¦

এইমাত্র পাওয়া

  • নির্বাচন থেকে সরে আসার প্রশ্নই ওঠে না: খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ড. এমাজউদ্দীন আহমেদ
রাজধানীতে ফের কুপিয়ে ব্লগার হত্যা : গ্রেফতার ২

যুগান্তর রিপোর্ট | প্রকাশ : ৩১ মার্চ ২০১৫

ধর্মীয় উগ্রবাদীদের হাতে খুন হয়েছেন আরেক ব্লগার ওয়াশিকুর রহমান বাবু (২৭)। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের দক্ষিণ বেগুনবাড়ি এলাকায় বাসার ৪০ গজ দূরে তিন দুর্বৃত্ত তাকে ধারালো চাপাতি দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে। ঘটনা ঘটিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় জনতার হাতে ধরা পড়েছে দুই দুর্বৃত্ত। তারা হল মাদ্রাসাছাত্র জিকুরুল্লাহ ও আরিফুল ইসলাম। পুলিশের কাছে তারা হত্যার কথা স্বীকার করে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় ব্লগার অভিজিৎ রায় ও ২০১৩ সালে মিরপুরে ব্লগার রাজীব হায়দারকে এভাবেই খুন করা হয়। ওয়াশিকুরের ভগ্নিপতি মনির হোসেন মাসুদ বাদী হয়ে রাত ১০টার দিকে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় জিকুরুল্লাহ, তাহের, আরিফুল ও মাসুমকে আসামি করা হয়েছে। মাসুম ও তাহের পলাতক রয়েছে এবং মামলার পর জিকুরুল্লাহ ও আরিফুলকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ওয়াশিকুর মতিঝিল অফিসে যাওয়ার জন্য বের হন। এ সময় দুর্র্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে খুন করে। অনলাইনে ধর্ম নিয়ে নিজের মতাদর্শ প্রচার করাকে কেন্দ্র করে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে। হত্যাকাণ্ডে তিনজন অংশ নেয়। এদের মধ্যে আবু তাহের নামে একজন পালিয়েছে। ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে দুটি ও গ্রেফতার আরিফুলের কাছে থাকা ব্যাগ থেকে একটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতার দু’জন স্বীকার করে বলেছে, ওয়াশিকুর ব্লগার ছিল। ইসলাম ধর্মবিরোধী লেখালেখি করত। এ কারণে মাসুম নামে এক যুবকের নির্দেশে তারা ওয়াশিকুরকে হত্যা করেছে। বিকালে শিল্পাঞ্চল থানা থেকে তাদের ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের মিন্টো রোড কার্যালয়ে পাঠানো হয়। সিআইডির ক্রাইম সিন ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে এবং ওয়াশিকুরের ব্যবহৃত ল্যাপটপ জব্দ করে ঘরটি তালা মেরে রেখেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, ওয়াশিকুর রহমান ৪/৩-এ ভবনের দ্বিতীয় তলায় একটি কক্ষে সাবলেট থাকতেন। সঙ্গে তার বাবা টিপু সুলতানও থাকেন। তাদের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ থানার উত্তর হাজীপুরে। ওয়াশিকুর মতিঝিলের ফারইস্ট অ্যাভিয়েশন নামে একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে ট্রেইনি অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
