¦
সংলাপ অনিশ্চিত

আবদুল্লাহ আল মামুন ও হাবিবুর রহমান খান | প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

চলমান সংকট নিরসনে এই মুহুর্তে দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল- আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সংলাপ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। গত প্রায় এক মাস ধরেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রভাবশালী দেশ, জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এই সংলাপ অনুষ্ঠানের ওপর গুরুত্বারোপ করে আসছে। পাশাপাশি দেশের ব্যবসায়ী সমাজ, সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও সভা-সমাবেশ, মানববন্ধন, সেমিনার ও বিবৃতির মাধ্যমে সংলাপের আহ্বান জানাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে সংলাপের উদ্যোগ নিতে সোমবার রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে অনুরোধ জানানো হয়। একই সঙ্গে এ ব্যাপারে সহায়তা করতে চিঠি দেয়া হয় বিএনপি চেয়ারপারসনকেও। কিন্তু এই সংলাপের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে ক্ষমতাসীনরা। এমনকি সোমবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বিএনপির সঙ্গে সংলাপের সব ধরনের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। উল্টো চলমান আন্দেলনকে কঠোরভাবে দমন করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে আইনশৃংখলা বাহিনীর সংশ্লিষ্টদের।
তবে সংলাপ নিয়ে সরকারের এই নেতিবাচক অবস্থান সত্ত্বেও হাল ছাড়বে না বিএনপি। সরকারকে সংলাপে বসাতে দেশী-বিদেশী চাপ অব্যাহত রাখা হবে। পাশাপাশি চলমান আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে গতকালই বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের। ইতিমধ্যে অবরোধের মধ্যে চলা হরতাল আরও ৪৮ ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে। সব দলের অংশগ্রহণে দ্রুত একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে সংলাপের উদ্যোগ নিলেই কর্মসূচি স্থগিত করবে বিএনপি। এমন পরিস্থিতিতে সংলাপ নিয়ে সরকারের নেতিবাচক মনোভাব এবং বিএনপির আন্দোলন থেকে সরে না আসায় চলমান সংকট আরও ঘনীভূত হবে বলে আশংকা সংশ্লিষ্টদের।
সরকারের নাকচ : নাগরিক ঐক্যের ব্যানারে সুশীল সমাজের দেয়া সংলাপের প্রস্তাবকে অবাস্তব ও অগ্রহণযোগ্য মন্তব্য করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। আওয়ামী লীগের এই উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য বলেন, সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ড. এটিএম শামসুল হুদার দেয়া সংলাপ প্রস্তাবের অর্থ তিনি একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বা দলের সঙ্গে একটি গণতান্ত্রিক সরকারকে আপস করতে বলছেন। সুশীল সমাজের একটি অংশ এটিই চাচ্ছেন। তার মানেটা হচ্ছে এই সুশীলরা দেশে সৃষ্ট সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, নাশকতা ও সহিংসতাকে আড়াল করতে চাইছে এবং সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গণতান্ত্রিক সরকারকে এক কাতারে দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
নাগরিক ঐক্যের চিঠি প্রসঙ্গে তোফায়েল আহমেদ বলেন, তারা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং যারা সন্ত্রাস করছেন, তাদের একই ভাষায় চিঠি দিয়েছেন। তারা খালেদা জিয়াকে যে ভাষায় চিঠি দিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীকেও সেই কথাই বলেছেন। তিনি প্রশ্ন উত্থাপন করে বলেন, তাহলে সরকার কি সন্ত্রাস-নাশকতার সঙ্গে এক কাতারে চলে গেল? সংলাপ-সমঝোতা না হলে দেশে সৃষ্ট নাশকতা কিংবা সমস্যার কিভাবে সমাধান হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তোফায়েল আহমেদ বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এ সমস্যার সমাধান করবে। তারা ইতিমধ্যে নাশকতা দমনে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তোফায়েল আহমেদ।
