¦
এক মাসে সিএনজি খাতে লোকসান ৩০০ কোটি টাকা

ঢাকা, ৭ ফেব্রুয়ারি: | প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

গত এক মাসের অবরোধ ও হরতালের কারণে সিএনজি বিক্রি প্রায় ৮০ শতাংশ কমে গেছে। এতে প্রতিদিন তাদের প্রায় ১০ কোটি টাকা করে লোকসান হচ্ছে। শনিবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে ‘অস্থির রাজনৈতিক অবস্থার অবসান চাই’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে সিএনজি অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা এ দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির আহ্বায়ক মাসুদ খান, যুগ্ম আহ্বায়ক নজিব আহমেদ, আখতার হোসেন ফয়সাল, সদস্য নজরুল ইসলাম, ফারহান নুর, আলমগীর খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। তারা অস্থির পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে রাজনৈতিক দলগুলোকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন।
হরতাল-অবরোধের কারণে সিএনজি খাতে প্রায় ৩শ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে দাবি করে মাসুদ খান বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে সিএনজি ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এই অবস্থা অনির্দিষ্টকালের জন্য চলতে পারে না। আলোচনার মাধ্যমে ব্যবসার স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অর্থনীতি না থাকলে দেশ থাকবে না, আর দেশ না থাকলে রাজনীতি থাকবে না।
গ্যাসের দাম না বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গ্যাসের দাম বাড়লে পরিবহন খরচসহ যাবতীয় খরচ বাড়বে। মোট গ্যাসের মাত্র ৫ শতাংশ সিএনজি ব্যবহৃত হয়। ব্যবহার কম হলেও সরকারকে সর্বোচ্চ রাজস্ব দেয় এই খাত। এমনিতেই এই সিএনজি খাত লোকসান দিচ্ছে। দাম বাড়ালে এই খাতে লোকসান আরো বাড়বে।
এসময় অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ৪ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো- ব্যাংক ঋণের সুদ মওকুফ, গ্যাসের খেলাপি বিলের সুদ বাতিল করা ও কিস্তিতে বিল পরিশোধের সুযোগ দেয়া, সিএনজি স্টেশনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেয়া এবং আলোচনার মাধ্যমে অস্থির পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা।

সর্বশেষ খবর পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close