¦

এইমাত্র পাওয়া

  • ফেনীর কালিপাল এলাকায় পেট্রোল বোমা হামলায় অটোরিকশা যাত্রী দগ্ধ, ঢাকা মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে || ময়মনসিংহের নান্দাইল পৌর ছাত্রদল নেতা আশিক পারভেজ টোকনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা || নাটোরের চাঁনপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২
যৌথ অভিযানেও চলছে সহিংসতা

মোয়াজ্জেম হোসেন নান্নু ও আলাউদ্দিন আরিফ | প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি ২০১৫

যৌথ অভিযানেও থামছে না সহিংসতা। প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটছে সহিংসতা। অগ্নিদগ্ধ হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। যানবাহনে আগুন ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটছে অহরহ। হামলাকারীদের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না পুলিশের যানবাহনও। পুলিশের বহরে থাকা যানবাহনেও হামলার ঘটনা ঘটছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের স্পর্শকাতর ২৯ জেলায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেফতারের হাত থেকে বাঁচতে পালিয়ে বেড়াচ্ছে অপরাধীরা। কিন্তু এরপরও চোরাগোপ্তা হামলা কমছে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলেছে, গত ২২ দিনে সারা দেশে চলমান অবরোধ-সহিংসতায় এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৩৮ জন। আহত হয়েছেন প্রায় ২ হাজার সাধারণ মানুষ। এছাড়া সহিংসতায় পুলিশের ৩০ সদস্যও আহত হন। এ সময় ভাংচুর চালানো হয়েছে প্রায় ৫শ’ যানবাহন। আর অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে ৩০১টিতে। নাশকতার সঙ্গে জড়িত প্রায় ১৩ হাজার ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
দেশের স্পর্শকাতর জেলাগুলোতে পুলিশের ওপর হামলা ও যানবাহনে নাশকতার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। এরপরও ভিন্ন কৌশলে এগোচ্ছে বিএনপি এবং জামায়াত-শিবির কর্মীরা। তারা আইন-শৃংখলা বাহিনীকে ফাঁকি দিয়ে কৌশলে যানবাহনে অগ্নিসংযোগ ও চোরাগোপ্তা হামলা চালাচ্ছে। অনেক স্থানে যৌথ বাহিনীর অভিযানে জামায়াত-শিবির কিংবা বিএনপি নেতাকর্মীরা গ্রেফতার হলেও আওয়ামী লীগ নেতারাই আবার ছাড়িয়ে আনছেন। বগুড়ায় সরকারি চার আইনজীবী গ্রেফতারকৃত অবরোধকারীদের জামিন পাওয়ার ক্ষেত্রে সহায়তা দিয়েছেন। এজন্য চার আইনজীবীকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। রাজশাহীতে শিবির একের পর এক প্রকাশ্য হামলার পরও তারা গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে নগরবাসীর মধ্যে। আইন-শৃংখলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সচেতন মহলে। ভুক্তভোগী অনেকেই বলছেন, রাজশাহীতে শিবিরের সন্ত্রাসী হামলা প্রতিরোধে পুলিশের দক্ষতার পাশাপাশি আন্তরিকতারও ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) কমিশনার মো. শামসুদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, সন্ত্রাসী ধরছে কে? পুলিশই তো সব করে। পুলিশ হামলাকারীদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছে। পুলিশের আন্তরিকতার কোনো অভাব নেই।
পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ৫ জানুয়ারি অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণার পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২৯টি জেলায় যৌথ অভিযান চলছে। এর মধ্যে স্পর্শকাতর ২০ জেলায় যৌথ অভিযানে বিজিবি অংশ নিচ্ছে। বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, বগুড়া, গাইবান্ধা ও লক্ষ্মীপুর জেলায় বিজিবি যৌথ অভিযানে অংশ নিচ্ছে। এর বাইরের অঞ্চলের আওতাভুক্ত এলাকাগুলোতে আঞ্চলিক কমান্ডার ও ব্যাটালিয়ন কমান্ডারদের তত্ত্বাবধানে বিজিবি যৌথ অভিযানে অংশ নিচ্ছে। তিনি আরও বলেন- রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও রংপুরে উত্তর-পূর্ব অঞ্চল থেকে এ অভিযানে অংশ নিচ্ছে। সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া কিংবা কক্সবাজারে সংশ্লিষ্ট ব্যাটালিয়ন থেকে স্থানীয় সিভিল প্রশাসনের চাহিদা অনুযায়ী বিজিবি সদস্যরা যাচ্ছেন। তিনি আরও জানান, অভ্যন্তরীণ আইন-শৃংখলার উন্নয়নে স্থানীয় প্রশাসনকে সহযোগিতা করার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক বিজিবি প্রস্তুত আছে। তাদের টহলও অব্যাহত আছে।
গত তিনদিন ধরে ঢাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে। ২৩ জানুয়ারি রাতে ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায় বাসে পেট্রলবোমা হামলার পর এ অভিযান শুরু হয়। যাত্রাবাড়ী, ডেমরা ও কদমতলী এলাকায় যৌথ অভিযান চালানো হয়। অভিযানের প্রথম দিন ৩০ জন, দ্বিতীয় দিন ২২ জন ও মঙ্গলবার ৩১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
৪ জানুয়ারি থেকে ২০ দলীয় জোটের ডাকে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ চলছে। টানা ২২ দিনের অবরোধে পেট্রলবোমা, ককটেল ও আগুনে পুড়ে হতাহত হয়েছেন বহু মানুষ। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী নিহত হয়েছেন ৩৮ জন। এর মধ্যে পেট্রলবোমা ও আগুনে ১৯ জন, সংঘর্ষে ১০ জন ও অন্যান্য ৩ জন। যানবাহনে আগুন-ভাংচুর হয়েছে ৭৭০টিতে। রেলে নাশকতা হয়েছে ৫ দফায়। অবরোধ চলাকালে বিজিবির পাহারার মধ্যেই চাঁপাইনবাবগঞ্জে কয়েক দফায় গাড়িতে আগুন দেয়া হয়। ২৩ জানুয়ারি রাতে ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায় বাসে পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করলে দগ্ধ হয় ২৯ জন। ১৮ জানুয়ারি সংসদ ভবন সংলগ্ন খেজুর বাগান এলাকায় যাত্রীবাহী বাসে আগুনে ইডেন কলেজের দুই ছাত্রী দগ্ধ ও আরও দুই ছাত্রী আহত হয়। একই দিন মৎস্য ভবনের কাছে পুলিশবাহী একটি বাসে পেট্রলবোমায় দুই পুলিশ দগ্ধসহ আহত হন ১৩ জন। ওই দিনই মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ এলাকায় বাসে পেট্রলবোমা হামলায় দগ্ধ হন ৯ জন। ১৪ জানুয়ারি রংপুরের মিঠাপুকুরে বিজিবির পাহারায় থাকা যাত্রীবাহী বাসে পেট্রলবোমায় পুড়ে মারা যান ৫ জন। আহত হন আরও অনেকে। ২০ জানুয়ারি রাজশাহীতে পুলিশের পাহারায় থাকা বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। রাজধানী ঢাকা ও ঢাকার বাইরে বাস-ট্রাক, কার্ভার্ডভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহনে আগুন পেট্রলবোমা ও দেশজুড়ে মুহুর্মুহু ককটেল নিক্ষেপের ঘটনা চারদিকে সৃষ্টি হয়েছে আতংক। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিরা চলমান নাশকতা ও সহিংসতার বিরুদ্ধে কয়েক দফায় কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন। এর মধ্যেও আক্রান্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি সদস্যরাও।
