¦
মির্জা আব্বাসের আগাম জামিনের আদেশ বুধবার

যুগান্তর রিপোর্ট | প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০১৫

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মির্জা আব্বাসের দুটি মামলায় করা আগাম জামিন আবেদনের ওপর বুধবার আদেশ দেবেন হাইকোর্ট। আদেশ না হওয়া পর্যন্ত তাকে গ্রেফতার ও হয়রানি না করারও আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া দুদকের একটি মামলায় তার আগাম জামিন আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। সোমবার বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের বেঞ্চ এসব আদেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের দায়িত্বরত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. বশিরউল্লাহ যুগান্তরকে জানিয়েছেন, আদালত মতিঝিল ও পল্টন থানায় দায়ের করা দুটি মামলার আগাম জামিন আবেদনের ওপর বুধবার আদেশ দেবেন। ওই দিন মির্জা আব্বাসের পক্ষে তার আইনজীবী কিছুটা শুনানিও করবেন। তাই যেহেতু তাকে আবার ওই দিন আদালতে আসতে হবে তাই এ সময় পর্যন্ত পুলিশ তাকে গ্রেফতার ও হয়রানি করতে পারবে না। এছাড়া মির্জা আব্বাসও এ সময় পর্যন্ত কোনো নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না। কোনো দলীয় কর্মসূচিতেও অংশ নিতে পারবেন না।
তিনি আরও বলেন, দুদকের মামলার বিষয়াদি শুনানির জন্য হাইকোর্টের আলাদা বেঞ্চ রয়েছে। এজন্য দুদক সংক্রান্ত মামলায় করা আগাম জামিনের আবেদনটি এই বেঞ্চ কার্যতালিকা থেকে বাদ (আউট অব লিস্ট করেছেন) দিয়েছেন। পল্টন, মতিঝিল ও শাহবাগ থানার তিন মামলায় রোববার আগাম জামিনের আবেদন জানান মির্জা আব্বাস। সোমবার হাইকোর্টের উপরোক্ত বেঞ্চে মির্জা আব্বাস আত্মসমর্পণ করেন। এরপর তার পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন খন্দকার মাহবুব হোসেন ও এজে মোহাম্মদ আলী। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. বশিরউল্লাহ।
শুনানিতে মির্জা আব্বাসের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন আদালতে বলেন, পল্টন ও মতিঝিল থানায় পুলিশের দায়ের করা মামলায় তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। তাকে হুকুমের আসামি করা হয়েছে। অন্যান্য আসামির সঙ্গে তার নাম যুক্ত করে দেয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। তিনি এসব মামলায় জামিন পাওয়ার যোগ্য।
অন্যদিকে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, মামলায় যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা গুরুতর। ঘটনার সময় শত শত মানুষ পুড়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিল। রাজনীতিতে এ ধরনের ঘটনা আগে কখনও দেখিনি। তাই জামিন দেয়া ঠিক হবে না। এরপর মির্জা আব্বাসের পক্ষে আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী শুনানি শুরু করেন। কিন্তু আদালতের দৈনন্দিন সময়সূচি শেষ হয়ে যাওয়ায় বুধবার পরবর্তী শুনানি ও আদেশের জন্য দিন ধার্য করেন। শুনানিকালে মির্জা আব্বাসের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, বদরুদ্দোজা বাদল, রাগীব রউফ চৌধুরী, এহসানুর রহমান প্রমুখ।
জানা গেছে, পল্টন থানার মামলাটি পুলিশ দায়ের করেছে ২০১৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর। বাসে অগ্নিসংযোগ ও হাতবোমা বিস্ফোরণের অভিযোগ আনা হয়েছে এ মামলায়। চলতি বছর ৪ জানুয়ারি মতিঝিল থানায় দায়ের করা বিস্ফোরক আইনের মামলার বাদীও পুলিশ।
আর শাহবাগ থানার মামলাটি ২০১৪ সালের ৬ মার্চ দুদক দায়ের করে। প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা এ মামলার এজাহারে মির্জা আব্বাসের নাম না থাকলেও গ্রেফতারের আশংকায় তিনি জামিন চেয়েছেন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও মহানগর আহ্বায়ক মির্জা আব্বাস সিটি নির্বাচনে অংশ নিতে যে হলফনামা জমা দিয়েছেন, তাতে তার নামে আগে ২৪টি এবং বর্তমানে ৩৭টি ফৌজদারি মামলা থাকার কথা বলা হয়েছে। বেশ কিছু মামলায় তিনি জামিনে রয়েছেন।
প্রথম পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close