¦

এইমাত্র পাওয়া

  • ময়মনসিংহের গৌরীপুরে চট্টগ্রামগামী বিজয় এক্সপ্রেসে পেট্রল বোমা হামলা, দগ্ধ ১ || গাজীপুর চৌরাস্তায় বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা
এর শেষ কোথায়?

যুগান্তর রিপোর্ট | প্রকাশ : ২১ জানুয়ারি ২০১৫

সোমবার রাতে অবরোধে নাশকতা আর সহিংসতার শিকার আম্বিয়া বেগম মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। অন্যদিকে গতকাল ঢাকায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত জনির মায়ের আহাজারি। জনমনে আজ প্রশ্ন, আর কতদিন এভাবে চলবে

আগুনে পুড়ে মরছে খেটে খাওয়া নিরীহ সাধারণ মানুষ। রেহাই পাচ্ছে না নিষ্পাপ শিশুও। গত ১৬ দিনে দুর্বৃত্তের বুলেট ও পেট্রলবোমা কেড়ে নিয়েছে ২৯টি প্রাণ। দগ্ধ হয়ে ঝলসানো শরীর নিয়ে হাসপাতালে মৃত্যু যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন অসংখ্য নারী-পুরুষ-শিশু। থমকে দাঁড়িয়েছে অর্থনীতির চাকা। প্রায় ভেঙে পড়েছে দেশের পরিবহন ব্যবস্থা। সময় মতো সরবরাহ নিশ্চিত না হওয়ায় পচন ধরেছে কাঁচা পণ্যে। এরপরও বরফ গলছে না দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির। এত কিছুর পরও নিজ অবস্থান থেকে একচুলও নড়ছে না কেউ। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবিতে অনড় বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট। এ দাবি আদায়ে অনির্দিষ্টকাল অবরোধ অব্যাহত রাখার ঘোষণাও দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। মঙ্গলবার রাতে জাতীয় সংসদে দেয়া বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর হওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
কিন্তু পরিস্থিতির যে কোনো উন্নতি হচ্ছে না- তার প্রমাণ অন্ধ মায়ের এক মাত্র সন্তান সোহাগের চলে যাওয়া। এ অবস্থায় হতাশ ও ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। তাদের প্রশ্ন এর শেষ কোথায়? কতটা ধ্বংস হলে পরিস্থিতি শান্ত হবে। আর কতটা লাশ পড়লে দুই পক্ষের সমঝোতা হবে। যুগান্তর সাধারণ মানুষের এই প্রশ্ন নিয়ে কথা বলেছে দেশের গুণী ব্যক্তি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে। তাদের বক্তব্য নিচে তুলে ধরা হল-
অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান : অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান বলেন, আজকে দেশব্যাপী যে তাণ্ডব ঘটছে, যেখানে নর-নারী, শিশু, বৃদ্ধ আক্রমণের শিকার। যেখানে অন্ধ মায়ের একমাত্র ছেলে মারা যাচ্ছে আগুনে পুড়ে। যেখানে কলেজছাত্রী আহত অবস্থায় হাসপাতালে পড়ে কাতরাচ্ছে। যেখানে শ্রমিক, সে চালক হোক, হেলপার হোক, অন্য কোনো শ্রমিক হোক, সে রুটি-রুজি আয় করতে গিয়ে দুর্বৃত্তের হামলার শিকার হচ্ছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাতে চাই। আমরা বলতে চাই যে দেশের অর্থনীতি পঙ্গু করা জনসেবার পথ নয়। আমরা বলতে চাই যে গণনির্যাতন গণআন্দোলনের পথ নয়। আমরা চাই আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা যেন অব্যাহত থাকে। আমরা যেন শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের কাজ করতে পারি।
ড. আকবর আলি খান : তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান যুগান্তরকে বলেন, ‘আমি নতুন করে কোনো বক্তব্য দেব না। কয়েকদিন আগে মিডিয়ায় যে বক্তব্য দিয়েছি, সেটাই আমার বক্তব্য।’ কিন্তু দুই দল তো সমঝোতায় আসছে না! তাহলে পরিস্থিতির শেষ কোথায়- এমন প্রশ্নের জবাবে ড. আকবর আলি খান বলেন, ‘এ পরিস্থিতির শেষ কোথায় তা আমার জানা নেই।’
ব্যারিস্টার রফিক-উল হক : সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক যুগান্তরকে বলেন, মনে হয় এই অবস্থা চলতেই থাকবে। চলতে চলতে দেশটা ধ্বংস হয়ে যাবে। ধ্বংসের পর একটা সমাধানের পথ বের হয়ে আসবে। ভালো থাকতে তো আর কেউ সমঝোতায় বসবে না!
