jugantor
আজ মুক্ত হয় যেসব এলাকা

  যুগান্তর ডেস্ক  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

আজ ১০ ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত হয় ময়মনসিংহ, মাদারীপুর ও ভোলা। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে হানাদার বাহিনীর সদস্যরা লেজ গুটিয়ে পালিয়ে যায়। দিবসটি উপলক্ষে ওইসব এলাকায় নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। যুগান্তর প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

ময়মনসিংহ : ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর বর্তমান ধর্মমন্ত্রী এবং তৎকালীন ঢালু যুব শিবিরের প্রধান অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনী ও তৎকালীন ব্রিগেডিয়ার সনৎ শিং বাবাজীর নেতৃত্বে মিত্র বাহিনীর সম্মিলিত দল বিজয় পতাকা উড়িয়ে প্রবেশ করেন মুক্ত ময়মনসিংহ জেলা সদরে। অভূতপূর্ব মুক্তির পতাকাকে স্বাগত জানান। ১০ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ মুক্ত দিবস ও ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে প্রতিবারের মতো এবারও শহরের ছোট বাজার মুক্তমঞ্চে ৭ দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আজ সকালে কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপি।

মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ) : দিবস উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, পৌরসভাসহ বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান প্রতি বছরের মতো এবারও শহীদদের শ্রদ্ধা জানাবে। যুদ্ধকালীন সময়ে রফিজ উদ্দিন, ডা. বাবর আলী, জবেদ আলী ও আবদুর রাজ্জাক পাক হানাদারের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত ছিলেন। অপরদিকে মকবুল হোসেন পাবনা ও টাঙ্গাইল এলাকার মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে যুদ্ধরত ছিলেন। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে হানাদার বাহিনীর সদস্যরা পালিয়ে যায়।

মাদারীপুর : টানা ৩ দিন রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর এ দিন শত্র“মুক্ত হয় মাদারীপুর। ১৯৭১-এর ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মুক্তিযোদ্ধাদের একের পর এক আক্রমণে হানাদার বাহিনী দিশেহারা হয়ে পড়ে। ১০ ডিসেম্বর বিজয়ের আগমুহূর্তে কিশোর মুক্তিযোদ্ধা সরোয়ার হোসেন বাচ্চু শহীদ হন এবং গুরুতর আহত হন আখতারুজ্জামানসহ অনেকে।

ভোলা : ১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনী ভোলার পানি উন্নয়ন বোর্ডে ক্যাম্প স্থাপন করে ছিল। ওই ক্যাম্পই ছিল তাদের টর্চারসেল। সেখানেই শত শত মুক্তিকামী নারী-পুরুষদের ধরে এনে নির্যাতন ও হত্যা করেছে। একাত্তরের এ দিনে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে পাক হানাদার বাহিনী ভোরে কার্গো লঞ্চযোগে পালিয়ে যায়। দিনটি স্মরণে আজ সকালে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ফলকে পুস্পমাল্য অর্পণ, সকাল ১০টায় বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।



সাবমিট

আজ মুক্ত হয় যেসব এলাকা

 যুগান্তর ডেস্ক 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 
আজ ১০ ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত হয় ময়মনসিংহ, মাদারীপুর ও ভোলা। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে হানাদার বাহিনীর সদস্যরা লেজ গুটিয়ে পালিয়ে যায়। দিবসটি উপলক্ষে ওইসব এলাকায় নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। যুগান্তর প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

ময়মনসিংহ : ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর বর্তমান ধর্মমন্ত্রী এবং তৎকালীন ঢালু যুব শিবিরের প্রধান অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনী ও তৎকালীন ব্রিগেডিয়ার সনৎ শিং বাবাজীর নেতৃত্বে মিত্র বাহিনীর সম্মিলিত দল বিজয় পতাকা উড়িয়ে প্রবেশ করেন মুক্ত ময়মনসিংহ জেলা সদরে। অভূতপূর্ব মুক্তির পতাকাকে স্বাগত জানান। ১০ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ মুক্ত দিবস ও ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে প্রতিবারের মতো এবারও শহরের ছোট বাজার মুক্তমঞ্চে ৭ দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আজ সকালে কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপি।

মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ) : দিবস উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, পৌরসভাসহ বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান প্রতি বছরের মতো এবারও শহীদদের শ্রদ্ধা জানাবে। যুদ্ধকালীন সময়ে রফিজ উদ্দিন, ডা. বাবর আলী, জবেদ আলী ও আবদুর রাজ্জাক পাক হানাদারের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত ছিলেন। অপরদিকে মকবুল হোসেন পাবনা ও টাঙ্গাইল এলাকার মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে যুদ্ধরত ছিলেন। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে হানাদার বাহিনীর সদস্যরা পালিয়ে যায়।

মাদারীপুর : টানা ৩ দিন রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর এ দিন শত্র“মুক্ত হয় মাদারীপুর। ১৯৭১-এর ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মুক্তিযোদ্ধাদের একের পর এক আক্রমণে হানাদার বাহিনী দিশেহারা হয়ে পড়ে। ১০ ডিসেম্বর বিজয়ের আগমুহূর্তে কিশোর মুক্তিযোদ্ধা সরোয়ার হোসেন বাচ্চু শহীদ হন এবং গুরুতর আহত হন আখতারুজ্জামানসহ অনেকে।

ভোলা : ১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনী ভোলার পানি উন্নয়ন বোর্ডে ক্যাম্প স্থাপন করে ছিল। ওই ক্যাম্পই ছিল তাদের টর্চারসেল। সেখানেই শত শত মুক্তিকামী নারী-পুরুষদের ধরে এনে নির্যাতন ও হত্যা করেছে। একাত্তরের এ দিনে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে পাক হানাদার বাহিনী ভোরে কার্গো লঞ্চযোগে পালিয়ে যায়। দিনটি স্মরণে আজ সকালে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ফলকে পুস্পমাল্য অর্পণ, সকাল ১০টায় বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র