¦
বৈশাখে রঙিন ঢাকা

হক ফারুক আহমেদ | প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০১৫

পহেলা বৈশাখ বাংলার ঘরে ঘরে জ্বালিয়েছে নতুন আলো, নতুন আশা। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই দিনটিকে বরণ করে নিতে মেতে উঠেছিল বৈশাখী আমেজে। গ্রামে-গঞ্জে বসেছে বৈশাখী মেলা। খোলা হয়েছে হালখাতা। গ্রামীণ জনপদের পাশাপাশি দেশের সব জেলা শহরে আড়ম্বরে পালিত হয়েছে পহেলা বৈশাখ। আর রাজধানী ঢাকা তো পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে পরিণত হয়েছিল এক উৎসবের নগরীতে। বৈশাখের রঙে রাঙিয়ে নিতে কোনো কমতি ছিল না কোথাও। তরুণরা গায়ে পাঞ্জাবি, মাথায় গামছা, তরুণীরা লাল-সাদা শাড়িতে হাতে রেশমি চুড়ি আর মাথায় টায়রা পরে, শিশুরা রঙিন জামা পরে হাতে-গালে এঁকেছিল শুভ নববর্ষ ১৪২২ ও একতারাসহ নানা আল্পনা। হাতে হাতে ছিল ডুগডুগি, একতারা, ঢোল আর বাঁশি। নির্বিঘ্নে লাখ লাখ মানুষ পালন করেছে পহেলা বৈশাখ।
শহরের বিভিন্ন স্থান এবং খোলা মাঠে চলে বৈশাখের অনুষ্ঠান। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও চারুকলার মাঠে অনেক পরিবারকেই অনেকটা পিকনিক মুডে সারাদিন আনন্দ-উল্লাসে কাটাতে দেখা যায়। অনেকে যেমন বাসা থেকে খাবার নিয়ে এসেছেন তেমনি আবার অনেকেই পান্তা-ইলিশ খেয়েছেন এসব জায়গায় এসেই।
ছায়ানটের বর্ষবরণ : বঙ্গাব্দ ১৪২২-এর প্রথম প্রভাতকে বরণ করে নিতে মূল আয়োজনটা বরাবরের মতো এবারও ছায়ানটের। মানুষের মঙ্গল কামনায় ছায়ানটের এই অশুভ অসুর বিনাশী আয়োজন। ‘শান্তি, মানবতা ও মানুষের অধিকার’ এই স্লোগানকে সামনে রেখেই নববর্ষকে বরণ করে নিতে মঙ্গলবার রমনার বটমূলে চলে দুই ঘণ্টার এই সুরের আয়োজন। সকাল সাড়ে ৬টায় রমনার বটমূলে ভোরের আলো রক্তিম আভা ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে নীরবতা ভাঙলেন শিল্পী এবাদুল হক সৈকত। সেতার পরিবেশন করলেন রাগ পরমেশ্বরী। এত সকালেই মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছিল অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ। এরপর ছায়ানটের শিল্পীরা পরিবেশন করেন রবীন্দ্রনাথের প্রকৃতি পর্যায়ের গান ‘ধ্বনিল আহ্বান মধুর গম্ভীর প্রভাত-অম্বর-মাঝে/দিকে দিগন্তরে ভুবন মন্দিরে শান্তি সঙ্গীত বাজে’।
মূলত এই গানের মধ্য দিয়ে শুরু ছায়ানটের ৪৭তম গানে গানে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। ঘড়ির কাঁটায় তখন সকাল ৮টা ২০ মিনিট। জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে ছায়ানটের বর্ষবরণের আয়োজন শেষ হয়।
মঙ্গল শোভাযাত্রা : রমনার বটমূলে ছায়ানটের সঙ্গীতের আয়োজন শেষে নববর্ষ বরণের উৎসবের ঢেউ এসে লাগে মঙ্গল শোভাযাত্রায়। ‘অনেক আলো জ্বালতে হবে মনের অন্ধকারে’ এই স্লোগানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার গেট থেকে এবারের মঙ্গল শোভাযাত্রা বাঁধভাঙ্গা জনস্রোত নিয়ে শুরু হয় সকাল ৯টা ১০ মিনিটে। মঙ্গল শোভাযাত্রা উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. আআমস আরেফিন সিদ্দিক। শোভাযাত্রাটি শাহবাগ মোড় থেকে হোটেল রূপসী বাংলা মোড় হয়ে আবার শাহবাগ মোড় ঘুরে টিএসসি হয়ে চারুকলার সামনে এসে শেষ হয় সকাল ১০টায়। শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, বাঙালির