¦
আইন করে হরতাল বন্ধ চান ব্যবসায়ীরা

যুগান্তর রিপোর্ট | প্রকাশ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

চলমান সহিংসতামূলক রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে এরই মধ্যে বিভিন্ন খাত-উপখাতে প্রায় ৭৫ হাজার কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এমনটি জানিয়ে ব্যবসায়ীরা অর্থনীতিবিনাশী হরতাল-অবরোধ অবিলম্বে প্রত্যাহার এবং তা আইন করে বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। একইভাবে রাজনৈতিক সমস্যা রাজপথে টেনে না এনে তা আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধানের পথ বের করারও উদাত্ত আহ্বান রেখেছেন।
সারা দেশে রোববার একযোগে দুপুর ১২টা থেকে ১২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত ‘অবস্থান কর্মসূচি’তে এ দাবি জানান ব্যবসায়ীরা। কর্মসূচির স্লোগান ছিল ‘সবার ওপরে দেশ। দেশ বাঁচাও, অর্থনীতি বাঁচাও। জানমালের নিরাপত্তা চাই, ব্যবসায়িক পরিবেশ চাই, আইন করে হরতাল-অবরোধ বন্ধ কর, করতে হবে।’
কর্মসূচির মূল মঞ্চ তৈরি করা হয় রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই কার্যালয়ের সামনে। এ মঞ্চ থেকে ব্যবসায়ীরা আরও বলেন, ব্যবসায়ীদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। আর চলতে দেয়া যায় না। এ থেকে উত্তরণের জন্য অনতিবিলম্বে উদ্যোগ নিতে হবে। অব্যাহতভাবে আর্থিক ক্ষতি ব্যবসায়ীরা আর মেনে নেবে না। এ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের সব প্রকার ব্যাংক সুদ মওকুফের দাবিও জানান তারা। সেই সঙ্গে ৫০০ কোটি টাকার ঋণগ্রহীতার ওপর বাংলাদেশ ব্যাংক পুনঃতফসিল করার যে সুযোগ দিয়েছে, তা সব শ্রেণীর ঋণগ্রহীতার ক্ষেত্রে কার্যকর করারও দাবি জানান।
একই সময়ে রাজধানীর বিভিন্ন বাণিজ্যিক সংগঠন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর সামনেও তারা অবস্থান নিয়ে এফবিসিসিআইএর এ দাবির সঙ্গে সহমত পোষণ করেন।
অবরোধের ৩৩তম দিনে রোববার সকাল সাড়ে দশটায় বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ী, ব্যাংক-বীমা-কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী তথা সাধারণ মানুষ হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে এফবিসিসিআইএর সামনে সমবেত হতে শুরু করে। বেলা ১২টা বাজার আগেই দৈনিক বাংলা মোড় থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যালয় পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে ব্যানার, ফ্যাস্টুন নিয়ে সারিবদ্ধ মানববন্ধন তৈরি করা হয়।
ঠিক ১২টায় শুরু হয় অবস্থান কর্মসূচির আনুষ্ঠানিকতা। প্রথমেই মাইকে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশ করে আবেঘঘন পরিবেশ তৈরি করা হয়। এরপর সমাবেশের একমাত্র বক্তা এফবিসিসিআই সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ লিখিত বক্তব্য দেন। তার বক্তব্যের পর উপস্থিত ব্যবসায়ী-জনতা নিজ কণ্ঠে পরিবেশন করেন জাতীয় সঙ্গীত। ১২টা ১৫ মিনিটে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। এ কর্মসূচি প্রতিটি বিভাগীয় ও জেলা শহরেও অনুরূপভাবে পালিত হয়েছে।
এফবিসিসিআই’র সামনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাবেক সভাপতি ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন, সালমান এফ রহমান, মীর নাসির হোসেইন, আনিসুল হক, একে আজাদ, সাবেক প্রথম সহ-সভাপতি আবুল কাসেম আহমেদ ও মো. জসীমউদ্দিন, ঢাকা চেম্বারের সভাপতি হোসেন খালেদ, বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, প্রথম সহ-সভাপতি শহীদুল্লাহ আজীম, এমসিসিআইর সাবেক সভাপতি রোকেয়া আফজাল রহমানসহ এফবিসিসিআইয়ের পরিচালনা পর্যদের সদস্যসহ আরও অনেকে।
এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, চলন্ত যানবাহনে অগ্নিসংযোগ এবং পেট্রলবোমা নিক্ষেপে শুধু প্রাণহানিই ঘটছে না, অনেকেই সারা জীবনের জন্য শারীরিকভাবে অক্ষম হয়ে যাচ্ছেন। সে সঙ্গে বিশাল ক্ষতির শিকার হচ্ছে জাতীয় অর্থনীতি। আমরা এর অবসান চাই।
