¦
সেরা প্রার্থী দিচ্ছে বিএনপি

হাবিবুর রহমান খান | প্রকাশ : ২৫ মার্চ ২০১৫

তিন সিটি নির্বাচনকে কঠিন চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছে বিএনপি। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ‘সেরা’ প্রার্থীকেই মেয়র পদে সমর্থন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। সে লক্ষ্যে প্রার্থী খোঁজার কাজও প্রায় শেষ। ঢাকা উত্তরে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুল আউয়াল মিন্টু ও চট্টগ্রামে বর্তমান মেয়র মনজুর আলমের প্রার্থিতা প্রায় চূড়ান্ত। তবে হিসাব-নিকাশ চলছে ঢাকা দক্ষিণ নিয়ে। শিগগিরই তিন সিটির প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হতে পারে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
সেরা প্রার্থী খোঁজার পাশাপাশি সরকারের ব্যর্থতাগুলোকে সিটি নির্বাচনে কাজে লাগাতে চায় বিএনপির হাইকমান্ড। নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা জাগাতে তিন সিটিতেই সবচেয়ে যোগ্য ও সেরা প্রার্থীকে দাঁড় করিয়ে জয় নিশ্চিত করতে চান দলটির নীতিনির্ধারকরা। পাশাপাশি তিন সিটিতে স্থায়ী ভোটারের পাশাপাশি ভাসমান ভোটারের সমর্থন আদায়ে নানা কৌশল নেয়া হয়েছে। সে জন্য প্রার্থী বাছাইয়ে বেশ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। দলীয় নেতাদের মতে, জাতীয় আর স্থানীয় নির্বাচনের মধ্যে আমেজে ভিন্নতা রয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের সমর্থনের পাশাপাশি প্রার্থীর ব্যক্তিগত ইমেজ বড় ফ্যাক্টর।
সূত্র জানায়, প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি বিষয়কে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। নির্বাচনী প্রচারণায় প্রকাশ্যে মুভমেন্ট করতে পারার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। প্রতিপক্ষ প্রার্থীর দুর্বল ও সবল দিকগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোকে কোন প্রার্থী সবচেয়ে বেশি কাজে লাগাতে সক্ষম হবেন সেটাও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। প্রার্থীর ক্লিন ইমেজের পাশাপাশি নির্দিষ্ট এলাকার ভোটার সংখ্যাও বিবেচনায় রয়েছে।
জানা গেছে, প্রথমে সরাসরি বিএনপির পক্ষ থেকে প্রার্থী সমর্থনের সিদ্ধান্ত থাকলেও তা থেকে সরে এসেছে দলটি। সরাসরি দলের ব্যানারে অংশ না নিয়ে ভিন্ন ব্যানারে নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নাগরিক কমিটির ব্যানারে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হতে পারে। ওই প্রার্থীদেরই আনুষ্ঠানিক সমর্থন জানাবে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট। এদিকে নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির দাবিতে বেশ কিছু শর্ত দিয়ে আজ নির্বাচন কমিশনে যাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর এমাজউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে চার সদস্যের প্রতিনিধি দল।
এদিকে কোন্ ব্যানারে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে সে লক্ষ্যে বিএনপি সমর্থক বুদ্ধিজীবী ও পেশাজীবীদের দায়িত্ব দিয়েছেন দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তারা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। প্রফেসর এমাজউদ্দিন আহমেদের বাসায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে খালেদা জিয়ার চূড়ান্ত করা প্রার্থীদের নামই নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী, এমাজউদ্দিন আহমেদের ‘শত নাগরিক’ কমিটির ব্যানারে নির্বাচনে যাওয়ার ব্যাপারে আলোচনা হয়। যথাসম্ভব এই ব্যানারেই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, এখনও নির্বাচনে যাওয়ার চূড়ান্ত ঘোষণা দেয়া হয়নি। তবে তিন সিটিতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যাপারে খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। ক্লিন ইমেজ এবং দল ও সাধারণ ভোটারদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা আছে এমন ব্যক্তিদেরই সমর্থন দেয়া হবে।
প্রার্থী চূড়ান্ত না হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রার্থী চূড়ান্ত করার আগে অনেকগুলো বিষয় বিবেচনা করা হচ্ছে। যাদের সমর্থন দেয়া হবে তারা ফ্রি মুভমেন্ট করতে পারবেন কিনা সে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া হবে। সবকিছু চিন্তা করে বিএনপি চেয়ারপারসন অবশ্যই সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থী চূড়ান্ত করবেন বলে আশা করি।
