¦
স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের হাতে মোবাইল ফোন কেন?

মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী | প্রকাশ : ২৩ ডিসেম্বর ২০১৫

মোবাইল ফোন মানুষের উপকার যেমন করছে, তেমনি অপকারও কম করছে না। আজকাল অনেক অভিভাবক স্কুলগামী ছাত্রছাত্রীদের হাতে মোবাইল ফোন তুলে দিচ্ছেন। এর ফলে অনেক ক্ষেত্রে কোমলমতি ছাত্রছাত্রীরা বিপথে চলে যাচ্ছে। মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট থাকা মানে আরও সর্বনাশ। এতে অনেকেই আজেবাজে অশ্লীল ও পর্নো ছবি দেখে থাকে। আমি জানি, পিতা-মাতা হিসেবে আমাদের করার কিছু নেই। এ ক্ষেত্রে আমরা নিতান্তই অসহায়। যেটার ব্যাপারে বাধা দেয়া হবে, বা দেখতে নিষেধ করা হবে- এ যুগের ছেলেমেয়েরা সেটাই আরও বেশি করে করবে। এ তথ্য-প্রযুক্তির যুগে ছেলেমেয়েদের কোনো কিছু থেকে আটকে রাখা দুষ্কর। অনেক ছেলেমেয়ে রাতভর মোবাইল ফোনে বন্ধু-বান্ধবীর সঙ্গে কথা বলতে থাকে। এ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য দেশের মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
গেণ্ডারিয়া, ঢাকা
ইসলামী সাহিত্যে অবদানের জন্য বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রদান করা হোক
আজিজ ইবনে মুসলিম
বিগত ৩ ডিসেম্বর ছিল বাংলা একাডেমির হীরকজয়ন্তী। ষাট বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালায় উপস্থিত ছিলেন দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। গৌরব ও ঐতিহ্যের ছয় দশক পেরিয়ে বাংলা একাডেমির নতুন অগ্রযাত্রার প্রাক্কালে হৃদয় কন্দরে উঁকি দিচ্ছে আশা-প্রত্যাশার অনেক কথা ও কথকতা। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে একুশে ফেব্রুয়ারি ছাত্র মিছিলে গুলিবর্ষণের ঘটনার ধারাবাহিকতায় বাংলা একাডেমির জন্ম। তবে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর। জন্মলগ্ন থেকে প্রতি বছর ফেব্র“য়ারি মাসের বইমেলা শেষে একটা সময় বেছে নেয়া হয় জাতীয় পুরস্কারের জন্য। দেশের গুণীজনদের কর্মের স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরস্কার দিয়ে থাকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার। এ পর্যন্ত তিনবার এ প্রতিষ্ঠানটি পুরস্কার প্রদানে বিরত থাকে। ১৯৮৫, ১৯৭৩ ও ২০০০ সালে কাউকেই পুরস্কৃত করা হয়নি। বাংলা একাডেমির জন্মলগ্ন থেকে এ পর্যন্ত যেসব গুণীজনকে পুরস্কৃত করেছে, তাদের ভেতর অদ্যাবধি কোনো ইসলামী চিন্তাবিদ বা ইসলামী সাহিত্য রচয়িতা পুরস্কৃত হয়েছেন, এমনটা আমার জানা নেই। জাতীয় পর্যায়ে সম্মাননা জানানোর ক্ষেত্রে ইসলামী সাহিত্য রচনার অবদানকে বিবেচনায় না আনা কতটুকু সমীচীন, তা সবাই অনুধাবন করবেন। প্রসঙ্গত বলতে হয়, মাসিক মদীনা সম্পাদক মাওলানা মুহিউদ্দীন খানের কথা। তার ইসলামবিষয়ক কর্মকাণ্ড বিগত পঞ্চাশ বছরকাল বাংলাদেশ, ভারতসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে সমাদৃত হয়েছে। বাংলা ভাষায় সিরাত সাহিত্য ও ইসলামী সাহিত্যের অগ্রপথিক হিসেবে তার অবদান উল্লেখযোগ্য। ১৫০টিরও অধিক ইসলামী সাহিত্য গ্রন্থ তিনি অনুবাদ ও রচনা করেছেন, যার স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৯ সালের ১৯ মার্চ সিলেটবাসীর পক্ষ থেকে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের জনপ্রিয় মেয়র বদরউদ্দীন আহম্মদ কামরান মাওলানা মুহিউদ্দীন খানের হাতে ‘জালালাবাদ স্বর্ণপদক’ তুলে দেন। তার যে অবদানটি বাংলার ঘরে ঘরে তথা বিশ্বব্যাপী সমাদৃত তা হল, বাংলা ভাষায় তথ্যবহুল তাফসির গ্রন্থ ‘মারেফুল কোরআন’। এর পাশাপাশি সাংবাদিকতার জগতে মাসিক মদীনা পত্রিকা একটি মাইলফলক। মাওলানা মুহিউদ্দীন খানের অবদান নিরপেক্ষভাবে বিচার-বিশ্লেষণের মাধ্যমে বাংলা একাডেমি ও একুশে পদকসহ জাতীয় পুরস্কারের জন্য বিবেচনা করা যেতে পারে।
সাবেক ব্যাংকার, গলাচিপা, পটুয়াখালী
দৃষ্টিপাত পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close