তিনি ৩৩ দিনের ক্ষয়ক্ষতি উল্লেখ করে বলেন, পর্যুদস্ত হয়ে পড়েছে দেশের অর্থনীতি। দেশের কৃষক, উৎপাদক, ব্যবসায়ী ও রফতানিকারকরাই বেশি ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। পরিবহন চলাচল বাধাগ্রস্ত হওয়ায় শুধু যাত্রীদেরই ভোগান্তি হচ্ছে না, এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে উৎপাদন এবং পণ্য পরিবহন ব্যবস্থায়। পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে যার প্রভাব পণ্যমূল্যের ওপর পড়ছে। ক্ষুদ্র্র ও মাঝারি শিল্প পুঁজিহারা হচ্ছে।
তিনি বলেন, এ সময়ে সবচেয়ে বেশি প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে গার্মেন্ট খাতে, পরিবহন খাতে প্রায় ৯ হাজার ৫০০ কোটি, উৎপাদন খাতে ৪ হাজার কোটি, পর্যটন খাতে ৬ হাজার ৫০০ কোটি, কৃষি ও পোলট্রি খাতে প্রায় ৯ হাজার ৫১৮ কোটি, হিমায়িত পণ্য খাতে প্রায় ২৫০ কোটি, আবাসন খাতে প্রায় ৭ হাজার ৭৫০ কোটি, খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায় প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে।
কাজী আকরাম বলেন, এফবিসিসিআই মানুষ পুড়িয়ে মারার পৈশাচিকতা এবং জাতীয় সম্পদ ধ্বংসের ঘটনায় নিন্দা জানাচ্ছে। অনাকাক্সিক্ষত জীবন ও সম্পদহানি রোধ এবং জাতীয় অর্থনীতির স্বার্থে সব ধরনের ধ্বংসাত্মক এবং প্রাণঘাতী কর্মসূচি পরিহার ও পরমতসহিষ্ণুতা প্রর্দশনের জন্য সব রাজনৈতিক পক্ষের প্রতিও আহ্বান জানাচ্ছে।
এফবিসিসিআই সভাপতি আরও বলেন, উৎপাদন ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে ব্যাংকে শ্রেণীবিন্যাসকৃত ঋণের পরিমাণ আশংকাজনকভাবে বেড়ে যাচ্ছে, যা ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। প্রতি বছরই প্রায় ৩০ লাখ লোক কর্মবাজারে আসছে যার বেশিরভাগই জোগান দিচ্ছে বেসরকারি খাত। অস্থিতিশীলতার কারণে যদি বেসরকারি খাতের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয় তাহলে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও মারাÍক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ফলে দেশে মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করবে। এ অবস্থা চলতে থাকলে অবিলম্বে আইন করে হরতাল ও অবরোধ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করতে হবে।
কর্মসূচিতে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ, ডিসিসিআই, এমসিসিআই, বিসিআই, অগ্রণী ব্যাংক কর্মচারী সিবিএ পরিষদ, মতিঝিল প্রেস ওনার্স আ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতি, মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমান্ড, কেন্দ্রীয় কমিটি, ইনডেন্টিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, টেরিটাওয়েল অ্যান্ড লিনেন ম্যানুফ্যাকচারার্স, এশিয়ান গ্র“প, পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ, পোলট্রি শিল্প সমন্বয় কমিটি, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ট্যাকার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, স্পেশালাইজড টেক্সটাইল মিলস অ্যান্ড পাওয়ার লুম ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ জুট গুডস অ্যাসিয়েশন, এমব্রয়ডারি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন, কার্গো ভেসেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, এগ্রোফিড ইন্ডাস্ট্রিজ, বাংলাদেশ পণ্য পরিবহন এজেন্সি মালিক সমিতি, ফটোগ্রাফি অ্যাসোসিয়েশন সংহতি জানায়। এছাড়া তাঁতীবাজার থেকে গুলিস্তান মোড়, কারওয়ান বাজার, গাজীভবনসহ বিভিন্ন স্থানে ব্যবসায়ীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