ওয়াশিকুরের বাবা টিপু সুলতান জানান, ওয়াশিকুর তার একমাত্র ছেলে। বড় মেয়ে বিয়ে করে সংসার করছেন। ছেলেকে নিয়ে তিনি দক্ষিণ বেগুনবাড়িতে সাবলেট থাকতেন। ওয়াশিকুর রাজধানীর তেজগাঁও কলেজ থেকে মার্কেটিং বিভাগে ২০১৩ সালে অনার্স শেষ করেছে। টিপু সুলতান দৈনিক বাংলার মোড়ে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। সোমবার সকাল পৌনে ৬টায় তিনি (টিপু সুলতান) গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুরে যাওয়ার উদ্দেশে বাসা থেকে বের হন। তখন ওয়াশিকুর বাসায় ঘুমাচ্ছিল। তিনি লক্ষ্মীপুর পৌঁছানোর পর বেলা সাড়ে ১০টার দিকে মোবাইল ফোনে ছেলে হত্যার খবর শোনেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, অফিসের উদ্দেশে সকাল সাড়ে ৯টার একটু আগে বাসা থেকে বের হন ওয়াশিকুর। বাসা থেকে ৪০ গজ দূরে যেতেই দুর্বৃত্তরা তার মুখে, গলায় ও মাথায় এলোপাতাড়ি কোপায়। তিনি মাটিতে পড়ে ছটফট করেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন দুর্বৃত্তদের দেখে ধাওয়া করে। দুটি রক্তাক্ত চাপাতি ফেলে দুর্বৃত্তরা দৌড় দেয়। তাদের সবার পিঠে স্কুল ব্যাগ ছিল। একপর্যায়ে দু’জনকে জনগণ আটক করে। পালিয়ে যায় অপরজন। ঘটনাস্থল থেকে আনুমানিক তিনশ’ গজ দূরে শিল্পাঞ্চল থানার পুলিশ টহল ডিউটিতে ছিল। টহলে থাকা এএসআই হুমায়ন কবীর বলেন, লোকমুখে খবর শুনে আমাদের তিনটি টিম ছুটে যায়। জনগণের সহায়তায় দু’জনকে আটক করা হয়। এএসআই আরও বলেন, তিনি ওয়াশিকুরকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। তাকে উদ্ধারের সময় তার শ্বাস-প্রশ্বাস চলছিল বলে তিনি জানান। সকাল সাড়ে ১০টায় হাসপাতালের চিকিৎসক ওয়াশিকুরকে মৃত ঘোষণা করেন।
আই অ্যাম অভিজিৎ : ‘ইস্টিশন’ ব্লগে লেখালেখি করতেন ওয়াশিকুর। এছাড়া তার ফেসবুকে মৌলবাদ ও উগ্র জঙ্গিবাদ নিয়ে লেখালেখি করতেন। তিনি প্রায় ৭ বছর ধরে ‘সামহোয়্যার’ ব্লগে ‘কুচ্ছিত হাঁসের ছানা’ নামে লিখতেন। ফেসবুক পৃষ্ঠায় ধর্ম, বিজ্ঞান এবং সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী বিভিন্ন লেখা এসেছে বিভিন্ন সময়ে। মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ রায়ের মৃত্যুর পর ওয়াশিক ২৬ ফেব্র“য়ারি তার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছে, ‘এক থাবা বাবার মৃত্যু হাজার থাবা বাবা জন্ম দিয়েছে। এক অভিজিৎ রায়ের মৃত্যু লাখো অভিজিৎ রায়কে জন্ম দেবে। কলম চলবে, চলতেই থাকবে। তোদের বিশ্বাসের মৃত্যু না ঘটা পর্যন্ত ...।’ তার ফেসবুকের কভার পেজে ‘আই অ্যাম অভিজিৎ’ ও প্রোফাইল পিকচারেও আই অ্যাম অভিজিৎ লেখা ছিল। এসব লেখার কারণে ওয়াশিকুরকে হত্যা করা হয়েছে বলে গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করে।