নাগরিক সমাজের প্রস্তাব নাকচ করে সংলাপের অন্যতম প্রস্তাবক ড. কামাল হোসেনকে উদ্দেশ করে বেসামরিক বিমান, পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, এটা তার এক ধরনের বিলাসিতা। সম্ভবত এবার শীতে বিদেশে তার (ড. কামাল হোসেনের) কোনো ব্রিফ নেই। তাই দেশের মধ্যে কিছু একটা করা; যাতে দেশবাসীর মনোযোগ পাওয়া যায়। ক’দিন পরে তাকে আর দেশে পাওয়া যাবে না, এটা নিশ্চিত করেই বলা যেতে পারে। গায়ে মানে না আপনি মোড়ল এ ব্যক্তিরা তাদের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা প্রকাশে আগুনে পোড়া মানুষগুলো সম্পর্কে একেবারেই নীরব, যেন বর্তমান সংকটে এর কোনো ভূমিকা নেই।
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ যুগান্তরকে বলেন, আমরা বলিনি যে সংলাপ করব না। সংলাপ হবে না- এটা আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল বক্তব্য নয়। তিনি জানান, এ বিষয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক কিছু বলেননি। কেউ কেউ ভিন্ন ভিন্নভাবে যেটা বলছেন, তা তাদের ব্যক্তিগত মতামত। তবে আমি মনে করি সংলাপের জন্য একটা অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে হবে। তার আগে মানুষ হত্যা, জ্বালাও-পোড়াও বন্ধ করতে হবে। এগুলো বন্ধ হলে অনূকূল পরিবেশ তৈরি হবে। আওয়ামী লীগের এই প্রেসিডিয়াম সদস্যের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল তাহলে কি দেশ এভাবেই চলবে? জবাবে তিনি বলেন, আমরা তো কোনো সন্ত্রাসীর সঙ্গে সংলাপে বসতে পারি না। যারা সন্ত্রাসী তাদের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে না। সংলাপ হবে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে। বিএনপি সন্ত্রাস ছেড়ে এলে অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে একটা রাজনৈতিক দল হিসেবে তাদের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে।
সাবেক সিইসি ড. এটিএম শামসুল হুদার উদ্যোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কাজী জাফরউল্লাহ বলেন, এটা সুশীল সমাজের উদ্যোগ। তারা সব সময় চায় কিভাবে অনির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসবে। কাজেই এ ধরনের উদ্যোগ ফলপ্রসূ হবে না।
সংলাপ ছাড়া পিছু হটবে না বিএনপি : সংলাপ ছাড়া আন্দোলন থেকে পিছু হটবে না বিএনপি। সংলাপে বসতে সরকারের ওপর দেশী-বিদেশী চাপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে তারা। সবশেষ নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে সংলাপের উদ্যোগ নেয়াকেও স্বাগত জানিয়েছে দলটি। কিন্তু সংকট নিরসনে সরকারের আন্তরিকতার অভাব রয়েছে। চলমান আন্দোলনকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে সংকট আরও উসকে দেয়া হচ্ছে বলেও মনে করেন তারা। তবে নাগরিক সমাজের উদ্যোগকে সরকারের কয়েকজন নীতিনির্ধারক নাকচ করলেও আশা ছাড়েননি তারা। শেষ পর্যন্ত সরকার সংলাপে সাড়া না দিলে আন্দোলন ছাড়া অন্যকিছু ভাবছে না দলটি। আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে।
জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, দেশের এই সংকটকালে নাগরিক সমাজ যে উদ্যোগ নিয়েছে তা নিঃসন্দেহে মহতি উদ্যোগ। কিন্তু সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী বিষয়টিতে যেভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তা ভ্রান্তমূলক ধারণা। তাদের প্রতিক্রিয়াকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করি না। সংলাপের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর ওপর নির্ভর করে। রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ক্ষমতা সীমিত তারপরও প্রধানমন্ত্রী সংলাপের বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে অনুরোধ জানাতে পারেন।
তিনি বলেন, আন্দোলন যে পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে সেখান থেকে পিছু হটার কোনো কারণ নেই। আমরা চাই সংলাপের মাধ্যমে সংকটের সমাধান। অপরদিকে সরকারেরও সংলাপ ছাড়া বিকল্প কিছু আছে বলে তো দেখি না।
মাহবুব বলেন, দেশ রসাতলে যাচ্ছে। এভাবে চললে আরও যাবে। অর্থনীতি, সমাজ ব্যবস্থা সবকিছু ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। এজন্য দেশ পরিচালনাকারী হিসেবে সরকারকেই দায় নিতে হবে। তিনি বলেন, সরকার সংকটকে আইনশৃংখলা হিসেবে দেখছে। আসলে বিষয়টি তা নয়। এটা রাজনৈতিক সংকট। রাজনৈতিকভাবেই সমাধান করতে হবে। আর এজন্য সংলাপের বিকল্প নেই।