রাজশাহী থেকে আনু মোস্তফা জানান, আইন-শৃংখলা বাহিনীর কঠোর পাহারার মধ্যেই রাজশাহী মহানগরীর ব্যস্ততম সড়ক দড়িখড়বনায় একের পর এক যানবাহনে কমান্ডো হামলা চালায় শিবির। ২২ জানুয়ারি শিবির ক্যাডারদের বোমা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় ১৫টি পণ্যবাহী যান। ২০ থেকে ২৫টি হাতমোবা মেরে শিবির ক্যাডাররা নিরাপদেই স্থান ত্যাগ করে। দুর্ধর্ষ এই হামলার পর কেটে গেছে পাঁচদিন। হামলাকারীদের ভিডিও প্রকাশের পর এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার হয়নি কেউ।
প্রত্যক্ষদর্শী (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) যুগান্তরকে বলেন, শিবিরের এই হামলা ছিল পুলিশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। সশস্ত্র শিবির ক্যাডাররা এভাবেই প্রতিদিনই নগরীর কোনো না কোনো জনাকীর্ণ এলাকা ও যানবাহনে হামলা, আগুন দিয়ে নিরাপদে চলে যাচ্ছে। জড়িতরা গ্রেফতার হয় না। শিবিরের একের পর এক প্রকাশ্য হামলার পরও তারা গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে নগরবাসীর মধ্যে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সচেতন মহলে। ভুক্তভোগী অনেকেই বলছেন, রাজশাহীতে শিবিরের সন্ত্রাসী হামলা প্রতিরোধে পুলিশের দক্ষতার পাশাপাশি আন্তরিকতারও ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। জানতে চাইলে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) কমিশনার মো. শামসুদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, সন্ত্রাসী ধরছে কে? পুলিশই তো সব করে। পুলিশ হামলাকারীদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছে। পুলিশের আন্তরিকতার কোনো অভাব নেই।
এদিকে ২২ জানুয়ারির শিবিরের এই দুধর্ষ হামলার ভিডিও দৃশ্য প্রকাশের পর শুরু হয় তোলপাড়। এই হামলার নেতৃত্বদানকারী দুধর্ষ শিবির ক্যাডার জোহার নাম মামলায় নেই জানতে পেরে অনেকেই বিস্মিত হয়েছেন। জোহা রাজশাহী কলেজ শাখা শিবিরের সভাপতি। ভিডিওতে দেখা গেছে, রাজশাহী মহানগর শাখা শিবিরের আরেক নেতা হাবিবুর ট্রাকে বোমা মারছে। ভুক্তভোগী একজন অভিভাবক বলেন, অভিযানের নামে রাতভর বিভিন্ন ছাত্রাবাস ও সড়কে চলাচলকারী নিরীহ মানুষকে ধরে নিয়ে কারাগারে পাঠাচ্ছে। প্রতিদিন সকাল হলেই শত শত মানুষ নগরীর বোয়ারিয়া ও রাজপাড়া থানার প্রধান ফটকে ভিড় করছে স্বজনদের ছাড়াতে। দালাল আর পুলিশকে টাকা দিয়ে ছাড়িয়ে নিচ্ছেন স্বজনদের। এই বাছ-বিচারহীন গ্রেফতারে নগরীর সাধারণ মানুষ পুলিশের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।
২১ জানুয়ারি বিকেলে কাশিয়াডাঙ্গায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাহারায় আসা গাড়ি বহরে পেট্টলবোমা হামলা করে শিবির। এর আগে ২০ জানুয়ারি নগরীর রেশম ভবনের সামনে ঢাকাগামী একটি বাসে বাসে পেট্টলবোমায় দগ্ধ হয় নারীসহ তিনজন। ১৯ জানুয়ারি নগরীর কাপাসিয়ায় একটি ট্রাক জালিয়ে দেওয়া হয়। ১৬ জানুয়ারি রাজশাহীর তানোরের মন্ডুমালায় একটি যাত্রীবাহী বাসে বোমা হামলা চালায় শিবির। ১৫ জানুয়ারি রাজশাহীর চারঘাট পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে প্রতিমন্ত্রীর সামনে ককটেল ছুড়ে মারে সন্ত্রাসীরা। ১৪ জানুয়ারি নগরভবন এলাকায় পুলিশকে লক্ষ করে ককটেল হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা । ১৩ জানুয়ারি সন্ধ্যার পর নগরীর সিটি কলেজের সামনে পুলিশকে লক্ষু করে ককটেল হামলা চালায় শিবির কর্মীরা। একইদিনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন কাজলায় ভটভটিতে অগ্নিসংযোগ করে শিবির। ওইদিন প্রায় একই সময়ে চারঘাটে ট্রাকে ককটেল মেরে ট্রাকটি জালিয়ে দেয় শিবির। ১২ জানুয়ারি নগরীর খড়খড়ি বাইপাস ও বিমানবন্দর এলাকায় দু’টি পণ্যবাহী ট্রাকে আগুন দেয় জামায়াত-শিবির