jugantor
ভুল ও মিথ্যা তথ্যে এনবিআরের জিডি

  প্রিণ্ট সংস্করণ  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০৯:১০:১২  | 

৯ ডিসেম্বর বুধবার এনবিআরের পক্ষে রমনা থানায় যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বাবুল ও দৈনিক যুগান্তরের সাংবাদিক হেলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে যে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। কোনো রকম যাচাই-বাছাই ছাড়াই এ জিডি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে যমুনা গ্রুপ সুস্পষ্টভাবে চ্যালেঞ্জ করে বলতে চায় যে, জিডির ৪ নম্বর প্যারায় জারা এক্সেসরিজ লিমিটেড, ৫ নম্বর প্যারায় এমকাবা লিমিটেড এবং ৬ নম্বর প্যারায় হংকং গার্মেন্টস লিমিটেডের নাম উল্লেখ করা হলেও প্রকৃতপক্ষে এসব কোম্পানির সঙ্গে যমুনা গ্রুপের পরিচালনা পর্ষদের পরিচালকদের এবং যমুনা গ্রুপের কোনো প্রকার সম্পর্ক নেই। এনবিআর সম্পূর্ণ প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মিথ্যা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে যমুনা গ্রুপকে হেয় ও হয়রানি করার জন্যই এ জিডি করেছে। যমুনা গ্রুপের পরিচালনা পর্ষদের কোনো পরিচালকের নাম উপরোক্ত ৩টি প্রতিষ্ঠানের মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেলসে আছে কিনা তা খতিয়ে দেখলেই প্রমাণিত হবে যে, জিডিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।  
এখানে বলা বাহুল্য যে, রিট নং ৩০২৭/২০০৩ ও ৩০২৮/২০০৩ উচ্চ আদালতে বিচারাধীন থাকাবস্থায় কিভাবে এই জিডির অন্তর্ভুক্ত করা হল তাও বোধগম্য নয়। সরকারের একটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বিচারাধীন মামলা সংক্রান্ত বিষয় উল্লেখপূর্বক এ ধরনের জিডি দায়েরের ঘটনাও নজিরবিহীন বলে মনে করে যমুনা গ্রুপ কর্তৃপক্ষ।
জিডির মধ্যে দৈনিক যুগান্তরের একাধিক প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন বলা হয়েছে, যা সত্য নয়। যুগান্তরে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো সম্পূর্ণ সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ। এর আগে মাননীয় অর্থমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠিতে চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলা হয়েছে, যুগান্তরে প্রকাশিত প্রতিটি প্রতিবেদনই সত্য। একটি প্রতিবেদনও মিথ্যা প্রমাণ করতে পারলে যে শাস্তি দেয়া হবে যমুনা গ্রুপ কর্তৃপক্ষ তা মাথা পেতে নেবে। সুপ্রিমকোর্টের রায়, একাধিক আইন বিশেষজ্ঞ ও সমাজের বিশিষ্টজনদের অভিমত নিয়েই ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদন প্রকাশও বিন্দুমাত্র উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল না।
যমুনা গ্রুপ কর্তৃপক্ষ মনে করছে, ভুল তথ্য পরিবেশন করার ফলে এনবিআর ভুল বুঝে (মিসগাইডেড) এ ধরনের জিডি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জিডিতে উল্লেখিত তথ্য তদন্ত করলেই আসল সত্য উদঘাটন হবে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

আরও পড়ুন

•প্রধানমন্ত্রীর কাছে যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যানের খোলা চিঠি

রাজস্ব প্রশাসনে ক্ষোভ অস্থিরতা

• এনবিআর চেয়ারম্যানকে ডিআরইউ ইআরএফের আলটিমেটাম

সাবমিট

ভুল ও মিথ্যা তথ্যে এনবিআরের জিডি

 প্রিণ্ট সংস্করণ 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০৯:১০ এএম  | 

৯ ডিসেম্বর বুধবার এনবিআরের পক্ষে রমনা থানায় যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বাবুল ও দৈনিক যুগান্তরের সাংবাদিক হেলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে যে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। কোনো রকম যাচাই-বাছাই ছাড়াই এ জিডি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে যমুনা গ্রুপ সুস্পষ্টভাবে চ্যালেঞ্জ করে বলতে চায় যে, জিডির ৪ নম্বর প্যারায় জারা এক্সেসরিজ লিমিটেড, ৫ নম্বর প্যারায় এমকাবা লিমিটেড এবং ৬ নম্বর প্যারায় হংকং গার্মেন্টস লিমিটেডের নাম উল্লেখ করা হলেও প্রকৃতপক্ষে এসব কোম্পানির সঙ্গে যমুনা গ্রুপের পরিচালনা পর্ষদের পরিচালকদের এবং যমুনা গ্রুপের কোনো প্রকার সম্পর্ক নেই। এনবিআর সম্পূর্ণ প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মিথ্যা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে যমুনা গ্রুপকে হেয় ও হয়রানি করার জন্যই এ জিডি করেছে। যমুনা গ্রুপের পরিচালনা পর্ষদের কোনো পরিচালকের নাম উপরোক্ত ৩টি প্রতিষ্ঠানের মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেলসে আছে কিনা তা খতিয়ে দেখলেই প্রমাণিত হবে যে, জিডিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।  
এখানে বলা বাহুল্য যে, রিট নং ৩০২৭/২০০৩ ও ৩০২৮/২০০৩ উচ্চ আদালতে বিচারাধীন থাকাবস্থায় কিভাবে এই জিডির অন্তর্ভুক্ত করা হল তাও বোধগম্য নয়। সরকারের একটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বিচারাধীন মামলা সংক্রান্ত বিষয় উল্লেখপূর্বক এ ধরনের জিডি দায়েরের ঘটনাও নজিরবিহীন বলে মনে করে যমুনা গ্রুপ কর্তৃপক্ষ।
জিডির মধ্যে দৈনিক যুগান্তরের একাধিক প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন বলা হয়েছে, যা সত্য নয়। যুগান্তরে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো সম্পূর্ণ সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ। এর আগে মাননীয় অর্থমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠিতে চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলা হয়েছে, যুগান্তরে প্রকাশিত প্রতিটি প্রতিবেদনই সত্য। একটি প্রতিবেদনও মিথ্যা প্রমাণ করতে পারলে যে শাস্তি দেয়া হবে যমুনা গ্রুপ কর্তৃপক্ষ তা মাথা পেতে নেবে। সুপ্রিমকোর্টের রায়, একাধিক আইন বিশেষজ্ঞ ও সমাজের বিশিষ্টজনদের অভিমত নিয়েই ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদন প্রকাশও বিন্দুমাত্র উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল না।
যমুনা গ্রুপ কর্তৃপক্ষ মনে করছে, ভুল তথ্য পরিবেশন করার ফলে এনবিআর ভুল বুঝে (মিসগাইডেড) এ ধরনের জিডি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জিডিতে উল্লেখিত তথ্য তদন্ত করলেই আসল সত্য উদঘাটন হবে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

আরও পড়ুন

•প্রধানমন্ত্রীর কাছে যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যানের খোলা চিঠি

রাজস্ব প্রশাসনে ক্ষোভ অস্থিরতা

• এনবিআর চেয়ারম্যানকে ডিআরইউ ইআরএফের আলটিমেটাম

 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র