল জরিমানা করা হয়েছে। মুচলেকা অমান্য করে বাল্যবিয়ে দেয়ায় কনের চাচি বিউটি খাতুনের এক হাজার টাকা জরিমানা এবং বরের দু’চাচা নজরুল ইসলাম ও সিরাজুল ইসলামের ১৫ দিন করে জেল দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মেহেরপুরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহীনুজ্জামান এ আদালত পরিচালনা করেন। দণ্ডিত বিউটি খাতুনের বাড়ি সদর উপজেলার আমদহ গ্রামে এবং নজরুল ইসলাম ও সিরাজুল ইসলামের বাড়ি একই উপজেলার ভবানন্দপুর গ্রামে। ২৬ নভেম্বর মেহেরপুর সদর উপজেলার আমদহ গ্রামের প্রবাসী সাখাওয়াত হোসেনের মেয়ে ও মেহেরপুর সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী চাঁদনি খাতুনের সঙ্গে একই উপজেলার ভবানন্দপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে সেনা সদস্য মঞ্জুরুল ইসলামের এর বিয়ের দিন ধার্য করা ছিল। ওই দিন খবর পেয়ে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে সদর থানার এএসআই অজিত চক্রবর্তী কনের বাড়ি গিয়ে বিবাহ বন্ধ করে দেন এবং ১৮ বছরের পূর্বে চাঁদনির বিয়ে না দেয়ার জন্য তার পরিবারের কাছ থেকে মুচলেকা নেন।



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র