jugantor
বিশ্বে শান্তি-সম্প্রীতির প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

  চট্টগ্রাম  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১৩:২৩:৪৮  | 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জ্বীবিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সারা বিশ্বে শান্তি-সম্প্রীতির প্রতীক। এজন্য শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও তাদের দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হবে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় চট্টগ্রামের ভাটিয়ারি বিএমএ প্যারেড গ্রাউন্ডে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জ্বীবিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাদের সবার গর্ব ও অহংকার। আপোসহীন ও রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে জন্মলাভ করেছে আমাদের সশস্ত্রবাহিনী।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী গঠনের জন্য নানা পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে সেনাবাহিনীর প্রথম ব্যাচ তার ট্রেনিং শেষ করেছিল। বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শিতার কল্যাণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজকের অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, আমরা বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিকে আধুনিক হিসেবে গড়ে তুলতে নানা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আজ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের নানা কর্মকাণ্ডেও অংশগ্রহণ করছে।

তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে সারা বিশ্বে আরো মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করা। এজন্য সেনাসদস্য ও কর্মকর্তাদেরই দায়িত্ব পালন করতে হবে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন, সেনাবাহিনী দেশে বেসামরিক প্রশাসনকেও নানাভাবে সাহায্য করছে।

 

সাবমিট

বিশ্বে শান্তি-সম্প্রীতির প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

 চট্টগ্রাম 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০১:২৩ পিএম  | 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জ্বীবিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সারা বিশ্বে শান্তি-সম্প্রীতির প্রতীক। এজন্য শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও তাদের দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হবে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় চট্টগ্রামের ভাটিয়ারি বিএমএ প্যারেড গ্রাউন্ডে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জ্বীবিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাদের সবার গর্ব ও অহংকার। আপোসহীন ও রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে জন্মলাভ করেছে আমাদের সশস্ত্রবাহিনী।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী গঠনের জন্য নানা পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে সেনাবাহিনীর প্রথম ব্যাচ তার ট্রেনিং শেষ করেছিল। বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শিতার কল্যাণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজকের অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, আমরা বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিকে আধুনিক হিসেবে গড়ে তুলতে নানা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আজ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের নানা কর্মকাণ্ডেও অংশগ্রহণ করছে।

তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে সারা বিশ্বে আরো মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করা। এজন্য সেনাসদস্য ও কর্মকর্তাদেরই দায়িত্ব পালন করতে হবে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন, সেনাবাহিনী দেশে বেসামরিক প্রশাসনকেও নানাভাবে সাহায্য করছে।

 

 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র