¦
সিসিসি নির্বাচন বাতিল ও পূনঃনির্বাচন দাবি

চট্টগ্রাম ব্যুরো, ৩০ এপ্রিল: | প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০১৫

২৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (সিসিসি) নির্বাচন বাতিল করে পুনঃনির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী এম মনজুর আলমের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার বিকেলে রিটার্নিং অফিসারের কাছে দেয়া এক চিঠিতে তিনি এ দাবি জানান।
চিঠিতে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সেদিন নির্বাচনের নামে গণতন্ত্র, জনগণের ভোটাধিকারের প্রতি চরম উপহাস ও প্রহসন করা হয়েছে। তাই এই নির্বাচন ও ফলাফল বাতিল করে পুনঃনির্বাচন দিতে হবে।
তিনি বলেন, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার তাগিদে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে ২৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মী মিথ্যা মামলায় কারাগারে ও যারা বাইরে ছিলো তাদের অনেকে আইন শৃংখলা বাহিনীর নির্যাতন-হয়রানিতে পলাতক অবস্থায় দিন যাপন করছিলো।
এই অসম অবস্থায় জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড না থাকা সত্ত্বেও আমরা নির্বাচন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলাম। আমাদের নেতাকর্মী, নির্বাচনী কাজে সম্পৃক্ত আহবায়কসহ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির লোকজন ও এজেন্টদের বাসায় বাসায় পুলিশ তল্লাশি ও হয়রানি করে এবং অনেককে গ্রেফতার করে। এমনকি বিভিন্ন স্থানে পুলিশের কিছু কর্মকর্তা প্রকাশ্যে মেয়র প্রার্থী মনজুর আলমের পক্ষে এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন না করার জন্য হুমকি প্রদান করে। বিভিন্ন এলাকায় সরকার দলীয় সন্ত্রাসীরা অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে আমাদের লোকজনের উপর হামলা করে।
চিঠিতে আমীর খসরু মাহমুদ আরও বলেন, ২৮ এপ্রিল ভোট গ্রহণ শুরুর পর মুহূর্ত থেকে যা ঘটেছে তা নগরবাসী, দেশী-বিদেশী পর্যবেক্ষক ও গনমাধ্যম কর্মীরা অবাক বিস্ময়ে প্রত্যক্ষ করেছে। বিভিন্ন কেন্দ্রে এজেন্টদেরকে ঢুকতে না দেয়া, বহিরাগত সন্ত্রাসী কর্তৃক আইনশৃংখলা বাহিনীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় একের পর এক কেন্দ্র দখল করে জাল ভোট দেয়া, ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে আসতে বাধা দান করা হয়। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রের ভেতরে-বাইরে শত শত স্থানীয় ও বহিরাগত ক্যাডার মোতায়েন করে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করা, ব্যালট পেপারে সিল মেরে বাক্স ভর্তি করে উৎসব করে।
প্রকাশ্য দিবালোকে আইন শৃংখলা বাহিনীসহ নির্বাচন ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত প্রশাসনের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সহযোগিতায় এমন নজিরবিহীন ভোট ডাকাতি দেখে চট্টগ্রাসবাসী হতভম্ব হয়েছে। দেশবাসীর মত আমরাও মনে করি ২৮শে এপ্রিল ঢাকা ও চট্টগ্রামে মুলত কোন নির্বাচনই হয়নি, যা হয়েছে তা হচ্ছে নির্বাচনের নামে গণতন্ত্র, জনগণের ভোটাধিকারের প্রতি চরম উপহাস ও প্রহসন। তাই তথাকথিত নির্বাচন ও ফলাফল বাতিল করে পুনঃনির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানাচ্ছি।

সর্বশেষ খবর পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close