চলমান আন্দোলন সন্ত্রাসী আখ্যা দেয়া ও সন্ত্রাসীদের সঙ্গে কোনো সংলাপ নয় বলে সরকারের অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, এগুলো ভুল চিন্তা। পেট্রলবোমা বা সন্ত্রাসের সঙ্গে বিএনপির কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। সরকারের এমন ধ্যান-ধারণা দেশে আরও অমঙ্গল ঢেকে আনবে।
বিএনপির নীতিনির্ধারকদের মতে, চলমান আন্দোলন নিয়ে সরকারের মনোভাব সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত সরাসরি দাবি মেনে নেয়ার ব্যাপারে সরকারের ইতিবাচক কোনো পদক্ষেপ দৃশ্যমান হয়নি। আন্দোলনে তারা সন্ত্রাসী রূপ দেয়ার চেষ্টা করছে। বিভিন্ন পেশাজীবী, দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন দিয়ে আন্দোলনকে নাশকতায় রূপ দেয়ার নানা কৌশল নিয়েছে আওয়ামী লীগ। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মানসিক চাপে রাখতে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রতিদিনই আওয়ামী সমর্থকদের বিভিন্ন সংগঠন দিয়ে কার্যালয় ঘেরাওয়ের চেষ্টা করা হচ্ছে। এছাড়া ব্যবসায়ী, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ নানা পেশাজীবীকেও রাজপথে নামানো হচ্ছে।
তাদের মতে, আন্দোলনকে সন্ত্রাসী রূপ দেয়ার পাশাপাশি নেতাকর্মীদের মাঝে আতংক সৃষ্টি করতে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়। নেতাকর্মীদের গণহারে গ্রেফতারের পাশাপাশি কথিত বন্দুকযুদ্ধের নামে অনেককে হত্যা করা হচ্ছে। কিন্তু এসব করেও আন্দোলনকে দমানো যাবে না।
খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের একটি সূত্র জানায়, চলমান আন্দোলনের ইতিবাচক ফল না আসা পর্যন্ত তা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল বিএনপির চেয়ারপারসন। তিনি নানা মাধ্যমে তৃণমূলে এমন বার্তা দিয়ে রেখেছেন। লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানও নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। আন্দোলনকে আরও কীভাবে বেগবান করা যায় সে দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন।
উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে নাগরিক সমাজ : পরবর্তী পদক্ষেপ বিষয়ে জানতে চাইলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান যুগান্তরকে বলেন, ড. এটিএম শামসুল হুদা আমাদের নেতা। এ ব্যাপারে তিনিই কথা বলবেন।
সংলাপের অন্যতম উদ্যোক্তা সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার যুগান্তরকে বলেন, এ মুহূর্তে আমরা নাগরিক সনদ (সিটিজেন চার্টার) প্রণয়নের জন্য কাজ করছি। নাগরিকরা অর্থাৎ আমরা কি চাই তা সনদে বিস্তারিতভাবে থাকবে। এরপর অরাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে। তারপর কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে আমাদের পরবর্তী পদক্ষেপ কি হবে। তিনি আরও বলেন, কমিটি গঠনের পর রাষ্ট্রপতি , প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সংলাপ আয়োজনের অনুরোধ জানানো হবে।
জানতে চাইলে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, আপাতত সংকট উত্তরণের কোনো সম্ভাবনা দেখছি না। সংকট নিরসনে নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর আগেও অনেকেই উদ্যোগ নিয়েছিলেন। উদ্যোগ কে নিল সেটা মুখ্য নয়, সংকট নিরসনে দুই দলের সদিচ্ছাটাই আসল। দেশ সংকটের মধ্যে আছে এটা তাদের উপলব্ধি করতে হবে। এ উপলব্ধি না আসা পর্যন্ত কোনো উদ্যোগই কাজে আসার সম্ভাবনা নেই।
তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা চরম নাজুক এটা বলার অপেক্ষা রাখে না। কৃষি, শিক্ষা, আমদানি-রফতানি, পরিবহন সব সেক্টরেই ধ্বস নেমেছে। খোদ অর্থমন্ত্রীও বিষয়টি স্বীকার করে বলেছেন, চলমান সংকটে অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এভাবে চললে অদূর ভবিষ্যতে দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে যাবে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে দু’দলকে ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে এগোতে হবে। তাহলেই সংকট নিরসনের সম্ভাবনা তৈরি হবে।
 

প্রথম পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close