¦
সীমান্ত চুক্তির মাধ্যমে সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে : পঙ্কজ শরণ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি, ১০ মে | প্রকাশ : ১০ মে ২০১৫

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনার পঙ্কজ শরণ বলেছেন, সীমান্ত চুক্তির মাধ্যমে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
রোববার কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার ভেতরে অবস্থিত ভারতীয় ছিটমহল দাসিয়ার ছড়ায় এবং ভুরুঙ্গামারী উপজেলার সাহেবগঞ্জ ছিটমহলে পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।
ছিটমহলবাসীর উদ্দেশে পঙ্কজ শরণ বলেন, আপনারা শান্তি প্রিয় মানুষ, আপনারা সবাই আইন মেনে চলুন, আপনাদের এই চুক্তিটি বাস্তবায়নে আপনাদের সহযোগিতা অনেকাংশে নির্ভর করবে। ১৯৭৪ সালে যে চুক্তিটির কথা বলা হয়েছে এটা এখন নির্ভর করবে ভারত সরকার বাংলাদেশ সরকার ও আপনাদের উপর।
ভারতের হাই কমিশনার বলেন, ছিটমহলবাসীদের মানবিক বিপর্যয়ের কথা চিন্তা করেই ভারতের পার্লামেন্টে কোন বিরোধীতা ছাড়াই স্থল সীমান্ত চুক্তি বিলটি পাশ করেছে। এখন দু’দেশের সরকারি পর্যায়ে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত এই চুক্তি বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেয়া হবে। এ ব্যাপারে ভারতের সরকার খুবই আন্তরিক। স্থলসীমান্ত চুক্তিসংক্রান্ত ভারতের সংবিধান সংশোধনী বিলের খসড়ায় ক্রটি ধরা পড়ায় তা সংশোধনে সোমবার পার্লামেন্টে এ বিলটি পুনরায় উত্থাপন করা হবে। আশা করি কোন বাধা থাকবেনা।
দাসিয়ার ছড়া ছিটমহলের কালিরহাট বাজারে মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন ছিটমহল বিনিময়  সমন্বয় কমিটির বাংলাদেশ ইউনিটের সভাপতি মইনুল হক। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ভারতের ডেপুটি হাই কমিশনার সন্দীপ মিত্র, ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন মাহমুদ। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ভুরুঙ্গামারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরন্নবী চৌধুরী, ইউইনও এরশাদ আহসান হাবিব, সহকারী পুলিশ সুপার মাসুদ আলম।
রোববার সকাল ১০টার দিকে পঙ্কজ শরণ ভারতীয় ছিটমহলে পৌছলে ছিটমহলের মানুষ ফুল ও শ্লোগান দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। ছিটমহলবাসীরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য হাইকমিশনারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং ভারত সরকারের কাছে পূণর্বাসনের জন্য অর্থ বরাদ্দের দাবী জানান। পরে তিনি দুপুর দেড়টায় ভুরুঙ্গামারী উপজেলার সাহেবগঞ্জ ছিটমহল পরির্দশন করেন ও ছিটমহলবাসীর বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন। ছিটমহলবাসীদের কল্যাণে ভারতের পক্ষ থেকে সব ধরনের উদ্যোগ নেয়া হবে বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য, এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ ১১১টি ছিটমহলের ১৭ হাজার ২৫৮ একর জমি এবং ভারত ৫১টি ছিট মহলের সাত হাজার ১১০ একর জমি পাবে।
সর্বশেষ খবর পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close