প্রবীণ এই আইনজীবী আরও বলেন, দেশের পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে যাচ্ছে। উভয় রাজনৈতিক দলকে মিলেমিশে সমাধান করা দরকার। পুড়িয়ে মানুষ মেরে, ভাংচুর করে সমস্যার সমাধান হবে না। উভয় দলকে মিলেমিশে সমাধানে এগিয়ে আসতে হবে। কিন্তু মিলেমিশে সমাধানের পথে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা তো নেই। একপক্ষ দেখামাত্র গুলি করার কথা বলছে। অন্যপক্ষ অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ব্যারিস্টার রফিক বলেন, ‘কেউ যদি দেখামাত্র গুলির কথা বলে থাকেন তাহলে সেটি চরম খারাপ কথা। এর চেয়ে খারাপ কথা আর হয় না।’
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী : শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী যুগান্তরকে বলেন, সমঝোতায় এ পরিস্থিতির শেষ হতে পারে। এ সংকট সমাধান প্রশাসনিকভাবে হবে না। করতে হবে রাজনৈতিকভাবে। অবশ্যই ছাড় ও সমঝোতা করতে হবে। তিনি হতাশা প্রকাশ করে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি একটা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো। আমরা দুঃসময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। পরিস্থিতির উন্নয়নে আমরা দু’পক্ষকে উপদেশ দিতে পারি। কিন্তু তারা না শুনলে কি করার আছে। রাজনীতিতে সমঝোতা করতে হয় জনগণের স্বার্থে। এক্ষেত্রে দু’পক্ষের দায় থাকলেও সরকারের দায়িত্ব বেশি। আশা করব উভয়পক্ষ বুঝবে যে, রাজনীতি ক্ষমতার জন্য নয়, জনগণের জন্য। জনগণ তাদের রাজনীতির শিকার হবে না।
কাজী জাফরউল্লাহ : ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ যুগান্তরকে বলেন, এর শেষ তো একটা আছেই। মানুষ শান্তি চায়। নিরাপত্তাহীনতা থেকে মুক্তি চায়। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর আমরা সেটা দিতে পেরেছিলাম। এখন আমরা অপেক্ষা করছি খালেদা জিয়া কি করেন তা দেখার জন্য। তারপরও সহিংসতা বন্ধ না হলে অন্য ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে আমি মনে করি, আস্তে আস্তে সহিংসতা বন্ধ হয়ে যাবে।
লে.জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেছেন, চলমান সংকট নিরসনে ইতিবাচক কিছু দেখছি না। দেশে মর্মান্তিক কিছু মৃত্যু হচ্ছে, মানুষ অঙ্গার হচ্ছে, সহিংসতা হচ্ছে। এগুলো ভালো জিনিস নয়।
তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন একটা আলোচনা। সরকার সংলাপের সে উদ্যোগ নিলে চলমান সংকট সমাধান হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। মাহবুব বলেন, বর্তমানে দু’পক্ষই অনড়। এভাবে অনড় থেকে কোনো সমাধান আসবে না। সংকট নিরসনে সরকারের এগিয়ে আসতে হবে। কিন্তু সরকার মোটেই সেদিকে হাঁটছে না।
মে. জে. (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম : ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বলেন, সরকারই পারে বর্তমান সংকট উত্তরণ করতে। কারণ সরকারের আছে ক্ষমতা। সঙ্গে যোগ করতে হবে সদিচ্ছা। ক্ষমতার সঙ্গে সদিচ্ছা যোগ করলেই সংকট সমাধান সম্ভব। কারণ এ সংকট উত্তরণে সরকারই দায়ী। তারা একটি নির্বাচন দিয়ে জোর করে ক্ষমতায় বসে আছে। যদি সব দলের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠুু নির্বাচন দিত তাহলে তো এ অবস্থার সৃষ্টি হতো না। দাবি আদায়ে আমরা অবরোধ করে যাচ্ছি। কিন্তু দেখছেন না, অবরোধের সুযোগে কত লোক যে কত কিছু করে ফেলছে।