সূত্র জানায়, ঢাকা উত্তরে আবদুল আউয়াল মিন্টু বাধাহীনভাবেই নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবেন। কারণ তার নামে যেসব মামলা রয়েছে সেগুলোতে উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নেয়া আছে। নতুন কোনো মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও নেই। প্রার্থী হলে তার নামে আর কোনো মামলা হবে বলেই ধরে নেয়া হচ্ছে। এছাড়া ঢাকা মহানগর রাজনীতির সঙ্গেও তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। মহানগর আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক মিন্টু। তার সরাসরি তত্ত্বাবধানেই মহানগরের থানা ও ওয়ার্ড কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। নেতাকর্মী ছাড়াও ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা আছে। অন্যদিকে উত্তরে ব্যবসায়ী নেতা আনিসুল হককে প্রার্থী হিসেবে সমর্থন জানিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। তার বাড়ি বৃহত্তর নোয়াখালীতে। মিন্টুকে বিএনপির সমর্থন জানানোর ক্ষেত্রে এ দুটি বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে। মিন্টুও ব্যবসায়ী নেতা আবার তারও বাড়ি বৃহত্তর নোয়াখালীতে। উত্তরে ভোটারদের বড় একটি অংশ বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলের মানুষ। এছাড়া উত্তরে উচ্চ শিক্ষিত এবং ব্যবসায়ীদের বসবাস বেশি। এসব দিক বিবেচনায় মিন্টুকেই যোগ্য মনে করছে বিএনপি। তাকে দিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়া যাবে বলে মনে করছেন দলের নেতারা। তবে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে মহানগর বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক এমএ কাইয়ুমকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কোনো কারণে মিন্টুর প্রার্থিতা বাতিল হলে কাইয়ুমকে সমর্থন জানাবে বিএনপি।
সূত্র জানায়, দক্ষিণের প্রার্থী চূড়ান্ত করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে বিএনপি। হেভিওয়েট প্রার্থী খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। প্রথমে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে নিয়ে চিন্তাভাবনা করা হলেও নানা কারণে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা হয়েছে। আব্বাস ছাড়া দক্ষিণে মেয়র পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন- মহানগর সদস্য সচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন, অর্থবিষয়ক সম্পাদক আবদুস সালাম। কারাবন্দি বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দীন আহম্মেদ পিন্টু সোমবার তার আইনজীবীর মাধ্যমে মনোনয়নপত্র কিনেছেন।
এদিকে দক্ষিণে মেয়র পদে নির্বাচন করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সাবেক মেয়র ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকাও। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে শেষপর্যন্ত তার পক্ষে নির্বাচন করা সম্ভব নাও হতে পারে। কারণ তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। সবশেষ মাহমুদুর রহমান মান্নার সঙ্গে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছে। প্রার্থী হতে হলে ওই সিটি কর্পোরেশন এলাকার ভোটার হতে হবে এমন বাধ্যবাধকতার কারণে দক্ষিণে হেভিওয়েট প্রার্থী নিয়ে কিছুটা হলেও সমস্যায় রয়েছে বিএনপি। কারণ দলের আরও কয়েকজন সিনিয়র নেতাকে নিয়ে দক্ষিণের প্রার্থী হিসেবে আলোচনা হলেও ওই এলাকার ভোটার না হওয়ায় তা সম্ভব হচ্ছে না।
সূত্র জানায়, দলীয় নেতাদের বাইরে নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে দক্ষিণে কাউকে প্রার্থী করার ব্যাপারে জোর চিন্তাভাবনা চলছে। বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সব শ্রেণী-পেশার কাছে গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে এমন কাউকে দক্ষিণে প্রার্থী দেয়ার চিন্তাভাবনা চলছে। এক্ষেত্রে আইনজীবী ড. তুহিন মালিকের নাম আলোচনায় ছিল। কিন্তু তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। তিনি দেশে আসতে পারবেন কিনা সন্দেহ রয়েছে। তবে শেষপর্যন্ত দলের বাইরে থেকেও দক্ষিণের প্রার্থী বেছে নেয়া হতে