¦
রায় পড়ে শোনালো কারা কর্তৃপক্ষ: ক্ষণ গণনা শুরু

ঢাকা, ৮ এপ্রিল: | প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল ২০১৫

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানকে রায় পড়ে শোনালো কারা কর্তৃপক্ষ। রিভিউ আবেদন খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি পাবার পর বুধবার সন্ধ্যা সোয়া ছটায় কারাগার কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে রায় পড়ে শোনায়।  এরপর শুরু হলো ক্ষণ গণনা।

রায় পড়ে শোনানোর পর কারা কর্তৃপক্ষ কামারুজ্জামানকে জানান তিনি শেষ সুযোগ হিসেবে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা করার সুযোগ পাবেন। প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করবেন কি না? এর জবাবে কামারুজ্জামান কারা কর্তৃপক্ষকে জানান, তিনি তার আইনজীবিদের সাথে সাক্ষাতের পর এ সিদ্ধান্ত জানাবেন। এজন্য তিনি আগামীকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সময় নেন।

বিকাল ৫টা ৫০ মিনিটে সিনিয়র জেল সুপার ফরমান আলীর কাছে রায়ের কপি পৌঁছে দেন ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার আফতুবুজ্জামান।  ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার আফতাবুজ্জামানের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের প্রতিনিধিদল রায়ের কপি নিয়ে পৌনে ছটায় পুরনো ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছেন।

 এর আগে বিকেল পৌছে পাঁচটায় আপীল বিভাগের সহকারী রেজিস্টার মেহেদী হাসান সুপ্রীমকোর্ট রেজিস্টার কার্যালয় থেকে রায় ট্রাইব্যুনালে রায় পৌঁছে দেন।

বুধকার বিকেল পৌনে তিনটায় রিভিউ আবেদন খারিজের রায়ের নীল কাগজের কপিতে স্বাক্ষর করেন বিচারপতিরা। এই রায়ের কপি মানবতা বিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ঢাকা জেলা প্রশাসক ও কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। রিভিউ আবেদনের রায় প্রকাশের পর  ফাঁসির দণ্ড বহাল রেখে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের দেয়া রায় কার্যকর করা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

আদালত সূত্র জানায়, বুধবার ২টা ৪০ মিনিটে রায়ের খসড়া তৈরির পর তাতে সই করেন প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা, বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞা, বিচারপতি হাসান ফিরোজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী।

প্রধান বিচারপতির অনুমোদনক্রমে আপিল বিভাগের কনিষ্ঠ বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী রায়ের খসড়াটি তৈরি করেন। পরে ৩৬ পাতার ওই রায়ের কপি তিনি উপস্থাপন করেন প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার কাছে। বিধি অনুসারে রায়টি প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের অপর দুই বিচারপতি আবদুল ওয়াহহাব মিঞা ও বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর কাছেও পাঠানো হয়।
 

কামারুজ্জামানের আইনজীবীরা জানিযেছেন, রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা ভিক্ষার আবেদনের জন্য তিনি যৌক্তিক সময় পাবেন। রায়ের কপি কারাকর্তৃপক্ষের কাছে গেলে পরবর্তী করণীয় বিষয়ে তারা অগ্রসর হবেন।
 
উল্লেখ্য, গত ৫ মার্চ একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া জামায়াত নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামান আপিল বিভাগের চূড়ান্ত রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ  (পুনর্বিবেচনা) আবেদন করেন।

 

সর্বশেষ খবর পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close