¦
মাদক নিয়ন্ত্রণের নামে চড়া ঘুষের রেট

তোহুর আহমদ | প্রকাশ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর। মাদক নির্মূল ও নিয়ন্ত্রণের কাজে নিয়োজিত একমাত্র বিশেষায়িত সরকারি প্রতিষ্ঠান। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এই প্রতিষ্ঠানের একমাত্র কাজই হচ্ছে মাদকের ছোবল থেকে জাতিকে রক্ষা করা। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, অবৈধ মাদকের আখড়াগুলো চলছে নির্বিঘ্নে। আর আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের একশ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তা। অভিযোগ রয়েছে, মোটা অংকের মাসোয়ারা নিয়ে তারা অবৈধ মাদক ব্যবসা চালাতে সহায়তা করছেন। ফলে অবৈধ বিদেশী মদ-বিয়ারের ব্যবসা যেমন জমে উঠেছে, তেমনি দিন দিন এর বিস্তার ঘটছে। ক্ষেত্র বিশেষে নিজেরাও জড়িয়ে পড়ছেন মাদক ব্যবসায়। এমনকি অনেক ক্যাডার কর্মকর্তাও এসব মাদক ব্যবসার আড়ালে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। দিনের বেলার রাশভারি কর্মকর্তা রাতে মদ ও নাচের আসরে নিজেকে ভিন্ন জগতের মানুষ হিসেবে আবিষ্কার করেন।
যুগান্তরের দীর্ঘ অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের অসাধু কর্মকর্তাদের ঘুষ আদায়ের নানা কৌশল ও ঘুষের রেট চিত্র, যা অনেকটাই প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেতে বসেছে। ফলে একদিকে যেমন অবৈধ বিদেশী মদ-বিয়ারের ব্যবসা বন্ধে সরকারি উদ্যোগ কাজে আসছে না। তেমনি তরুণ সমাজও কোনোভাবেই মাদকের ভয়াল ঝুঁকি থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না।
প্রাতিষ্ঠানিক ঘুষ বাণিজ্য : ঢাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের ১৪টি সার্কেল রয়েছে। এসব সার্কেল নিয়ে ঢাকা মেট্রো উপ-অঞ্চল গঠিত। উপ-পরিচালক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা হলেন দফতর প্রধান। তার অধীনে কাজ করেন দুজন সহকারী পরিচালক। মাঠ পর্যায়ে টিম লিডার হিসেবে সার্কেলগুলোতে দায়িত্ব পালন করেন ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার কর্মকর্তারা। এসব কর্মকর্তার দায়িত্ব হচ্ছে মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ নিয়মিত পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম চালানো। কিন্তু এই ১৪টি সার্কেলের বেশিরভাগ কর্মকর্তা মদ ও মদ জাতীয় পণ্য বিক্রির সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়মিত মাসোয়ারা আদায় করছেন। গুলশান এলাকার একজন বার মালিক যুগান্তরকে বলেন, ঢাকা মেট্রো উপ-অঞ্চলের উপ-পরিচালক, সহকারী পরিচালক থেকে সিপাই পর্যন্ত কর্মকর্তাদের ঘুষের রেট নির্ধারিত। তিনি বলেন, ঢাকা মেট্রো উপ-অঞ্চলের উপ-পরিচালক (ডিডি মেট্রো) শুধু প্রতিটি বার থেকে ৫ হাজার টাকা করে আদায় করেন। সহকারী পরিচালকরা (এডি মেট্রো- ২ জন) জনপ্রতি পান ৩ হাজার টাকা। এছাড়া উপ-পরিচালক গোয়েন্দাকে (ডিডি গোয়েন্দা) প্রতিটি বার থেকে দিতে হয় ৫ হাজার টাকা। ঢাকা মেট্রোর বাইরে ঢাকা বিভাগ থেকেও ডিডি গোয়েন্দার নামে মাসোয়ারা আসে। এছাড়া ঢাকা অঞ্চলের বাংলা মদের দোকানগুলো থেকেও ঢাকা গোয়েন্দা অফিসে ঘুষ আসে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র।
