jugantor
জেএমবি সদস্য জাহিদের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন
কোর্টে তোলার আগে আসামিকে গণমাধ্যমের সামনে নয়

  ঢাকা  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১৮:২৫:৪২  | 

গাজীপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বোমা হামলা মামলায় ফাঁসির আদেশ পাওয়া নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সদস্য মামুনুর রশিদ ওরফে জাহিদকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন।
রায়ের পর্যবেক্ষণে হাইকোর্ট বলেছেন, পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে বোমা বা গ্রেনেডসহ মামুনুর রশিদকে হাজির করে সংবাদ সম্মেলন করা ছিল দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ। কোনো আসামিকে আদালতে হাজির করার আগে প্রচার বা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে গণমাধ্যমে উপস্থিত করা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেন বিরত থাকে সে জন্য পুলিশের মহাপরিদর্শক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।
আদালতে আসামীপক্ষে ছিলেন খন্দকার মাহবুব হোসেন, এস এম শাহজাহান ও তাজুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ এ কে এম মনিরুজ্জামান কবীর।
রায়ের পর মনিরুজ্জামান কবীর সাংবাদিকদের বলেন, ফাঁসির রায়ের বিরুদ্ধে মামুনুর রশিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। রায়ে মামুনুর রশিদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।
২০০৯ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন জেএমবি’র  সদস্য মামুনুর রশিদ ওরফে জাহিদকে টঙ্গীর হরতইল গ্রামের একটি ভাড়া বাসা থেকে পাঁচটি হ্যান্ড গ্রেনেড, ডেটোনেটর ও বোমা তৈরির সরঞ্জামসহ আটক করে পুলিশ। পরে গাজীপুরের তৎকালীন পুলিশ সুপার আব্দুল বাতেনের কার্যালয়ে গ্রেনেডসহ মামুনকে সংবাদ সম্মেলনে হাজির করা হয়।
সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে টেবিলে থাকা গ্রেনেড মামুন ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। এসময় গ্রেনেড বিস্ফোরণে সাংবাদিক, পুলিশসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। এতে পুলিশ কর্মকর্তা, সাংবাদিকসহ ১৩ জন আহত হন।
ওই ঘটনায় করা মামলায় ২০১২ সালের ১৩ মার্চ মামুনুর রশিদকে ফাঁসির আদেশ দেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪। পরে নিয়ম অনুযায়ী মামলাটি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে আসে।
এছাড়া মামুনুর রশিদ আপিল দায়ের করেন। আপিল ও ডেথরেফারেন্সের শুনানি শেষে হাইকোর্ট তার সাজা কমিয়ে রায় দেন।

সাবমিট

জেএমবি সদস্য জাহিদের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন

কোর্টে তোলার আগে আসামিকে গণমাধ্যমের সামনে নয়
 ঢাকা 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০৬:২৫ পিএম  | 

গাজীপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বোমা হামলা মামলায় ফাঁসির আদেশ পাওয়া নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সদস্য মামুনুর রশিদ ওরফে জাহিদকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন।
রায়ের পর্যবেক্ষণে হাইকোর্ট বলেছেন, পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে বোমা বা গ্রেনেডসহ মামুনুর রশিদকে হাজির করে সংবাদ সম্মেলন করা ছিল দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ। কোনো আসামিকে আদালতে হাজির করার আগে প্রচার বা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে গণমাধ্যমে উপস্থিত করা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেন বিরত থাকে সে জন্য পুলিশের মহাপরিদর্শক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।
আদালতে আসামীপক্ষে ছিলেন খন্দকার মাহবুব হোসেন, এস এম শাহজাহান ও তাজুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ এ কে এম মনিরুজ্জামান কবীর।
রায়ের পর মনিরুজ্জামান কবীর সাংবাদিকদের বলেন, ফাঁসির রায়ের বিরুদ্ধে মামুনুর রশিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। রায়ে মামুনুর রশিদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।
২০০৯ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন জেএমবি’র  সদস্য মামুনুর রশিদ ওরফে জাহিদকে টঙ্গীর হরতইল গ্রামের একটি ভাড়া বাসা থেকে পাঁচটি হ্যান্ড গ্রেনেড, ডেটোনেটর ও বোমা তৈরির সরঞ্জামসহ আটক করে পুলিশ। পরে গাজীপুরের তৎকালীন পুলিশ সুপার আব্দুল বাতেনের কার্যালয়ে গ্রেনেডসহ মামুনকে সংবাদ সম্মেলনে হাজির করা হয়।
সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে টেবিলে থাকা গ্রেনেড মামুন ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। এসময় গ্রেনেড বিস্ফোরণে সাংবাদিক, পুলিশসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। এতে পুলিশ কর্মকর্তা, সাংবাদিকসহ ১৩ জন আহত হন।
ওই ঘটনায় করা মামলায় ২০১২ সালের ১৩ মার্চ মামুনুর রশিদকে ফাঁসির আদেশ দেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪। পরে নিয়ম অনুযায়ী মামলাটি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে আসে।
এছাড়া মামুনুর রশিদ আপিল দায়ের করেন। আপিল ও ডেথরেফারেন্সের শুনানি শেষে হাইকোর্ট তার সাজা কমিয়ে রায় দেন।

 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র