¦
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে সাবেক সিইসির চিঠি

শেখ মামুনূর রশীদ | প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

দেশের চলমান সংকট নিরসনে রাষ্ট্রপতিকে জাতীয় সংলাপ আয়োজনে উদ্যোগ নিতে নাগরিক সমাজের পক্ষে লিখিত অনুরোধ জানিয়েছেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ড. এটিএম শামসুল হুদা। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে একই ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে এ উদ্যোগে সহায়তা করতেও পৃথক দুই চিঠিতে অনুরোধ জানিয়েছেন সাবেক এই সিইসি।
রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠি বঙ্গভবনে, শেখ হাসিনার চিঠি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এবং খালেদা জিয়ার চিঠি তার গুলশান কার্যালয়ে সোমবার বিকালে পৌঁছে দেয়া হয়েছে বলে দাবি করেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি যুগান্তরকে বলেন, ‘নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে ড. এটিএম শামসুল হুদা তিনজনকেই চিঠি দিয়েছেন। এখন দেখার বিষয় তারা কে কি করেন।’
এ বিষয়ে যুগান্তরের পক্ষ থেকে বঙ্গভবন এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই চিঠি প্রাপ্তির বিষয়টি স্বীকার করেননি। তবে খালেদা জিয়ার প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তারা জানান, সন্ধ্যা ৬টার দিকে নাগরিক সমাজের পক্ষে অ্যাডভোকেট প্রিন্স চঞ্চল মাহমুদ গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ড. এটিএম শামসুল হুদা স্বাক্ষরিত একটি চিঠি পৌঁছে দেন।
ড. এটিএম শামসুল হুদা স্বাক্ষরিত রাষ্ট্রপতির কাছে লেখা চিঠিতে ‘বিষয়’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ‘জাতীয় সংকট নিরসনে জাতীয় সংলাপ’। এতে বলা হয়েছে, ‘মহোদয়, দেশময় চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিরাজমান সংকট থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে গত ৭ ফেব্র“য়ারি ২০১৫ রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন সেমিনার হলে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার নাগরিকদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মতবিনিময় সভায় সবার বক্তব্যের আলোকে এবং ঐকমত্যের ভিত্তিতে জাতীয় সংকট নিরসনে জাতীয় সংলাপের প্রস্তাবনা গৃহীত হয়। এতদসঙ্গে প্রেরিত উক্ত প্রস্তাবনার আলোকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অভিভাবক হিসেবে সংলাপের শুভ উদ্যোগ গ্রহণের বিশেষ ভূমিকা রাখার জন্য আপনাকে সবিনয় অনুরোধ জানাই।’
প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘চলমান পরিস্থিতিতে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সংলাপের শুভ উদ্যোগ গ্রহণে বিশেষ ভূমিকা রাখার জন্য আপনাকে সবিনয় অনুরোধ জানাই।’ আর বিএনপি চেয়ারপারসনের উদ্দেশে লেখা চিঠিতে বলা হয়, ‘সংলাপের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং এ উদ্যোগে সহায়তার জন্য আপনাকে সবিনয় অনুরোধ জানাই।’
রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের কাছে চিঠি পাঠানোর বিষয়টি স্বীকার করে সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ড. এটিএম শামসুল হুদা সোমবার যুগান্তরকে বলেন, ‘নাগরিক সমাজের পক্ষে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিরাজমান সংকট থেকে উত্তরণে সংলাপের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছি। এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সংলাপের কোনো বিকল্প নেই। রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে রাষ্ট্রপতি সংলাপ আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করতেই পারেন। প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসনেরও এক্ষেত্রে অনেক কিছু করণীয় আছে।’
বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এক বছর পূর্তির দিন থেকেই সারা দেশে টানা হরতাল-অবরোধ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। বিপরীতে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটও তাদের প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ২০ দলীয় জোটকে মোকাবেলায় মাঠে আছে। দুই প্রধান দল ও জোটের এই মুখোমুখি অবস্থানের পাশাপাশি হরতাল-অবরোধের নামে দেশব্যাপী চলছে জ্বালাও-পোড়াও, সংঘাত-সহিংসতা। প্রতিদিনই দেশের কোথাও না কোথাও পেট্রলবোমায় দগ্ধ হয়ে মারা যাচ্ছেন নারী, শিশুসহ সাধারণ মানুষ। স্থবির হয়ে আছে ব্যবসা-বাণিজ্য ও আমদানি-রফতানি। প্রায় ভেঙে পড়েছে পরিবহন খাত। সবচাইতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষক-শ্রমিক, খেটে খাওয়া দিনমজুরসহ সাধারণ মানুষ। থমকে দাঁড়িয়েছে দেশের অর্থনীতির চাকা।
বিদ্যমান পরিস্থিতিতে রাজনীতিবিদ, রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক-পেশাজীবী এবং ব্যবসায়ী সংগঠন, শীর্ষ আইনজীবী, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, সুশীল সমাজসহ কূটনীতিক ও দাতা সংস্থার প্রতিনিধিরা দুই প্রধান দলের মধ্যে সংলাপ অনুষ্ঠানের তাগিদ দিয়ে যাচ্ছেন। তাদের কেউ কেউ রাষ্ট্রপতিকে সংলাপের উদ্যোগ গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন। কেউ আবার প্রত্যক্ষভাবে না হলেও পরোক্ষভাবে সংলাপ আয়োজনের জন্য দুই দলের সম্মতি নিয়ে একটি কমিটি গঠনেরও প্রস্তাব দিয়েছেন। কিন্তু কোনো কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। দুই পক্ষই যার যার অবস্থানে অনড়।
ক্ষমতাসীনরা বলছে, সংলাপ চাইলে বিএনপিকে স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতসহ যুদ্ধাপরাধী, উগ্র সাম্প্রদায়িক জঙ্গিবাদী মৌলবাদীদের সঙ্গ ছাড়তে হবে। জ্বালাও-পোড়াও, নাশকতাসহ সব ধরনের সংঘাত-সহিংসতার পথ পরিহার করতে হবে। তাদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরে আসতে হবে। অন্যদিকে, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট সরকারের পদত্যাগের পাশাপাশি নির্দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে চলমান আন্দোলন-সংগ্রাম অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে। আন্দোলনের সময় চলা সংঘাত-সহিংসতার দায় তারা নিজেদের কাঁধে নিতে নারাজ। বিএনপিসহ তাদের শরিকরা উল্টো সরকারের দিকে অভিযোগের তীর ছুড়ে দিয়ে বলছে, ‘তারাই (সরকার) নাশকতার সঙ্গে জড়িত। ২০ দলীয় জোটের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে তারাই এসবের পেছনে মদদ দিচ্ছে।’
দেশে বর্তমানে ভয়ংকর ও অস্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করছে দাবি করে শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া ‘সংকট নিরসনে জাতীয় সংলাপ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে। এতে দেশের শীর্ষস্থানীয় আইনজীবী, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক-সাংবাদিক-রাজনীতিবিদ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ বিশিষ্টজনরা অংশ নিয়ে বলেছেন, সংকট উত্তরণে, মানুষ বাঁচাতে প্রয়োজনে দুই দলকে সংলাপে বসাতে বাধ্য করতে হবে। এ জন্য তারা রাষ্ট্রের এক নম্বর ব্যক্তি হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে উদ্যোগ গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন। তারা আরও বলেন, এখনও সময় আছে। স্বাধীন দেশে সংকট সমাধানে সংলাপের কোনো বিকল্প নেই। চলমান সহিংসতা বন্ধ ও সরকার ইতিবাচক মনোভাব দেখালেই সংলাপের আবহ তৈরি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনে দুই দলের কাছে গ্রহণযোগ্য এমন ছয়জনকে নিয়ে একটি কমিটি গঠনেরও প্রস্তাব দিয়ে তারা বলেন, প্রকাশ্যে না হলেও পরোক্ষভাবে এই কমিটির সদস্যরা দুই দলের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। পরোক্ষভাবে সংলাপের উদ্যোগ নেবেন। তা না হলে আরও মানুষ পুড়বে। আরও মানুষ মরবে। মৃত্যুর মিছিল আরও দীর্ঘ হবে। পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটবে। যার দায়ভার দুই প্রধান দলকেই নিতে হবে।
দুই পর্বের এই গোলটেবিল বৈঠকের প্রথমপর্বে সভাপতিত্ব করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এম হাফিজ উদ্দিন খান। দ্বিতীয়পর্বে সভাপতিত্ব করেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. এটিএম শামসুল হুদা।
