¦
এনকাউন্টার ইচ্ছাকৃত নয়- পরিস্থিতি বাধ্য করে

ঢাকা, ১১ ফেব্রুয়ারি: | প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, ঢাকা মহানগরীতে যে এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটেছে তা ইচ্ছাকৃত নয়। পরিস্থিতি এনকাউন্টারে বাধ্য করে। বুধবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
বোমাবাজদের ধরিয়ে দিতে সহায়তাকারী ব্যক্তিদের পুরস্কার দিতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। পুরস্কার পাওয়া চারজনের মধ্যে তিনজনই ছাত্রলীগের নেতা।
ডিএমপির পক্ষ থেকে দেয়া এই পুরস্কার পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ আল রিয়াদ, জহুরুল হক হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আল নাহিয়ান খান, এ এফ রহমান হলের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন ও রিকশাচালক মোজাম্মেল হোসেন। এই চারজনকে ২৫ হাজার থেকে এক লাখ টাকা করে পুরস্কার দেয়া হয়েছে। তবে কাকে কী পরিমাণ টাকা পুরস্কার দেয়া হয়েছে, তা জানানো হয়নি।
ডিএমপির দেয়া পুরস্কারের বাইরে এক ব্যক্তি নিজ উদ্যোগে রিকশাচালক মোজাম্মেলকে ৫০ হাজার টাকা দিয়েছেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অভিযানে গেলে সেখানে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হন। অনেক সময় নাশকতাকারী বা অপরাধীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। তখন আত্মরক্ষার্থে আইনশৃ্ঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা গুলি চালাতে বাধ্য হন। এ ধরনের পরিস্থিতি যখনই আসবে, তখনই এ ধরনের ঘটনা ঘটবে।
চলমান সহিংসতা কমে এসেছে দাবি করে তিনি বলেন, আমি বলেছিলাম, এক সপ্তাহের মধ্যে সহিংসতা কমে আসবে। সহিংসতা কমে এসেছে, আপনারা দেখছেন। আগামীতে সহিংসতা আরো কমে যাবে বলেও আমি আশা করছি। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। যারা অপরাধ করবে, তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে।
আছাদুজ্জামান জানান, অবরোধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রাজধানীতে ১১টি যানবাহন ভাঙচুর ও ১৬৮টি যানবাহনে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সহিংসতায় ৪৪ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। দুজন পুলিশ ও এক আনসার সদস্য নিহত হয়েছেন। তিনি আরো জানান, রাজধানীতে ককটেল-পেট্রলবোমা ছোড়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে ১৮৬ জন। এর মধ্যে ১০২ জন বিএনপির ও ৮৪ জন জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

সর্বশেষ খবর পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close