তিনি বলেন, বিরোধী দল রাজপথে সভা-সমাবেশ করতে চাইলেই বলা হচ্ছে নাশকতা হবে। কিন্তু তারা যে এয়ারকন্ডিশন রুমে বসে সংকট সব করে ফেলছে। সংবিধান থেকে গণভোট ওঠিয়ে দেয়া হয়েছে। আজ সংবিধানে গণভোটের বিধান থাকলে সংকট নিরসনে কি করা উচিত তা জনগণের সিদ্ধান্তের ওপর ছেড়ে দেয়া যেত। কিন্তু সরকার সেই সুযোগটাও কেড়ে নিয়েছে।
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম : বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম যুগান্তরকে বলেন, দু’পক্ষই উগ্র পথ গ্রহণ করছে। সেটার পরিণতিতে সহিংস সন্ত্রাস বেড়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে রাষ্ট্রের নিপীড়নমূলক কার্যক্রম বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব ঘটনার প্রধান শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ, তাদের জীবন, জানমাল, দেশের স্বার্থ- সর্বপোরী গণতান্ত্রিক অধিকার।’
তিনি বলেন, দু’পক্ষই পরস্পরকে ‘হনন’ করার হুংকার দিচ্ছে। কিন্তু এ ‘হননের’ হুংকার যে দেশ ও জনগণকে ধ্বংস করবে এবং উভয় শক্তির জন্য আত্মহননের কারণ হয়ে উঠবে, সেই সহজ সত্যটি তাদের নেতারা উপলব্ধি করছে না। ইতিহাস থেকে তারা শিক্ষা নেয় না- এটাই ইতিহাস হচ্ছে।
মাহমুদুর রহমান মান্না : নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না যুগান্তরকে বলেন, রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান রাজনৈতিকভাবে হওয়া উচিত। আর সরকার চাইলে আরও একটা উপায় হতে পারে, সেটা দমননীতি চালিয়ে দমন করতে পারে। তবে এই পরিস্থিতিতে সহিংসতা বন্ধের জন্য রাজনৈতিক প্রক্রিয়া থাকা দরকার। আর সরকারের তরফ থেকেই উদ্যোগ নিতে হবে। যেটা জাতির জন্য সম্মানজনক হবে।
অধ্যাপক ড. আমেনা মোহসিন : রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. আমেনা মোহসিন উদ্বেগ প্রকাশ করে যুগান্তরকে বলেন, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে মনে হচ্ছে দেশ সংঘাতের দিকে যাচ্ছে। এটা গণতন্ত্রের প্রতি হুমকিস্বরূপ। তিনি বলেন, এটা আইনশৃংখলার সমস্যা নয়, রাজনৈতিক সমস্যা। তাই আইনশৃংখলা বাহিনীর মাধ্যমে না এগিয়ে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে রাজনৈতিকভাবেই এই সংকটের সমাধান করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। তিনি দু’পক্ষকেই সহনশীল হওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন, আজও আড়াই বছরের একটি বাচ্চা পুড়ে গেল। মানুষের কোনো নিরাপত্তা নেই। মানুষের মধ্যে চরম ভীতি কাজ করছে। এভাবে আর কতদিন! এভাবে দেশ চলতে পারে না। এটা কেউই মেনে নেবে না। এভাবে ভীতি সৃষ্টি করে কোনো রাজনৈতিক দলই চলতে পারবে না।
কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ : ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, পরিস্থিতি শেষের দিকে। আশা করি কিছু একটা হবে। কী হয় সেটা দেখার বিষয়। তবে রাজনীতিবিদদের বলছি, দেশ কতটুকু শেষ করে পরিস্থিতির অবসান করতে চান তা পরিষ্কার করতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। আমাদের বুঝে আসে না, অর্থনীতি ধ্বংস হলে রাজনীতিবিদরা কী নিয়ে রাজনীতি করবেন। তিনি বলেন, এর আগে আমরা দুই নেত্রীকে বসানোর উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু কেউ সাড়া দেয়নি। আর নতুন করে কোনো উদ্যোগ নয়। তবে কোনো দলের পক্ষ থেকে আহ্বান পেলে আমরা উদ্যোগ নেব।
আতিকুল ইসলাম : গার্মেন্ট মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি আতিকুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, আজ যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, দেশের হাজার মানুষের মতো আমারও প্রশ্ন এর শেষ কোথায়? এর শেষটুকু রাজনীতিবিদরাই বলতে পারবেন। তবে আমি এতকুটু বলতে পারি, দেশ অনেক পিছিয়ে গেছে। তিনি বলেন, গার্মেন্ট খাতে আমাদের যে অর্জন, তা বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পেয়েছে। কিন্তু রাজনৈতিক সহিংসতায় প্রতি দিনই আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি। তিনি বলেন, আমাদের বিদেশী ক্রেতারা ফিরে যাচ্ছে। এক পর্যায়ে তারা অর্ডার বন্ধ করে দেবে। ফলে রাজনীতিবিদদের অনুরোধ করছি, গার্মেন্ট খাতে বিপর্যয় এলে এর ভার বহনের সক্ষমতা কারও নেই। তিনি বলেন, এখনও সময় আছে, আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করতে হবে।
এসএ কাদের কিরণ : বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি এসএ কাদের কিরণ যুগান্তরকে বলেন, পরিস্থিতির শেষ কোথায় আমরা বলতে পারি না। তবে আমরা কিছু সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছি। আগামী শুক্রবার আমাদের কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকের জন্য কয়েকটি প্রস্তাব এসেছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ প্রস্তাব এসেছে, সারা দেশের কাঁচাবাজারসহ সব দোকান ৩ দিনের জন্য বন্ধ করে দেয়া। তবে এর আগে কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ীদের হাতে যে পরিমাণ পণ্য মজুদ আছে, তা বিক্রি করতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের সংগঠনের আওতায় ২৬ লাখ দোকান রয়েছে। ফলে বন্ধ হলে এর ব্যাপক প্রভাব পড়বে। এছাড়াও প্রস্তাব রয়েছে, বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে অবস্থান এবং দুই নেত্রীর সঙ্গে দেখা করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার আহ্বান জানানো। তিনি আরও বলেন, দুই নেত্রী যা শুরু করেছেন, তা গ্রহণযোগ্য নয়। একজন আরেক জনকে সমাবেশ করতে না দিয়ে ইট-বালি দিয়ে আটকাবেন এটি আমরা পছন্দ করি না। তবে তার চেয়েও বেশি অপছন্দ করি পেট্রলবোমা দিয়ে মানুষ পোড়ানো। তিনি প্রশ্ন উত্থাপন করে বলেন, ক্ষমতা থাকলে সরকারি গাড়ি পোড়ান। আমাদের ওপর আক্রমণ কেন?
 

প্রথম পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close