jugantor
সাংবাদিক হেলাল উদ্দিনকে চাকরিচ্যুত করতে এনবিআর চেয়ারম্যান অনৈতিক চাপ দিয়েছিলেন : নূরুল ইসলাম বাবুল

  ঢাকা  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১৩:৫৩:৫৫  | 

দেশের শীর্ষ স্থানীয় দৈনিক যুগান্তরের ইকোনোমিক ও অনলাইন এডিটর সাংবাদিক হেলাল উদ্দিনকে চাকরিচ্যুত করার জন্য অনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড চেয়ারম্যান (এনবিআর) নজিবুর রহমান। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের হয়রানি করা হচ্ছে। বুধবার রাতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম বাবুল এসব মন্তব্য করেন।

এনবিআরের সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করাকে কেন্দ্র করে আমার ওপর অনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছেন এনবিআর চেয়ারম্যান। নজিবুর রহমানের এনবিআর চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দেয়ার সময়ের এক সংবাদ সম্মেলনের প্রসঙ্গ তুলে যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান বলেন, সেখানে আমার যুগান্তরের একজন সাংবাদিক তাকে কিছু প্রশ্ন করে, যাতে তিনি ক্ষুব্ধ হন। বিষয়টি আমি জানতাম না।

এরপর তিনি (নজিবুর) আমাকে চায়ের দাওয়াত দেন। আমি সেখানে গেলে সিআইসির মহাপরিচালক, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার উপস্থিতিতে তিনি আমার এবং আমার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একপর্যায়ে আমাকে জানান, যুগান্তরের ইকোনমিক এডিটর হেলাল উদ্দিন তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন, ব্যক্তিগত আক্রমণ করে প্রশ্ন করেছেন। আমি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার হিসেবে ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করি। কিন্তু তারপরও তিনি খুব দ্রুত দৈনিক যুগান্তর থেকে হেলাল উদ্দিনকে অপসারণের জন্য আমাকে অনৈতিক অনুরোধ করেন।

আমি বলি, একজন সিনিয়র সাংবাদিককে কারণ ছাড়া এভাবে চাকরিচ্যুত করলে সাংবাদিক সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হবে। এরপর তার অনুরোধে প্রতিবেদকের বক্তব্য ছাড়াই দৈনিক যুগান্তরে এনবিআর চেয়ারম্যানের প্রতিবাদপত্র হুবহু প্রকাশ করা হয়। কিন্তু এরপরও তার নিয়ন্ত্রণাধীন সিআইসি থেকে একাধিকবার চাপ সৃষ্টি করা হয় যে, হেলাল উদ্দিনকে চাকরিচ্যুত না করলে যমুনা গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তদন্ত শুরু করা হবে। আমি চেয়ারম্যানের এসব অন্যায় চাপ আমলে না নেয়ায় সম্ভবত তিনি আমার ওপর রুষ্ট হন। বর্তমান হয়রানিমূলক পরিস্থিতি তারই বহিঃপ্রকাশ বলে আমি মনে করি। দেশের অন্যতম করদাতা হিসেবে রাজস্ব বোর্ডের কাছে আমি ব্যবসা ও করবান্ধব সম্পর্কই আশা করেছিলাম।

কিন্তু তিনি (এনবিআর চেয়ারম্যান) আমার কথা বুঝলেন না। তিনি অন্যায়ভাবে পূর্ব আক্রোশবশত ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা চরিতার্থে গত ফেব্রুয়ারি মাসের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা মনে রেখে এখনও ন্যায়বিচারপরিপন্থী হয়রানি অব্যাহত রেখেছেন এবং নজিরবিহীনভাবে যমুনা গ্রুপের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। নুরুল ইসলাম বাবুল বলেন, তিনি হেলালের ব্যাংক হিসাব তলব করলেন। আমার, আমার স্ত্রী, সন্তানদের ব্যাংক হিসাবও তলব করেন। যেরকম ওয়ান ইলেভেনের সময় করেছিল।

নূরুল ইসলাম বাবুল চ্যালেঞ্জ করে বলেন, যুগান্তর ও যমুনা টেলিভিশনে এনবিআর নিয়ে যেসব প্রতিবেদন হয়েছে তার সব সত্য। একটাও মিথ্যা প্রমাণ করা যাবে না।
যমুনা গ্রুপ চেয়ারম্যান জানান, আমার গ্রুপের যত কোম্পানি আছে সব ‘জে’ দিয়ে বা যমুনা দিয়ে। শুধু আমার ছেলের নামে আছে শামীম স্পিনিং। উনি (আমাদের হয়রানি করার জন্য) পাগলামি শুরু করেছেন ভুয়া কোম্পানি নিয়ে।