ঘটনাস্থলের বর্ণনা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের কথা : দক্ষিণ বেগুনবাড়ির দীপিকার মোড় থেকে মসজিদের পাশ দিয়ে ভেতরে চলে গেছে সরু রাস্তা। ঘিঞ্জি এলাকা। ঘটনাস্থলের দুই পাশে আনুমানিক ৩০ গজের মধ্যে বেশ কয়েকটি দোকান। এছাড়া ঘটনাস্থলের পাশেই আবাসিক ভবন। ঘটনার সময় দোকানগুলো খোলা ছিল। রাস্তার একপাশে ওয়াশিকুরকে কোপায় দুর্বৃত্তরা। তাকে কুপিয়ে দুটি চাপাতি মাথার পাশে ফেলে রেখে যায় তারা। রুমানা নামে এক নারী যুগান্তরকে বলেন, তিনি একটি মেসে রান্নার কাজ করেন। প্রতিদিনের মতো সোমবার সকালে তিনি ওই মেসে রান্না করতে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হন। রুমানা বলেন, আমি ওই গলিতে ঢুকছি (ঘটনাস্থল যে গলিতে) এমন সময় দেখি একটি ছেলেকে দু’জন কোপাচ্ছে। একটু দূরে একজন দাঁড়িয়ে। ছেলেটা চিৎকার করতে করতে মাটিতে পড়ে যায়। আমি মনে করি ওরা ছিনতাই করছে। চোর চোর বলে আমি চিৎকার দেই। এরপরই ওরা পালিয়ে যায়। আমিও পেছন পেছন দৌড় দেই। প্রত্যক্ষদর্শী রফিক হোসেন যুগান্তরকে বলেন, আমি মসজিদের পাশে একটি হোটেলে নাস্তা করছিলাম। চিৎকার শুনে বেরিয়ে দেখি তিনজন পালাচ্ছে। আমি ওদের ধরার জন্য দৌড় দেই। আমার সঙ্গে হিজড়াসহ আরও কয়েকজন দৌড় দেয়। কিছুক্ষণ পর দু’জনকে ধরি। তখন পুলিশও আমাদের পেছন পেছন আসে। পুলিশ তাদের আটক করে নিয়ে যায়। একজন পালিয়ে যায়। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার এসআই হাবিবুর রহমান লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছেন। তাতে তিনি উল্লেখ করেন- মাথার পেছনের নিচের অংশে দুই ইঞ্চি লম্বা কাটা দাগ। নাকের ওপরে কাটা চিহ্ন, যা ১০ ইঞ্চি লম্বা ও গভীর দেড় ইঞ্চি। কাটা চিহ্নটি নাক থেকে দুই চোখের মাঝখান দিয়ে দুই কানের কাছাকাছি পর্যন্ত। সেখানে একাধিক কোপ মারায় এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। তার দুই চোখ কোপে গলে গেছে। থুঁতনির মাঝখানে চার ইঞ্চি লম্বা কাটা দাগ। এর গভীরতা দেড় ইঞ্চি। গলায় দুটি কাটা দাগ, একটি কোপ তিন ইঞ্চি ভেদ করে শ্বাসনালি কেটে গেছে। গলার ওপরের কাটা দাগ দুই ইঞ্চি। গলার নিচের অংশে কালো তিনটি দাগ আছে। ডান গালে চার ইঞ্চি লম্বা এবং এক ইঞ্চি গভীর কাটা দাগ। এদিকে সন্ধ্যায় মর্গে লাশের ময়নাতদন্ত করা হয়। রাতে গ্রামের উদ্দেশে লাশ নেয়া হয়।
গ্রেফতার দু’জনের পরিচয় : পুলিশ জানিয়েছে, জিকুরুল্লাহ চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসার তাফসির বিভাগের ছাত্র। তার বাবার নাম মইনুদ্দিন। গ্রামের বাড়ি নরসিংদী জেলার রায়পুরের গজারিয়াকান্দি। তবে জিকুরুল্লাহ মাদ্রাসায় থাকতেন। হাটহাজারী মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জিকুরুল্লাহ তাদের মাদ্রাসার ছাত্র নয়। আরিফুল ইসলাম মিরপুর-১ নম্বরের দারুল উলুম মাদ্রাসার ছাত্র। তার বাবার নাম তাজুল ইসলাম। গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার তিতাস থানার বারকাউলিয়ায়।
হত্যার পরিকল্পনা : পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জিকুরুল্লাহ জানায়- গত রমজান মাসে ট্রেনে করে নরসিংদী থেকে চট্টগ্রামে যাওয়ার পথে তার সঙ্গে মাসুমের পরিচয় হয়। এ সময় তাদের মধ্যে ধর্ম নিয়ে আলোচনা হয়। এরপর তাদের অনেক সময় সাক্ষাৎ হয়েছে। আরিফুল জানায়- মাস দেড়েক আগে ফার্মগেটে মাসুমের সঙ্গে তার পরিচয়। মাসুম তাকে প্রায়ই বলত ইসলামী কটূক্তিকারীদের হত্যা করতে