ওই বৈঠকে সবার মতামতের আলোকে একটি প্রস্তাবনা গ্রহণ করা হয়। প্রস্তাবনাটি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের কাছে পাঠানো চিঠির সঙ্গে সংযুক্ত করে দেয়া হয়। এতে বলা হয়, ‘বর্তমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টির লক্ষ্যে, আমরা একটি গোলটেবিল বৈঠকে মিলিত হয়ে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছি। দেশে আজ এক অস্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এ অবস্থা থেকে শান্তিপূর্ণ উপায়ে সংকট উত্তরণের মাধ্যমে জনগণ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যেতে আগ্রহী। জনগণ চায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ- যাতে অর্থনৈতিক অগ্রগতির লক্ষ্যমাত্রার দিকে দেশ এগোতে পারে এবং সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা যথাযথভাবে প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করে, ২০২১ সালের লক্ষ্যমাত্রা- বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার উদ্যোগ সাফল্যমণ্ডিত হতে পারে। তাই বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আমরাও গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। একটা শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরাজমান সমস্যার দ্রুত সমাধান করতে হবে- যাতে নারী-শিশু, মাতাপিতাসহ সব নির্দোষ মানুষ অস্বাভাবিক মৃত্যু ও জ্বালানো-পোড়ানোর হাত থেকে রক্ষা পেতে পারে এবং ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও ব্যবস্থা সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে পারে।’
প্রস্তাবনায় আরও বলা হয়, আমদানি-রফতানি, শিল্প-ব্যবসা-বাণিজ্যসহ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম চালিকাশক্তি স্বাভাবিক পরিবহন ব্যবস্থা অপরিহার্য- যা দ্রুততম সময়ের মধ্যে শান্তিপূর্ণ, স্বাভাবিক ও বিপদমুক্ত পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। পরিবহন ব্যবস্থার দুর্গতির জন্য আজ গ্রামের কৃষক অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চলছে, শ্রমজীবী-পেশাজীবী জনগণ পরিবার নিয়ে অতি কষ্টে জীবন-যাপন করছে এবং দারিদ্র্যবিমোচনের ক্ষেত্রে যেসব অগ্রগতি আমরা অর্জন করেছিলাম- তাও ক্রমেই নিচের দিকে নেমে যাওয়ার হুমকির মুখে পড়েছে। সর্বোপরি, রফতানি ব্যবস্থা বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে এবং বিদেশী ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে।
বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে গৃহীত প্রস্তাবনায় আরও বলা হয়, চলমান সহিংসতা আমাদের জাতীয় অর্থনীতি ও জনজীবনকে বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে, যার মূল কারণ হচ্ছে- সরকার ও তাদের প্রতিপক্ষের মধ্যকার রাজনৈতিক বিরোধ। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে যে কোনো রাজনৈতিক বিরোধ বা সংকট নিরসনের শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক রীতি হচ্ছে সংলাপ। এর কোনো বিকল্প নেই। সংলাপ হতে হবে দেশের সব সক্রিয় রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার প্রতিনিধির কার্যকর অংশগ্রহণের ভিত্তিতে। সংলাপের উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য আমরা প্রথমেই সরকারকে অনুরোধ করছি এবং এ ব্যাপারে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে বিশেষ ভূমিকা রাখার জন্য অনুরোধ করছি।
নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রস্তাবনায় আরও বলা হয়, আমরা যারা সংবিধানের মূলনীতিগুলোর প্রতি বিশ্বাসী এবং কার্যকর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ- তারা সবাই দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও উৎপাদন ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে- সংকটের স্থায়ী সমাধানের প্রতি গুরুত্বারোপ করছি। সে লক্ষ্যে, নির্বাচন কমিশনসহ অন্যান্য গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান কিভাবে শক্তিশালী করা হলে, তারা স্বাধীনভাবে সাংবিধানিক দায়িত্বগুলো পালন করতে পারবে- তাও বিবেচনার দাবি রাখে। ভবিষ্যতে সংবিধানের যুগোপযোগী সংশোধনের জন্য একটি কমিশন গঠন করা যেতে পারে।
 

প্রথম পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close