উল্লেখ্য, বুধবার সন্ধ্যায় যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বাবুল ও তার মালিকানাধীন যুগান্তর পত্রিকার ইকোনোমিক এডিটর হেলাল উদ্দিনকে হলুদ সাংবাদিক উল্লেখ করে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব (বোর্ড প্রশাসন-১) এ এইচ এম আবদুল করিম রমনা থানায় এই জিডি করেন। এরপরই জিডির পুরো বিষয়টি প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দ্রুত জানিয়ে দেয়া হয় সংবাদ মাধ্যমে।

এ্রই প্রতিক্রিয়ায় তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছেও একটি খোলা চিঠি লেখেন। তাতে বলেন, এনবিআর চেয়ারম্যানের অন্যায় চাপ আমলে না নেয়ায় সম্ভবত তিনি আমার ওপর রুষ্ট হন। বর্তমান হয়রানিমূলক পরিস্থিতি তারই বহিঃপ্রকাশ বলে আমি মনে করি। দেশের অন্যতম করদাতা হিসেবে রাজস্ব বোর্ডের কাছে আমি ব্যবসা ও করবান্ধব সম্পর্কই আশা করেছিলাম। কিন্তু তিনি তা না করে অন্যায়ভাবে পূর্ব আক্রোশবশত ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা চরিতার্থে গত ফেব্রুয়ারি মাসের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা মনে রেখে এখনও ন্যায়বিচারপরিপন্থী হয়রানি অব্যাহত রেখেছেন এবং নজিরবিহীনভাবে যমুনা গ্রুপের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

তিনি বলেন,  যমুনা গ্রুপের সঙ্গে এনবিআর চেয়ারম্যানের সঙ্গে আমার কোনো বিরোধ আগেও ছিল না, এখনও নেই। আমরা সব সময়ই প্রচলিত সব নীতিমালা ও আইনকানুন মেনে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করে আসছি। কিন্তু দৈনিক যুগান্তরের একজন সিনিয়র সাংবাদিকের সঙ্গে প্রকাশ্যে সংবাদ সম্মেলনে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে তিনিই বিরোধের সূচনা করেন। চেয়ারম্যান হিসেবে নজিবুর রহমান জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে যোগ দেয়ার পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে যমুনা গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান দৈনিক যুগান্তরের একজন সিনিয়র সাংবাদিকের প্রশ্ন করাকে কেন্দ্র করে পূর্ব আক্রোশবশত অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন। এরপর থেকে আমরা বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকারসহ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি।

সাবমিট

সাংবাদিক হেলাল উদ্দিনকে চাকরিচ্যুত করতে এনবিআর চেয়ারম্যান অনৈতিক চাপ দিয়েছিলেন : নূরুল ইসলাম বাবুল

 ঢাকা 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০১:৫৩ পিএম  | 

দেশের শীর্ষ স্থানীয় দৈনিক যুগান্তরের ইকোনোমিক ও অনলাইন এডিটর সাংবাদিক হেলাল উদ্দিনকে চাকরিচ্যুত করার জন্য অনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড চেয়ারম্যান (এনবিআর) নজিবুর রহমান। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের হয়রানি করা হচ্ছে। বুধবার রাতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম বাবুল এসব মন্তব্য করেন।

এনবিআরের সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করাকে কেন্দ্র করে আমার ওপর অনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছেন এনবিআর চেয়ারম্যান। নজিবুর রহমানের এনবিআর চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দেয়ার সময়ের এক সংবাদ সম্মেলনের প্রসঙ্গ তুলে যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান বলেন, সেখানে আমার যুগান্তরের একজন সাংবাদিক তাকে কিছু প্রশ্ন করে, যাতে তিনি ক্ষুব্ধ হন। বিষয়টি আমি জানতাম না।

এরপর তিনি (নজিবুর) আমাকে চায়ের দাওয়াত দেন। আমি সেখানে গেলে সিআইসির মহাপরিচালক, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার উপস্থিতিতে তিনি আমার এবং আমার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একপর্যায়ে আমাকে জানান, যুগান্তরের ইকোনমিক এডিটর হেলাল উদ্দিন তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন, ব্যক্তিগত আক্রমণ করে প্রশ্ন করেছেন। আমি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার হিসেবে ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করি। কিন্তু তারপরও তিনি খুব দ্রুত দৈনিক যুগান্তর থেকে হেলাল উদ্দিনকে অপসারণের জন্য আমাকে অনৈতিক অনুরোধ করেন।

