jugantor
যবিপ্রবিতে শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসী সংঘর্ষ

  যশোর ব্যুরো  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ২০:৪২:৫৪  | 

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) কর্মচারীকে মারধর করায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীর মধ্যে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরে ক্যাম্পাসের আশপাশের ছাত্রবাসেও হামলা করেছে গ্রামবাসী। এতে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে বলে দাবি শিক্ষার্থীদের।
একাধিক শিক্ষার্থী জানান, কয়েকদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী বাদলের ভাই শরীফ দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানী করে। মেয়েটি বুধবার তার বন্ধুদের বিষয়টি জানায়। এরপর মেয়েটির বন্ধুরা প্রতিবাদ করলে শরীফ ক্ষিপ্ত হয়ে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের এক ছাত্রকে মারধর করে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মশিয়ুর রহমান হলের ছাত্ররা সভা করে। এরপর তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী বাদলকে ডেকে আনলে এক পর্যায়ে কথাকাটাকাটি হয়। এসময় শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত বাদলকে মারধর করে। পরে বাদল ফোন করে গ্রামবাসীকে ক্যাম্পাসে ডেকে আনেন।
বাদলের ফোন পেয়ে গ্রামবাসী দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে বিশ্ববিদ্যালেয়র শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় হলের ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী গ্রামবাসীকে প্রতিরোধ করে। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবস্থানে উত্যপ্ত হয়ে ওঠে ক্যাম্পাস। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে।
কোতয়ালি থানার ওসি শিকদার আক্কাছ আলী জানান, কর্মচারী বাদলকে মারধরের জের ধরে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আবদুস সাত্তার বলেন, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে আছে।
 

সাবমিট

যবিপ্রবিতে শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসী সংঘর্ষ

 যশোর ব্যুরো 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০৮:৪২ পিএম  | 

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) কর্মচারীকে মারধর করায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীর মধ্যে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরে ক্যাম্পাসের আশপাশের ছাত্রবাসেও হামলা করেছে গ্রামবাসী। এতে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে বলে দাবি শিক্ষার্থীদের।
একাধিক শিক্ষার্থী জানান, কয়েকদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী বাদলের ভাই শরীফ দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানী করে। মেয়েটি বুধবার তার বন্ধুদের বিষয়টি জানায়। এরপর মেয়েটির বন্ধুরা প্রতিবাদ করলে শরীফ ক্ষিপ্ত হয়ে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের এক ছাত্রকে মারধর করে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মশিয়ুর রহমান হলের ছাত্ররা সভা করে। এরপর তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী বাদলকে ডেকে আনলে এক পর্যায়ে কথাকাটাকাটি হয়। এসময় শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত বাদলকে মারধর করে। পরে বাদল ফোন করে গ্রামবাসীকে ক্যাম্পাসে ডেকে আনেন।
বাদলের ফোন পেয়ে গ্রামবাসী দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে বিশ্ববিদ্যালেয়র শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় হলের ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী গ্রামবাসীকে প্রতিরোধ করে। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবস্থানে উত্যপ্ত হয়ে ওঠে ক্যাম্পাস। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে।
কোতয়ালি থানার ওসি শিকদার আক্কাছ আলী জানান, কর্মচারী বাদলকে মারধরের জের ধরে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আবদুস সাত্তার বলেন, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে আছে।
 

 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র