বিজিএমইএ : একই সময়ে হাতিরঝিলে বিজিএমইএ ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা হাতে রাজপথে মানববন্ধন করেন তৈরি পোশাক খাতের ব্যবসায়ীরা। তাদের এ কর্মসূচিতে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, কারওয়ান বাজারের আড়ৎদার, শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ অংশ নেন। বিজিএমইএর সহ-সভাপতি এসএম মান্নান কচি বলেন, আমরা হরতাল-অবরোধের মতো বিধ্বংসী কর্মসূচি দেখতে চাই না। শান্তি চাই, সরকারের কাছে ব্যবসা-বাণিজ্যের নিরাপত্তা চাই।
ঢাকা চেম্বার : ঢাকা চেম্বারও নিজ উদ্যোগে কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। একই সঙ্গে সংগঠনের সভাপতি হোসেন খালেদসহ সাবেক অন্যান্য নেতারাও এফবিসিসিআইএর কেন্দ্রীয় মঞ্চে যোগ দেয়।
পুরান ঢাকায় রাজপথে ব্যবসায়ীরা : বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে পুরান ঢাকার বাদামতলীতে হাজার হাজার ব্যবসায়ী জাতীয় পতাকা হাতে অবস্থান নেন। বাবুবাজার এলাকার বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন ও সাধারণ জনতা এতে যোগ দেয়। অ্যাসোসিয়েশনের জেনারেল সেক্রেটারি মো. সিরাজুল ইসলাম সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, ৫ জানুয়ারির পর থেকে তাজা ফল আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের কয়েক হাজার কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বিল্লাল শাহ, বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইম্পোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট সাধন চন্দ্র দাস, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. বায়রাত মিয়া, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সফির উদ্দিন প্রমুখ।
গুলিস্তান : নগরভবন সংলগ্ন ৬ মার্কেটের কয়েক হাজার ব্যবসায়ী জাতীয় পতাকা হাতে রাস্তায় নেমে আসেন। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে সহিংসতার প্রতিবাদ ছাড়াও ব্যবসায়ীরা দুই নেত্রীর কাছে স্বাধীনভাবে ব্যবসা করার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ দাবি করেন। একই সঙ্গে ওই এলাকায় ব্যাবসা-বাণিজ্য নির্বিঘ্ন করতে রিকশা-ভ্যান চলাচলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারেরও দাবি জানান ব্যবসায়ীরা। কয়েক হাজার ব্যবসায়ী ও তাদের প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের উপস্থিতিতে এ সময় গুলিস্তান থেকে পুলিশ সদর দফতরের সামনে ফনিক্স রোডসহ আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
মানববন্ধন শেষে এক পথসভায় মহানগর বিজনেস অ্যাসোসিয়েটসের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান বলেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ বঙ্গবাজারসংলগ্ন ফনিক্স রোড, সেক্রেটারিয়েট রোড ও ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল রোডে রিকশা-ভ্যান-হিউম্যান হলার চলাচল বন্ধ করে দেয়। দীর্ঘদিনেও তা আর চালু করা হয়নি। এর ফলে বঙ্গবাজার হকার্স মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, মহানগরী হকার্স মার্কেট, আদর্শ হকার্স মার্কেট, এনেক্সকো টাওয়ার ও মহানগর কমপ্লেক্স মার্কেটে পাইকারী ও খুচরা ক্রেতা অর্ধেকে নেমে এসেছে। রিকশা-ভ্যান চলাচল বন্ধ থাকার কারণে কেনাকাটার উদ্দেশে আসা যাত্রীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। পরে বঙ্গবাজার মার্কেটের ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলামও অনুরূপ দাবি করেন।
দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে যুগান্তর ব্যুরোর পাঠানো খবর-
সিলেট : বেলা ১২টার দিকে নগরীর জেল রোডে চেম্বার ভবনের সামনে সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির মানববন্ধনে ব্যবসায়ীরা অংশ নেন। বক্তব্য রাখেন চেম্বার সভাপতি সালাহ্ উদ্দিন আলী আহমদ, পরিচালক নূরুল ইসলাম, মো. লায়েছ উদ্দিন, এনামুল কুদ্দুছ চৌধুরী, আমিরুজ্জামান চৌধুরী, প্রাক্তন পরিচালক এমএ ওয়াদুদ, মো. আতাউর রহমান, ফালাহ্ উদ্দিন আলী আহমদ, মো. সিরাজুল ইসলাম সিরাজী, মতচ্ছির আলী ও মো. আজিজুর রহমান, মো. নাজমুল হক প্রমুখ।