আমি বলি, একজন সিনিয়র সাংবাদিককে কারণ ছাড়া এভাবে চাকরিচ্যুত করলে সাংবাদিক সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হবে। এরপর তার অনুরোধে প্রতিবেদকের বক্তব্য ছাড়াই দৈনিক যুগান্তরে এনবিআর চেয়ারম্যানের প্রতিবাদপত্র হুবহু প্রকাশ করা হয়। কিন্তু এরপরও তার নিয়ন্ত্রণাধীন সিআইসি থেকে একাধিকবার চাপ সৃষ্টি করা হয় যে, হেলাল উদ্দিনকে চাকরিচ্যুত না করলে যমুনা গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তদন্ত শুরু করা হবে। আমি চেয়ারম্যানের এসব অন্যায় চাপ আমলে না নেয়ায় সম্ভবত তিনি আমার ওপর রুষ্ট হন। বর্তমান হয়রানিমূলক পরিস্থিতি তারই বহিঃপ্রকাশ বলে আমি মনে করি। দেশের অন্যতম করদাতা হিসেবে রাজস্ব বোর্ডের কাছে আমি ব্যবসা ও করবান্ধব সম্পর্কই আশা করেছিলাম।

কিন্তু তিনি (এনবিআর চেয়ারম্যান) আমার কথা বুঝলেন না। তিনি অন্যায়ভাবে পূর্ব আক্রোশবশত ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা চরিতার্থে গত ফেব্রুয়ারি মাসের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা মনে রেখে এখনও ন্যায়বিচারপরিপন্থী হয়রানি অব্যাহত রেখেছেন এবং নজিরবিহীনভাবে যমুনা গ্রুপের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। নুরুল ইসলাম বাবুল বলেন, তিনি হেলালের ব্যাংক হিসাব তলব করলেন। আমার, আমার স্ত্রী, সন্তানদের ব্যাংক হিসাবও তলব করেন। যেরকম ওয়ান ইলেভেনের সময় করেছিল।

নূরুল ইসলাম বাবুল চ্যালেঞ্জ করে বলেন, যুগান্তর ও যমুনা টেলিভিশনে এনবিআর নিয়ে যেসব প্রতিবেদন হয়েছে তার সব সত্য। একটাও মিথ্যা প্রমাণ করা যাবে না।
যমুনা গ্রুপ চেয়ারম্যান জানান, আমার গ্রুপের যত কোম্পানি আছে সব ‘জে’ দিয়ে বা যমুনা দিয়ে। শুধু আমার ছেলের নামে আছে শামীম স্পিনিং। উনি (আমাদের হয়রানি করার জন্য) পাগলামি শুরু করেছেন ভুয়া কোম্পানি নিয়ে।

উল্লেখ্য, বুধবার সন্ধ্যায় যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বাবুল ও তার মালিকানাধীন যুগান্তর পত্রিকার ইকোনোমিক এডিটর হেলাল উদ্দিনকে হলুদ সাংবাদিক উল্লেখ করে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব (বোর্ড প্রশাসন-১) এ এইচ এম আবদুল করিম রমনা থানায় এই জিডি করেন। এরপরই জিডির পুরো বিষয়টি প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দ্রুত জানিয়ে দেয়া হয় সংবাদ মাধ্যমে।

এ্রই প্রতিক্রিয়ায় তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছেও একটি খোলা চিঠি লেখেন। তাতে বলেন, এনবিআর চেয়ারম্যানের অন্যায় চাপ আমলে না নেয়ায় সম্ভবত তিনি আমার ওপর রুষ্ট হন। বর্তমান হয়রানিমূলক পরিস্থিতি তারই বহিঃপ্রকাশ বলে আমি মনে করি। দেশের অন্যতম করদাতা হিসেবে রাজস্ব বোর্ডের কাছে আমি ব্যবসা ও করবান্ধব সম্পর্কই আশা করেছিলাম। কিন্তু তিনি তা না করে অন্যায়ভাবে পূর্ব আক্রোশবশত ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা চরিতার্থে গত ফেব্রুয়ারি মাসের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা মনে রেখে এখনও ন্যায়বিচারপরিপন্থী হয়রানি অব্যাহত রেখেছেন এবং নজিরবিহীনভাবে যমুনা গ্রুপের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

তিনি বলেন,  যমুনা গ্রুপের সঙ্গে এনবিআর চেয়ারম্যানের সঙ্গে আমার কোনো বিরোধ আগেও ছিল না, এখনও নেই। আমরা সব সময়ই প্রচলিত সব নীতিমালা ও আইনকানুন মেনে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করে আসছি। কিন্তু দৈনিক যুগান্তরের একজন সিনিয়র সাংবাদিকের সঙ্গে প্রকাশ্যে সংবাদ সম্মেলনে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে তিনিই বিরোধের সূচনা করেন। চেয়ারম্যান হিসেবে নজিবুর রহমান জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে যোগ দেয়ার পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে যমুনা গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান দৈনিক যুগান্তরের একজন সিনিয়র সাংবাদিকের প্রশ্ন করাকে কেন্দ্র করে পূর্ব আক্রোশবশত অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন। এরপর থেকে আমরা বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকারসহ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি।

 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র