এছাড়া প্রতিটি বৈধ মদের বার থেকে ইন্সপেক্টরদের নির্ধারিত ঘুষের রেট ৬ হাজার টাকা। এসআই (উপ-পরিদর্শক) নেন ৩ হাজার। একইভাবে এএসআইর নির্ধারিত রেট ২ হাজার এবং প্রতিজন সিপাইকে দিতে হয় ৫০০ টাকা করে। নারকোটিক্সের (মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর) একজন কর্মকর্তা যুগান্তরকে জানান, মোটা অংকের ঘুষের কারণে ঢাকা মেট্রো ও গোয়েন্দা অঞ্চলের উপ-পরিচালকের পদটি অত্যন্ত লোভনীয়। এ দুটি পদে নিয়োগ পেতে বিপুল অংকের টাকা খরচ করতে হয়। তিনি জানান, ঘুষ আদায়ের এই প্রক্রিয়াটি অনেকটাই প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। কর্মকর্তা পরিবর্তন হলেও ঘুষের রেটের পরিবর্তন হয় না।
সম্প্রতি নারকোটিক্সের একজন কর্মকর্তা এই ঘুষ আদায় প্রক্রিয়ার আদ্যোপান্ত যুগান্তরের কাছে ফাঁস করে দেন। যার ভিডিও চিত্র প্রতিবেদকের হাতে রয়েছে। তিনি বলেন, ঢাকার সব মদের বার, ডিপ্লোম্যটিক বন্ডেড ওয়্যার হাউসসহ সব মদের দোকান থেকে মেট্রো উপ-অঞ্চলের কর্মকর্তাদের জন্য নির্ধারিত মাসোয়ারা সংশ্লিষ্ট সার্কেলের ইন্সপেক্টররা আদায় করেন। এভাবে ১৪টি সার্কেল থেকে আদায় করা ঘুষের টাকা জমা করে মাসের কোনো একটি নির্ধারিত তারিখে নিজেদের মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা করা হয়। মেট্রো উপ-অঞ্চলের সহকারী পরিচালকের (উত্তর) জন্য ঢাকা উত্তর এলাকায় অবস্থিত প্রতিটি মদের বার থেকে আদায় করা হয় ৫ হাজার টাকা করে। আর ঢাকা দক্ষিণের সহকারী পরিচালক এ এলাকার প্রতিটি বার থেকে নেন ৩ হাজার টাকা। একইভাবে ঢাকা দক্ষিণের সহকারী পরিচালক তার এলাকা থেকে আদায় করেন ৫ হাজার টাকা করে। আর উত্তরের সহকারী পরিচালকের নির্ধারিত রেট ৩ হাজার টাকা। এছাড়া সংশ্লিষ্ট সার্কেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইন্সপেক্টরদের বাইরে অন্য এলাকা থেকেও ইন্সপেক্টর, এসআই, এএসআই ও সিপাইরা ঘুষ আদায় করেন। এক্ষেত্রে শুধু বৈধ মদের বার থেকেই প্রতিটি সার্কেল ইন্সপেক্টরদের ১ হাজার টাকা, এসআইদের ৫০০ ও এএসআইদের ৩০০ ও সিপাইদের ১০০ টাকা করে ঘুষ দিতে হয়।
রাজধানীর রমনা এলাকার একজন বার মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুগান্তরকে বলেন, ঘুষ না দিয়ে কোনো মালিকের পক্ষে বার চালানো সম্ভব নয়। কারণ এ বিষয়ে একাধিকবার নারকোটিক্সের শীর্ষ পর্যায়ে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। তাই ঘুষ বাবদ এই খরচকে তারা বারের স্থায়ী খরচ হিসাবেই ধরে নিয়েছেন। এজন্য মদের দাম একটু বেশি রাখা হয়।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, মদের বারসহ অবৈধ মদের দোকানগুলোর অনিয়ম দেখেও না দেখার ভান করার শর্ত হিসেবে এই ঘুষ আদায় করা হয়। যেমন অধিকাংশ মদের বারে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে পারমিটবিহীন ব্যক্তিদের কাছে মদ বিক্রি করা হয়। এছাড়া লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করে বিদেশী মদ বিক্রি, বারকেন্দ্রিক নাচ-গানের আসর, ডিসকো ও ডিজে পার্টির আয়োজন হয়। নারকোটিক্সের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘুষ নিয়ে এসব অনিয়মের বিষয়ে নীরব থাকেন। অথচ এসব অনিয়মের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া তাদের সরকারি দায়িত্ব।