হবে। ওয়াশিকুর ইসলামবিরোধী লেখালেখি করে। তাকে হত্যা করতে হবে। ওয়াশিকুরকে হত্যার উদ্দেশ্যে শনিবার হাটহাজারী থেকে ঢাকায় আসে জিকুরুল্লাহ। রোববার রাতে যাত্রাবাড়ীতে একটি মসজিদে ছিল জিকুরুল্লাহ। ওইদিন বিকালে হাতিরঝিলে মাসুম, জিকুরুল্লাহ, আরিফুল ও তাহের মিলিত হয়। মাসুম সেখানে একটি ছবি দেখিয়ে জানায় যে, এই ব্যক্তি ইসলামের বিরুদ্ধে কটূক্তি করে। এর নাম ওয়াশিকুর। একে হত্যা করা ইমানি কাজ। এরপরই হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। এ সময় তিনজনের হাতে তিনটি চাপাতি তুলে দেয় মাসুম। তবে আরিফুল মাসুমকে জানায় সে কোপাতে পারবে না। তখন সাহস জুগিয়ে মাসুম তাকে বলে তুমি শুধু সঙ্গে থেকো। এরপর সন্ধ্যায় ওয়াশিকুরের বাসার এলাকা রেকিও করে তারা। জিকুরুল্লাহ থানায় বলে- পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী সকাল ৯টায় তারা তিনজন ব্যাগে করে তিনটি চাপাতি নিয়ে ওয়াশিকুরের বাসার সামনে হাজির হয়। তাহের ও সে (জিকুরুল্লাহ) চাপাতি দিয়ে কোপায় ওয়াশিকুরকে।
আসকের নিন্দা : ওয়াশিকুর রহমান বাবু হত্যাকাণ্ডে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। সোমবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্লগার অভিজিৎ রায়ের হত্যার কিছুদিনের মাথায় আরেক ব্লগার ওয়াশিকুর হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত উদ্বেগের। অবিলম্বে এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তসাপেক্ষে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানায় আসক।
গণজাগরণ মঞ্চের বিক্ষোভ : এদিকে ওয়াশিকুর রহমান বাবু হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোমবার সন্ধ্যায় শাহবাগে বিক্ষোভ করেছে গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা। তারা হত্যাকারী ও তাদের গডফাদারদের গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। এছাড়াও গণজাগরণ মঞ্চ এক বিবৃতিতে প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
গ্রামের বাড়িতে  মাতম : রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি জানান, ওয়াশিকুর রহমান তুষার নিহতের ঘটনায় তার গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার ৫নং চণ্ডিপুর ইউনিয়নের উত্তর হাজীপুর গ্রামের আবদুল করিম হাজীর বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। খুনের খবর ছড়িয়ে পড়লে জনসাধারণের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।
স্থানীয় সূত্র ও নিহত ওয়াশিকুর রহমানের বোন আসরাফী সুলতানা সিমু জানান, দুই ভাই-বোনের মধ্যে ছোট ভাই ওয়াশিকুর রহমান ছোটবেলা থেকে শান্ত স্বভাবের। কোনো রাজনীতির সঙ্গে সে জড়িত ছিল না। তবে সে বিভিন্ন ব্লগে লেখালেখি করত। ব্লগার ওয়াশিকুর রহমান ২০০৪ সালে উপজেলার চণ্ডিপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় পাস করে ঢাকায় তেজগাঁও কলেজে গিয়ে ভর্তি হয়।
 

প্রথম পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close