¦
প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার মূল্যায়ন চাই

| প্রকাশ : ০১ এপ্রিল ২০১৫

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলার দামাল ছেলেরা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বীরবিক্রমে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। দেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনার জন্য অসংখ্য দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধা শাহাদত বরণ করেছেন, সারা জীবনের জন্য পঙ্গুত্ববরণ করেছেন অগণিত মুক্তিযোদ্ধা। রক্ত ও লাশের পাহাড় পেরিয়ে অবশেষে এসেছে স্বাধীনতা। স্বাধীনতা কারও দয়ার দান নয়। লাল-সবুজের পতাকা উপহার দিতে যাদের অবদান অনস্বীকার্য, তারা হলেন দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধা। এখন বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ। বাংলাদেশের জাতীয় দিবসগুলোর অন্যতম একটি ২৬ মার্চ- স্বাধীনতা দিবস। প্রতি বছরের মতো এবারও একাত্তরের ভয়াবহ ও নৃশংস স্মৃতি সামনে রেখে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হবে। কিন্তু যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এ স্বাধীনতা, সেই মুক্তিযোদ্ধাদের কতটুকু খোঁজ রাখি আমরা?
মুক্তিযোদ্ধারা দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোবেসেছিলেন। তাই নিজের জন্মভূমির জন্য জীবন উৎসর্গ করতেও পিছপা হননি। মুক্তিযোদ্ধারা হচ্ছেন জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। মুক্তিযোদ্ধাদের অনেকেই বিভিন্ন সময় হতাশার সুরে বলেন, তাদের দেখার কেউ নেই। এমনও অনেক মুক্তিযোদ্ধা আছেন, যারা এখনও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো মর্যাদা পাননি। অথচ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট জোগাড় করে সরকারি সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন! সন্তানদের চাকরির ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা কোটার সুবিধাও পাচ্ছে তারা। চুয়াল্লিশ বছর পরও যদি নতুন নতুন মুক্তিযোদ্ধা তৈরি হতেই থাকে, তাহলে ৩০ লাখ দেশপ্রেমিক শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার মর্যাদা থাকে কি? কাজেই মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা আর না বাড়িয়ে, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাপারে ভালোভাবে খোঁজখবর নিন এবং তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করুন।
এহসান বিন মুজাহির
শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
[email protected]
দৃষ্টিপাত পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close