বর্ষবরণ দেখতে আসা থাইল্যান্ডের সংস্কৃতিবিষয়কমন্ত্রী ভিরা রতপোজানারাত প্রমুখ। এবারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় ছাগল, তোতা পাখি, হাট্টিমা টিম টিম, কাকাতুয়া, মাছ, বাঘ, পায়রা, হাতিসহ ১১টি বড় স্থাপনা ছিল। সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে রয়েছে ছাগল ও দুটি ছানা। সাম্প্রদায়িক শক্তিকে রুখে দাঁড়ানোর প্রতীক হিসেবে শোভাযাত্রায় ছিল প্রায় ২০ ফুট লম্বা একটি মুষ্টিবদ্ধ হাত।
বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ষবরণ : ‘ঐ নতুনের কেতন ওড়ে/কালবোশেখির ঝড়/তোরা সব জয়ধ্বনি কর’ এ স্লোগানকে ধারণ করে প্রথমবারের মতো বাংলা নববর্ষ ১৪২২ উদযাপিত হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) বটতলায়। সকাল ৮টায় কবিতা-গানের এই আবাহনে মঙ্গলবচন ধ্বনিত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খানের কণ্ঠে। এ সময় প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. মো. রুহুল আমিন মিয়া, প্রো-ভিসি (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল্লাহ সিকদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. জুলফিকার রহমান খান, প্রক্টর অধ্যাপক এএসএম জাকারিয়া স্বপন, রেজিস্ট্রার ভারপ্রাপ্ত অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুল ইসলামসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, নার্স ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
রবীন্দ্র সরোবর : বর্ষবরণে সকাল থেকেই মাতোয়ারা ছিল ধানমণ্ডির রবীন্দ্র সরোবর। দুপুর পর্যন্ত পুরো এলাকায় তিলধারণের ঠাঁই ছিল না। শিল্পীদের সুরে তালে তালে গা ভাসিয়েছেন সব বয়সী দর্শক-শ্রোতা। শিল্পী চন্দনা মজুমদারের কণ্ঠে ‘সোনার পালঙ্কের ঘরে, লিখে রেখে ছিলেম যারে’ গানটি শুনতেই তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন সবাই।
চাঁদের হাট : জাতীয় শিশু-কিশোর ও যুব কল্যাণ সংগঠন চাঁদের হাট এ বছর তাদের ৪১তম প্রতিষ্ঠাবাষির্কীর পাশাপাশি পহেলা বৈশাখ পালন করেছে। তোপখানা রোডে শিশুকল্যাণ পরিষদ মিলায়তনে দিনব্যাপী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিল চাঁদের হাটের বিভিন্নস্তরের মিলনমেলা, আড্ডা, কেক কাটা ও বিকালে স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা অনুষ্ঠান। চাঁদের হাটের কেন্দ্রীয় পরিষদের সভাপতি মো. শাহ আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, চাঁদের হাটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক বিশিষ্ট সাংবাদিক, ছড়াকার, শিশুসাহিত্যিক রফিকুল হক দাদুভাই। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁদের হাটের জাতীয় প্রেসিডিয়াম চেয়ারম্যান স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক মো. জাকারিয়া পিন্টু।
বিভিন্ন সংগঠন/প্রতিষ্ঠানের বর্ণাঢ্য আয়োজন : বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান বর্ণাঢ্য আয়োজনে নববর্ষকে বরণ করে নেয়।
