jugantor
মান্নার রিমান্ড বাতিল, প্রয়োজনে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ

  ঢাকা  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১৮:৩৮:০১  | 

রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার সাতদিনের রিমান্ড আদেশ বাতিল করেছেন হাইকোর্ট। তবে প্রয়োজনে তাকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
রিমান্ড আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মান্নার করা এক রিট আবেদনের নিষ্পত্তি করে বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ রায় দেন।
আদালতে মান্নার পক্ষে আইনজীবী ছিলেন শাহদীন মালিক। তাকে সহযোগিতা করেন এম মনজুর আলম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফজলুর রহমান খান।
সেনা বিদ্রোহে উসকানি দেয়ার অভিযোগে করা মামলায় গত ২৫ ফেব্রুয়ারি মান্নাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। পরে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে মামলা করা হয়।
ড. শাহদীন মালিক সাংবাদিকদের বলেন, ১৮ মার্চ ওই রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় মান্নাকে আরও ১০ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয়া হয়। ওই রিমান্ড চলাকালে তিনদিন পর মান্না অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই সময় রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নিম্ন আদালত বলেছিলেন, পরে ওই সাতদিনের রিমান্ড ব্যবহার করতে পারবে পুলিশ।
পরে সাতদিনের ওই রিমান্ড আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে আবেদন করেন মান্না। প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট গত ১৯ আগস্ট রুল জারি করেন।
এরপর বৃহস্পতিবার ওই রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে ওই সাতদিনের রিমান্ড আদেশ বাতিল করেন হাইকোর্ট। তবে প্রয়োজনে পুলিশ কারাফটকে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়।
নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মান্নার সঙ্গে নিউইয়র্কে অবস্থানরত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার একটি টেলিফোন আলাপের অডিও গত ২২ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। ওই কথোপকথন ফাঁস হওয়ার পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি পুলিশ মান্নাকে গ্রেফতার করে।

সাবমিট

মান্নার রিমান্ড বাতিল, প্রয়োজনে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ

 ঢাকা 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০৬:৩৮ পিএম  | 

রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার সাতদিনের রিমান্ড আদেশ বাতিল করেছেন হাইকোর্ট। তবে প্রয়োজনে তাকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
রিমান্ড আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মান্নার করা এক রিট আবেদনের নিষ্পত্তি করে বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ রায় দেন।
আদালতে মান্নার পক্ষে আইনজীবী ছিলেন শাহদীন মালিক। তাকে সহযোগিতা করেন এম মনজুর আলম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফজলুর রহমান খান।
সেনা বিদ্রোহে উসকানি দেয়ার অভিযোগে করা মামলায় গত ২৫ ফেব্রুয়ারি মান্নাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। পরে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে মামলা করা হয়।
ড. শাহদীন মালিক সাংবাদিকদের বলেন, ১৮ মার্চ ওই রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় মান্নাকে আরও ১০ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয়া হয়। ওই রিমান্ড চলাকালে তিনদিন পর মান্না অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই সময় রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নিম্ন আদালত বলেছিলেন, পরে ওই সাতদিনের রিমান্ড ব্যবহার করতে পারবে পুলিশ।
পরে সাতদিনের ওই রিমান্ড আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে আবেদন করেন মান্না। প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট গত ১৯ আগস্ট রুল জারি করেন।
এরপর বৃহস্পতিবার ওই রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে ওই সাতদিনের রিমান্ড আদেশ বাতিল করেন হাইকোর্ট। তবে প্রয়োজনে পুলিশ কারাফটকে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়।
নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মান্নার সঙ্গে নিউইয়র্কে অবস্থানরত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার একটি টেলিফোন আলাপের অডিও গত ২২ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। ওই কথোপকথন ফাঁস হওয়ার পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি পুলিশ মান্নাকে গ্রেফতার করে।

 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র