পারে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বর্তমান মেয়র মনজুর আলমকেই আবার সমর্থন দিতে যাচ্ছে বিএনপি। প্রথমে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও নগর বিএনপির সভাপতি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে প্রার্থী হতে খালেদা জিয়া অনুরোধ করেন। তিনি সম্মতিও জানান। কিন্তু পরে নানাদিক চিন্তা করে নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত নেন খসরু। চট্টগ্রামের আরেক নেতা আবদুল্লাহ আল নোমানও নির্বাচন করবেন না বলে জানিয়ে দেন। এ পরিস্থিতিতে কপাল খুলছে বর্তমান মেয়র মনজুর আলমের। নোমান এবং খসরুও বর্তমান মেয়রকেই সমর্থন দিতে কেন্দ্রে অনুরোধ জানিয়েছেন বলে জানা গেছে। মনজুর আলমের পক্ষে বেশ কয়েকটি বিষয় ইতিবাচক হিসেবে কাজ করছে। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মনজুর আলম প্রকাশ্যে প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবেন। কারণ তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। এছাড়া আওয়ামী লীগের একটি অংশের সঙ্গেও তার সুসম্পর্ক রয়েছে। নির্বাচনে সেটাকে কাজে লাগাতে পারলে নিশ্চিত জয় আসবে। দলের হাইকমান্ড থেকে ঘোষণা দেয়া না হলেও নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে মনজুরকে সবুজ সংকেত দেয়া হয়েছে। কয়েকদিন আগে আমীর খসরু বর্তমান মেয়রকে নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে চট্টগ্রাম মহানগরের বিভিন্ন থানার নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে মনজুর আলমকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থর জানান খসরু।
সূত্র জানায়, মনজুর আলম ছাড়াও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন মেয়র পদে সমর্থন পেতে নানাভাবে লবিং করছেন। মহানগরের নেতাকর্মীদের একটা অংশও তার সঙ্গে রয়েছেন। কিন্তু নোমান বা খসরু চান না শাহাদাতকে মেয়র পদে সমর্থন দেয়া হোক। শাহাদাত একসময় খসরুর সমর্থক থাকলেও নগর কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পর নিজস্ব বলয় তৈরি করে নিয়েছেন। খসরুর সঙ্গে দূরত্ব সৃষ্টি হয় তার। বিষয়টিকে ভালোভাবে নেননি চট্টগ্রামের সিনিয়র নেতারা। এ ছাড়া শাহাদাতের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। বর্তমানে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন। তার পক্ষে প্রকাশ্যে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো কঠিন হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এ ছাড়া সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম ও ব্যবসায়ী আবদুস সালামের নাম আলোচনায় থাকলেও তাদের সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।
জানতে চাইলে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী যুগান্তরকে বলেন, কেন্দ্র থেকে যাকেই সমর্থন দেয়া হবে দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মী তার পক্ষে কাজ করবে। আশা করি, গতবারের চেয়ে আরও বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জয়লাভ করবে। কারণ মানুষ এ সরকারের আচরণে অতিষ্ঠ। তারা ব্যালটের মাধ্যমে সরকারের কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানাতে উন্মুখ হয়ে আছে।
আজ ইসিতে যাচ্ছে প্রতিনিধি দল : সূত্র জানায়, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনকে বেশ কয়েকটি শর্ত দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। এ বিষয়টি নিয়ে আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর এমাজউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ইসি কার্যালয়ে যাবে। শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে- নির্বাচনকালে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীদের গ্রেফতার বা হয়রানি না করা, নেতাকর্মীদের নির্বিঘ্নে প্রচার-প্রচারণা চালানোর সুযোগ দেয়া, বিএনপির নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের তালা খুলে দেয়া, গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ দেয়া, সভা-সমাবেশের অনুমতি দেয়া, নির্বাচনের আগে সিভিল প্রশাসনের পাশাপাশি সেনাবাহিনী মোতায়েন করা। এ ছাড়া সিডিউল পিছিয়ে ভোটারদের জায়গা পরিবর্তনের সুযোগ করে দেয়ার দাবিও জানানো হতে পারে।
 

প্রথম পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close