jugantor
রাজিব হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল, আসামি ৮

  ঢাকা, ২৮ জানুয়ারি:  

২৮ জানুয়ারি ২০১৪, ১৪:৩৯:২৯  | 

ব্লগার আহমেদ রাজীব হায়দার শোভন হত্যা মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মঙ্গলবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে অভিযোগপ্রত দাখিল করা হয়। অভিযোগপত্রে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান জসীমউদ্দিন ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সাত শিক্ষার্থীসহ মোট ৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। গত ২০১৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পল্লবীর নিজ বাসার সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয় ব্লগার আহমেদ রাজীব হায়দার শোভনকে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (উত্তর) উপ কমিশনার মো. শেখ নাজমুল আলম জানান, তদন্তে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সাত শিক্ষার্থী ও আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের  প্রধান মুফতি মুহাম্মদ জসীমউদ্দিন রাহমানীর জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ মিলেছে। গ্রেপ্তার হওয়া নর্থ সাউথের সাত শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদ, আদালতে দেয়া তাদের জবানবন্দি এবং তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে, জসীমউদ্দিন রাহমানীর বই পড়ে এবং সরাসরি তার বয়ান ও খুতবায় অংশ নিয়ে ‘নাস্তিক ব্লগারদের খুন করতে তারা উদ্বুদ্ধ ও উৎসাহিত হন। এরই ধারাবাহিকতায় ব্লগার রাজীব খুন হন। মামলার অভিযোগপত্রে রাহমানীকে ‘হত্যাকাণ্ডে অনুপ্রেরণাকারী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হলেন নর্থ সাউথের শিক্ষার্থী রেদোয়ানুল আজাদ ওরফে রানা। তার গ্রামের বাড়ি ফেনীর দাগনভূঞার উত্তর জয়লস্করে। বাবার নাম আবুল।
মামলার তদন্তকারী ডিবির পরিদর্শক নিবারণ চন্দ্র বর্মণ বলেন, মামলার খুঁটিনাটি তদন্ত শেষে ১১ মাসের মাথায় আলোচিত এ মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হচ্ছে। মামলার বাদী ও নিহতের বাবা নিজামউদ্দিন, হত্যাকা-স্থলের আশপাশের লোকজন, পুলিশ ও চিকিৎসকসহ ৫৫ জনকে মামলায় সাক্ষী করা হয়েছে। হত্যার আগে যে দোকান থেকে আসামিরা সিমকার্ড ও চাপাতি-ছুরি কিনেছিলেন, দোকান মালিকেরা এ বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

সাবমিট

রাজিব হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল, আসামি ৮

 ঢাকা, ২৮ জানুয়ারি: 
২৮ জানুয়ারি ২০১৪, ০২:৩৯ পিএম  | 

ব্লগার আহমেদ রাজীব হায়দার শোভন হত্যা মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মঙ্গলবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে অভিযোগপ্রত দাখিল করা হয়। অভিযোগপত্রে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান জসীমউদ্দিন ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সাত শিক্ষার্থীসহ মোট ৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। গত ২০১৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পল্লবীর নিজ বাসার সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয় ব্লগার আহমেদ রাজীব হায়দার শোভনকে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (উত্তর) উপ কমিশনার মো. শেখ নাজমুল আলম জানান, তদন্তে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সাত শিক্ষার্থী ও আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের  প্রধান মুফতি মুহাম্মদ জসীমউদ্দিন রাহমানীর জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ মিলেছে। গ্রেপ্তার হওয়া নর্থ সাউথের সাত শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদ, আদালতে দেয়া তাদের জবানবন্দি এবং তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে, জসীমউদ্দিন রাহমানীর বই পড়ে এবং সরাসরি তার বয়ান ও খুতবায় অংশ নিয়ে ‘নাস্তিক ব্লগারদের খুন করতে তারা উদ্বুদ্ধ ও উৎসাহিত হন। এরই ধারাবাহিকতায় ব্লগার রাজীব খুন হন। মামলার অভিযোগপত্রে রাহমানীকে ‘হত্যাকাণ্ডে অনুপ্রেরণাকারী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হলেন নর্থ সাউথের শিক্ষার্থী রেদোয়ানুল আজাদ ওরফে রানা। তার গ্রামের বাড়ি ফেনীর দাগনভূঞার উত্তর জয়লস্করে। বাবার নাম আবুল।
মামলার তদন্তকারী ডিবির পরিদর্শক নিবারণ চন্দ্র বর্মণ বলেন, মামলার খুঁটিনাটি তদন্ত শেষে ১১ মাসের মাথায় আলোচিত এ মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হচ্ছে। মামলার বাদী ও নিহতের বাবা নিজামউদ্দিন, হত্যাকা-স্থলের আশপাশের লোকজন, পুলিশ ও চিকিৎসকসহ ৫৫ জনকে মামলায় সাক্ষী করা হয়েছে। হত্যার আগে যে দোকান থেকে আসামিরা সিমকার্ড ও চাপাতি-ছুরি কিনেছিলেন, দোকান মালিকেরা এ বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র