¦
কো-পাইলটই ইচ্ছেকৃতভাবে বিমানটি বিধ্বস্ত করেন

অনলাইন ডেস্ক, ২৬ মার্চ: | প্রকাশ : ২৬ মার্চ ২০১৫

আল্পসে বিধ্বস্ত জার্মানউইংসের বিমানটির কো-পাইলটই আসলে ইচ্ছেকৃতভাবে বিমানটি ধ্বংস করেছেন বলে দাবি করেছেন একজন ফরাসী তদন্ত কর্মকর্তা। বিধ্বস্ত বিমানের ব্ল্যাক বক্সের ভয়েস রেকর্ডার থেকে পাওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে ফ্রান্সের ওই কর্মকর্তা এ দাবি করেন। বিমানটি বিধ্বস্ত হলে এর ১৫০ জন আরোহীর সবাই মারা যান। খবর বিবিসি।
বিমানটির ফ্লাইট রেকর্ডারের শেষ তিরিশ মিনিটের ভয়েস রেকর্ডিং পরীক্ষা করে ফরাসী তদন্ত কর্মকর্তা ব্রাইস রবিন বলন, বিমানের কো-পাইলট ইচ্ছে করেই এটি বিধ্বস্ত করেন বলে তিনি ধারণা করছেন।
ব্রাইস রবিন বলেন, বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার দশ মিনিট আগে বিমানটির পাইলট ককপিট থেকে বেরিয়ে যান, সম্ভবত টয়লেটে যাওয়ার জন্য। কো-পাইলট এরপর একাই ককপিটে ছিলেন, এবং ককপিটের দরোজা বন্ধ ছিল। এরপর কো-পাইলট একটি বাটন চেপে বিমানটিকে দ্রুত নিচে নামিয়ে আনে।
রবিন বলেন, পাইলট টয়লেট থেকে ফিরে এসে ককপিটের দরোজায় অনেকবার আঘাত করলেও কো-পাইলট দরোজা খোলেননি। এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের কলেও তিনি সাড়া দেননি। তিনি আরো জানান, ফ্লাইট রেকর্ডারে বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগের মূহুর্ত পর্যন্ত কো-পাইলটের স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দ পর্যন্ত শোনা গেছে।
তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, কো-পাইলট কেন এটি করলেন, এর কারণ আমরা এখনও জানতে পারিনি। কিন্তু দৃশ্যত মনে হচ্ছে, বিমানটিকে ধ্বংস করতেই তিনি এ কাজ করেছেন। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রকেরা বারবার বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু কোনো প্রতি উত্তর পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, ওই সহকারী পাইলট কট্টরপন্থা কিংবা সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জড়িত ছিলেন কি না-এমন কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই। তবে জার্মান কর্তৃপক্ষ তার অতীত এবং ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে আরো তথ্য দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
গত মঙ্গলবার ১৫০ আরোহী নিয়ে জার্মানির বিমান পরিবহন সংস্থা জার্মানউইংসের এ-৩২০ এয়ারবাসটি ফ্রান্সের বার্সালোনেত্তি এলাকায় পাহাড়ে বিধ্বস্ত হয়। বিমানটি স্পেনের বার্সেলোনা থেকে জার্মানির ডুসেলডর্ফ শহরে যাচ্ছিল। বুধবার থেকে বিমানটির উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। স্থানটি প্রত্যন্ত হওয়ায় উদ্ধার অভিযান শেষ করতে কয়েক দিন লেগে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

সর্বশেষ খবর পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close