jugantor
ওয়ারীতে আগুনে দগ্ধ একজনের মৃত্যু

  ঢাকা  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১০:৪০:৩০  | 

ফাইল ফটো

রাজধানীর ওয়ারীতে মেসে আগুনে দগ্ধ সুমন (৪০) নামে একজন মারা গেছেন।  বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেলে কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
প্রসঙ্গত বুধবার রাত পৌনে ৩টার দিকে সুমনসহ তিনজনকে রুমের ভেতরে রেখে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়ে বাইরে থেকে দুটি তালা মেরে পালিয়ে যায়।
পুলিশ জানায়, আগুনে সুমনসহ তিনজন দগ্ধ হন। দগ্ধ অন্য দুজন হলেন- শহিদ (১৮) ও শাকিব (৩৫)। তাদের উদ্ধা করে রাতেই ঢামেক হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুমনের মৃত্যু হয়। সুমনের শরীরের ৮৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
ঢামেক সূত্র জানায়, বাকি দুজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। শহিদের শরীরের ৮৫ শতাংশ এবং শাকিবের শরীরের ৩২ শতাংশ পুড়ে গেছে।
জানা গেছে, রাজধানীর ওয়ারীর একটি মেসে থাকতেন তারা। বুধবার রাত পৌনে ৩টার দিকে তাদের রুমের ভেতর কে বা কারা আগুন লাগিয়ে দিয়ে বাইরে থেকে দুটি তালা মেরে পালিয়ে যায়।
পরে তাদের আর্তচিৎকারে প্রতিবেশিরা ছুটে আসে। খবর পেয়ে পুলিশও ঘটনাস্থলে আসে। এরপর তালা ভেঙে তাদের উদ্ধার করে ঢামেকে ভর্তি করা হয়।
অগ্নিদগ্ধ সুমন জানান, তিনি ওই গ্যারেজের মালিক। সোহাগ ও রাজিব নামে দুজন রুমের ভেতর আগুন লাগিয়ে তালা মেরে পালিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, সোহাগ ও রাজিব তার কাছে কাজ শিখত। তারা মাদকাসক্ত ছিল। পুলিশ একবার ধরেও নিয়ে যায় তাদের। পরে তাদের ছাড়িয়ে আনেন সুমন। বিভিন্ন সময় তারা সুমনের কাছে টাকা চাইত। সুমনও অতিষ্ঠ হয়ে দিতেন। এসব নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়েছে। গতরাতে এ দুজন পরিকল্পনা করে রুমের ভেতর আগুন লাগিয়ে দেয় বলে জানান তিনি।
ওয়ারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অগ্নিদগ্ধ তিনজন গাড়ি মেরামতের কাজ করতেন।  রুমের বাইরে দুটি তালা লাগানো ছিল। আমরা তালা ভেঙে তাদের উদ্ধার করেছি। দুষ্কৃতকারীরা রুমের ভেতরে আগুন লাগিয়ে তালা মেরে পালিয়ে গেছে। জড়িতদের খোঁজ করছে পুলিশ জানান এসআই মিজানুর।
 

সাবমিট

ওয়ারীতে আগুনে দগ্ধ একজনের মৃত্যু

 ঢাকা 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১০:৪০ এএম  | 
ফাইল ফটো
ফাইল ফটো

রাজধানীর ওয়ারীতে মেসে আগুনে দগ্ধ সুমন (৪০) নামে একজন মারা গেছেন।  বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেলে কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
প্রসঙ্গত বুধবার রাত পৌনে ৩টার দিকে সুমনসহ তিনজনকে রুমের ভেতরে রেখে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়ে বাইরে থেকে দুটি তালা মেরে পালিয়ে যায়।
পুলিশ জানায়, আগুনে সুমনসহ তিনজন দগ্ধ হন। দগ্ধ অন্য দুজন হলেন- শহিদ (১৮) ও শাকিব (৩৫)। তাদের উদ্ধা করে রাতেই ঢামেক হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুমনের মৃত্যু হয়। সুমনের শরীরের ৮৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
ঢামেক সূত্র জানায়, বাকি দুজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। শহিদের শরীরের ৮৫ শতাংশ এবং শাকিবের শরীরের ৩২ শতাংশ পুড়ে গেছে।
জানা গেছে, রাজধানীর ওয়ারীর একটি মেসে থাকতেন তারা। বুধবার রাত পৌনে ৩টার দিকে তাদের রুমের ভেতর কে বা কারা আগুন লাগিয়ে দিয়ে বাইরে থেকে দুটি তালা মেরে পালিয়ে যায়।
পরে তাদের আর্তচিৎকারে প্রতিবেশিরা ছুটে আসে। খবর পেয়ে পুলিশও ঘটনাস্থলে আসে। এরপর তালা ভেঙে তাদের উদ্ধার করে ঢামেকে ভর্তি করা হয়।
অগ্নিদগ্ধ সুমন জানান, তিনি ওই গ্যারেজের মালিক। সোহাগ ও রাজিব নামে দুজন রুমের ভেতর আগুন লাগিয়ে তালা মেরে পালিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, সোহাগ ও রাজিব তার কাছে কাজ শিখত। তারা মাদকাসক্ত ছিল। পুলিশ একবার ধরেও নিয়ে যায় তাদের। পরে তাদের ছাড়িয়ে আনেন সুমন। বিভিন্ন সময় তারা সুমনের কাছে টাকা চাইত। সুমনও অতিষ্ঠ হয়ে দিতেন। এসব নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়েছে। গতরাতে এ দুজন পরিকল্পনা করে রুমের ভেতর আগুন লাগিয়ে দেয় বলে জানান তিনি।
ওয়ারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অগ্নিদগ্ধ তিনজন গাড়ি মেরামতের কাজ করতেন।  রুমের বাইরে দুটি তালা লাগানো ছিল। আমরা তালা ভেঙে তাদের উদ্ধার করেছি। দুষ্কৃতকারীরা রুমের ভেতরে আগুন লাগিয়ে তালা মেরে পালিয়ে গেছে। জড়িতদের খোঁজ করছে পুলিশ জানান এসআই মিজানুর।
 

 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র