অবৈধ ক্লাবে মদের আখড়া : তবে শুধু বৈধ বার, ডিপ্লোম্যাটিক বন্ডেড ওয়্যার হাউস বা মদের দোকানগুলো থেকেই নারকোটিক্স কর্মকর্তারা ঘুষ আদায় করেন এমন নয়। যুগান্তরের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে রাজধানীতে শত শত অবৈধ মাদক আখড়া চলছে নারকোটিক্সের একশ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তার আশীর্বাদে। এসব বড় বড় মদের আখড়া থেকেও নারকোটিক্স কর্মকর্তারা মোটা অংকের মাসোয়ারা আদায় করেন। এ তথ্যের প্রমাণ হিসেবে যুগান্তরের অনুসন্ধান সেল রাজধানীর উত্তরা এলাকার দুটি মদের আখড়া নজরদারির মধ্যে নিয়ে আসে। এর একটি উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরের ১৪ নম্বর রোডের ২১ নম্বর বাড়ি (তামান্না ভিলা)। নাম ঢাকা রয়্যাল ক্লাব লিমিটেড। ২৭ জানুয়ারি পরিচয় গোপন করে যুগান্তরের অনুসন্ধান সেল হাজির হয় এই ক্লাবে। দেখা যায়, ভবনের ৪ তলায় রয়েছে সুদৃশ্য বার। মদ পানের টেবিল-চেয়ার সাজানো। ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসে গ্রাহকরা মদ পান করছেন। ক্লাবের ম্যানেজার শামীমের কক্ষে গিয়ে দেখা যায়, তিনি মদ ও বিয়ার সরবরাহের তালিকা তৈরি করছেন। তার কক্ষে উপস্থিত একজন মদের পাইকারি ডিলারকে বিপুল পরিমাণ বিয়ার সরবরাহের অর্ডারও দেন তিনি। ক্লাবের কর্মীরা জানান, এই ক্লাবে নিরাপদে মদ পান করার সুযোগ রয়েছে। এখানে কখনোই পুলিশ বা নারকোটিক্সের কর্মকর্তারা ঝামেলা করতে আসেন না। নিরাপদে মদ পান করার সুযোগ থাকায় এই ক্লাবের সদস্যপদ বিক্রি করা হয় অতি উচ্চমূল্যে। অখ্যাত এই ক্লাবের প্রতিটি সদস্যপদ বাবদ নেয়া হয় ৭ লাখ টাকা। আর এর সদস্য হয়েছেন সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার উচ্চবিত্তরা। এমনকি বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ক্যাডার কর্মকর্তা ও রাজনীতিবিদও এ ক্লাবের সদস্য। বার লাইসেন্স না থাকলেও কিভাবে মদ বিক্রি করা হচ্ছে তা জানতে চাইলে ক্লাবের সদস্য প্রশাসন মোহাম্মদ মামুন সরকার বলেন, ক্লাবে কোনো ধরনের মদ-বিয়ার বিক্রি করা হয় না। তবে বার লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা হয়েছে। লাইসেন্স পেলে শুধু সদস্যদের মধ্যেই মদ সরবরাহ করা হবে।
উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের ৯ নম্বর রোডের ১৩ নম্বর বাড়িটি আরেকটি অবৈধ মদের আখড়া। এর নাম বাংলাদেশ ক্লাব লিমিটেড। দীর্ঘদিন ধরেই এখানে অবৈধ বিদেশী মদ-বিয়ার বিক্রি করা হচ্ছে। নিরাপদে বিদেশী মদ পানের লোভে সন্ধ্যা নামতেই এই ক্লাবে রীতিমতো ভিড় লেগে যায়। দামি গাড়িতে চড়ে এখানে হাজির হন অনেকেই। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, মদ পানের এমন জমজমাট আসর থাকায় এলাকার তরুণ সমাজের মধ্যে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ক্লাবের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা ক্লাবের পক্ষে নানা সাফাই গাইলেও নাম প্রকাশ করে কেউ বক্তব্য দিতে রাজি হননি। ক্লাবের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা দাবি করেন, ক্লাবের মাধ্যমে তারা নানা ধরনের সমাজসেবামূলক কাজ করছেন। ক্লাবের ম্যানেজার আনোয়ার হুসেন ভূঁইয়া যুগান্তরকে বলেন, ক্লাবের পক্ষ থেকে বার লাইসেন্স চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অনাপত্তিপত্রও পাওয়া গেছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক একজন উপসচিব (বর্তমানে যুগ্ম সচিব) এই ক্লাবের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক। এই সূত্র ধরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরে কর্মরত যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা ক্লাবটিকে রীতিমতো আগলে রেখেছেন।
তবে শুধু রয়্যাল ক্লাব বা বাংলাদেশ ক্লাবই নয়, রাজধানীতে ক্লাবের নামে অন্তত অর্ধশতাধিক মদের আখড়া এভাবেই নানা শক্ত খুঁটি ধরে চলছে প্রকাশ্যে। নারকোটিক্সের একশ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তার ঘুষ বাণিজ্যের কারণে এসব স্থানে রাতভর জমজমাট মদের আসর চলছে নিয়মিত। অনুসন্ধানে জানা গেছে, গুলশানের ইন্টারন্যাশনাল ক্লাব, বাঘা ক্লাব, ক্যাপিটাল ক্লাব, বনানী ক্লাব, রয়েল ক্লাব, ধানমণ্ডি ক্লাবসহ রাজধানীর মতিঝিল এলাকার ১০-১২টি ক্লাবও সরকারি দলের একাধিক প্রভাবশালী নেতা বা উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের নাম ভাঙিয়ে চলছে। এছাড়া রাজধানীর বেশিরভাগ কোরিয়ান রেস্তোরাঁয় অবৈধ মদ-বিয়ার বিক্রি হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কাছে এ সংক্রান্ত তালিকাও আছে। কিন্তু ঘুষ বাণিজ্যের কারণে এসব জায়গায় অভিযান চালানো হয় না।
কর্মকর্তাদের ঘুষ বাণিজ্যের বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক বজলুর রহমান কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে অতিরিক্ত মহাপরিচালক আমীর হোসেন যুগান্তরকে বলেন, এটি খুবই গুরুতর অভিযোগ। এ ঘটনা সত্য হলে তদন্ত করে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ঢাকা রয়্যাল ক্লাব ও বাংলাদেশ ক্লাবসহ রাজধানীর অবৈধ মদের আখড়া সম্পর্কে জানতে চাইলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের পরিচালক (অপারেশন) প্রণব কুমার নিয়োগী যুগান্তরকে বলেন, বাংলাদেশ ক্লাবে অভিযান চালিয়ে মদ-বিয়ার উদ্ধার করা হয়েছে। আবারও সেখানে মদ-বিয়ার বিক্রি করা হলে ফের অভিযান চালানো হবে। এছাড়া অবৈধ বার ও মদের আখড়াগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চলমান আছে। যখনই কোনো সংবাদ আসছে সেখানে অভিযান চালানো হচ্ছে।
প্রথম পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close