কর্মীরা। ১১ জানুয়ারি পুঠিয়ায় পুলিশের গাড়িতে ককটেল নিক্ষেপ করে অবরোধকারীরা। ১০ জানুয়ারি চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাহারায় আমদানিকৃত পণ্য বোঝাই ১১টি ট্রাকে ককটেল ও পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে তারা। ৬ জানুয়ারি নগরীর আলিফ লাম মিম ভাটার মোড় এলাকায় রাইফেল কেড়ে নিয়ে পুলিশ সদস্যদের বেধড়ক পেটায় ছাত্রশিবির কর্মীরা। ভাঙচুর করে পুলিশের পিকআপ ভ্যান। এতে পুলিশের চারজন সদস্য আহত হন। এছাড়া নগরীর হেতেমখাঁ এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ছাত্রদলকর্মীদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় ছাত্রদলকর্মীরা পুলিশের গাড়িতে ককটেল হামলা চালায়।
বগুড়া ব্যুরো : বগুড়ায় বিস্ফোরক মামলার আসামি নিশিন্দারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সদর থানা বিএনপির সহসভাপতি শহিদুল ইসলাম সরকারকে জামিনে সহায়তা করায় সরকার সমর্থিত একজন অতিরিক্ত পিপি ও তিন এপিপিকে অন্য আদালতে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে। এছাড়া সোমবার সন্ধ্যায় আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিতে এদের মধ্যে দু’জনকে সাতদিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ করা হয়েছে। সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ওই চার আইনজীবী হলেন- অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের অতিরিক্ত পিপি জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন নবাব, একই কোর্টের এপিপি জেলা জাপার সদস্য সাথী হান্নান, এপিপি বজলুর রহমান ও আরিফুর রহমান দুখু। এদের মধ্যে নবাব ও হান্নানকে আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ থেকে শোকজ করা হয়েছে।
১৭ জানুয়ারি ২০ দলীয় জোটের অবরোধ চলাকালে শহরতলির মাটিডালি এলাকায় পিকেটাররা পুলিশকে লক্ষ্য করে দু’দফা ককটেল হামলা চালায়। স্পি­ন্টারের আঘাতে শাহীন নামে এক কনস্টেবল আহত হন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিশিন্দারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সদর থানা বিএনপির সহসভাপতি শহিদুল ইসলাম সরকারসহ ১০ জনকে গ্রেফতার করে। এ ব্যাপারে সদর থানায় মামলা হয়। এদের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করলে অতিরিক্ত পিপি ও এপিপিদের সহায়তায় বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের মামলার (নং-৪৪/১৫) আসামি বিএনপি নেতা শহিদুল ইসলাম সরকার জামিন লাভ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের নেতাকর্মীদের মাঝে প্রচণ্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সোমবার সন্ধ্যায় পরিষদের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উল্লিখিত সরকারি কৌঁসুলিদের বিরুদ্ধে নাশকতা মামলার আসামি শহিদুল ইসলাম সরকারসহ বিভিন্ন সময়ে জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মীদের জামিনে সহযোগিতার প্রমাণ পাওয়া যায়। তাই সর্বসম্মতিতে অতিরিক্ত পিপি নবাব, এপিপি সাথী হান্নান, বজলুর ও দুখকে ওই আদালত থেকে সরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ ব্যাপারে পিপির কাছে লিখিত সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া পরিষদ থেকে সাতদিনের মধ্যে জবাব দিতে নবাব ও হান্নানকে নোটিশ করা হয়। সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
 

প্রথম পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close