ময়মনসিংহ : মানববন্ধন, অবস্থান ও সমাবেশ করেছে ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ ও ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সংগঠন। দুপুরে শহরের গাঙ্গিনারপাড় এলাকায় আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দেন চেম্বার সভাপতি পৌর মেয়র ইকরামুল হক টিটু, পরিচালক শংকর সাহা, গাঙ্গিনারপাড় ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোসলেম উদ্দিন, দোকান কর্মচারী শ্রমিক ইউনিযনের সভাপতি কমল বসাক প্রমুখ।
কিশোরগঞ্জ : বেলা ১২টার দিকে স্টেশন রোডে কিশোরগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ও উইমেন চেম্বারের উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় তাদের হাতে ছিল বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত ব্যানার, ফেস্টুন ও জাতীয় পতাকা। পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চেম্বার সভাপতি মো. বাদল রহমান, উইমেন চেম্বারের সভাপতি ফাতেমা জোহরা, ব্যবসায়ী নেতা মো. কামরুল ইসলাম প্রমুখ।
রাজশাহী : দুপুরে রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগে প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচিতে জাতীয় পতাকা হাতে অংশ নেন সর্বস্তরের ব্যবসায়ীরা। নগরীর অলোকার মোড়ে চেম্বার ভবনের সামনে আয়োজিত ওই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন চেম্বারের সভাপতি মনিরুজ্জামান মনি।
যশোর : দুপুরে শহরের গুরুত্বপূর্ণ ১২টি স্থানে ব্যবসায়ীদের ২৫টি সংগঠন মানববন্ধন ও প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যশোর চেম্বারের সাবেক সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, সাবেক নির্বাহী সদস্য কুইন্স হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম হুমায়ুন কবির কবু, মিজানুর রহমান, আতিকুর রহমান বাবু, আসাদুজ্জামান মিঠু, শামীম চাকলাদার বাবু, মুজিবর রহমান প্রমুখ।
বরিশাল : বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় পতাকা হাতে নগরীর সদর রোডে মানববন্ধন করেন ব্যবসায়ীরা। বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, বরিশাল ওমেন চেম্বার, চকবাজার-বাজার রোড ব্যবসায়ী সমিতিসহ ৪১টি সংগঠনের নেতারা মানববন্ধনে অংশ নেন। চেম্বার সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন চেম্বারের সহসভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন মানিক, আনোয়ারুল হক সাব্বির, মৃণাল কান্তি সাহা, আমিনুর রহমান খান ঝাণ্ডা, মো. হোসেন আলী চৌধুরী প্রমুখ।
খুলনা : ডাকবাংলা, ফেরিঘাট, পাওয়ার হাউস, ময়লাপোতা, ডাল মিল, নিউমার্কেট, দৌলতপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে অংশ নেন সর্বস্তরের ব্যবসায়ীরা। বিভাগীয় অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন মালিক গ্র“প, খুলনা সম্মিলিত ব্যবসায়ী সংগঠন সমন্বয় পরিষদ, বাংলাদেশ হার্ডওয়ার অ্যান্ড মেশিনারি মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশন কেডিএ নিউমার্কেট দোকান মালিক সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা ও ব্যবসায়ীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
সাভার : দুপুরে রাজ্জাক প্লাজার সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের শত শত ব্যবসায়ী। এ সময় বক্তব্য রাখেন ব্যবসায়ী নেতা হুমায়ুন কবীর ও রাজ্জাক প্লাজার দোকান মালিক সমিতির সদস্যরা। এদিকে আশুলিয়ায় গার্মেন্ট শিল্প রক্ষায় গার্মেন্ট শ্রমিকদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 

প্রথম পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close