সুন্দর হোক আগামী, দেশ হোক মঙ্গলময় এই প্রত্যয়ে চ্যানেল আই ও সুরের ধারার আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন হয় হাজারও কণ্ঠে বর্ষবরণ ১৪২২। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে হাজার হাজার দর্শকের অংশগ্রহণে সূচনা হয় এই অনুষ্ঠানের। দেশবরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার নেতৃত্বে শিল্পীরা গেয়ে ওঠেন ‘ওঠো ওঠোরে...। এরপর ‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো...’। এই উৎসব চলে বেলা ১টা পর্যন্ত। উৎসবে উপস্থিত ছিলেন- চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ, পরিচালক জহির উদ্দিন মাহমুদ মামুন, রাজনীতিবিদ জাহাঙ্গীর কবীর নানক, দীলিপ বড়ুয়া, মেয়র প্রার্থী আনিসুল হক, সাঈদ খোকন, তাবিথ আউয়াল প্রমুখ।
সকাল সাড়ে ৭টায় রবিরশ্মির শিল্পীদের পরিবেশনায় ও মহাদেব ঘোষের পরিচালনায় বর্ষবরণ সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে বাংলা একাডেমির নজরুল মঞ্চে নববর্ষের অনুষ্ঠান শুরু হয়।
এরপর ছিল একক বক্তৃতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং স্বরচিত ছড়া-কবিতা পাঠ। অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ প্রদান করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান। বাংলা নববর্ষ বিষয়ে একক বক্তৃতা প্রদান করেন এমেরিটাস অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন একাডেমির সভাপতি এমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বর্ষবরণ আয়োজনে ছিল- জাতীয় সঙ্গীত, বাউল উৎসব, রায়বেশে, সঙযাত্রা, ধামাইল, যাত্রাপালা, অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী, একাডেমি প্রাঙ্গণে শিশুদের জন্য ঘোড়ার গাড়ি চক্কর, সঙ্গীত, নৃত্য, আবৃত্তি ও ১০টি নাটকের দলের কোরিওগ্রাফি।
নাচে-গানে মুখরিত হয়ে বাংলা নতুন বছরকে বরণ করে নিয়েছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী। নববর্ষের শুভলগ্নকে উদযাপন করতে পহেলা বৈশাখ মঙ্গলবার সকাল ৭টায় রাজধানীর বাসাবো বালুর মাঠে শুরু হয় উদীচীর বর্ষবরণ অনুষ্ঠান।
প্রতি পয়লা বৈশাখেই শিশুপার্কের প্রবেশমুখের নারিকেলবীথিতে সঙ্গীত পরিবশেন করে ঋষিজ শিল্পী গোষ্ঠী। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ‘নব আনন্দে জাগো’ শিরোনামে সকাল ৭টা ৩০মিনিটে শুরু হয় ঋষিজ শিল্পী গোষ্ঠীর অনুষ্ঠান।
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে পহেলা বৈশাখে সকাল ৯টায় শুরু হয় শিশুদের নাচ-গান-আবৃত্তি। বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এ অনুষ্ঠান চলে। সঙ্গীত পরিবেশন করেন বাউল জালাল দেওয়ান ও তার দল।
সম্মিলিত সাংস্কৃতি জোট বিকাল চারটায় ধানমণ্ডির রবীন্দ্র সরোবরে আয়োজন করে একক ও দলীয় লোকসঙ্গীত এবং নৃত্যানুষ্ঠানের।
জমজমাট অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলা নববর্ষ বরণ করা হয়। বরেণ্য শিল্পীদের লোকসঙ্গীত, লালনগীতি, ভাওয়াইয়া ও দেশী গানে বর্ষবরণ উৎসব সবাইকে মুগ্ধ করে। মধ্যাহ্নভোজের দেশীয় বিশেষ খাবারে সদস্যরা সপরিবারে অংশগ্রহণ করেন। প্রেস ক্লাব সদস্যদের ছেলেমেয়েদের পরিবেশনায় ‘এসো হে বৈশাখ এসো’ গান দিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠান আয়োজন করে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিও (ডিআরইউ)।
বর্ণিল সাজে সেজেছিল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি)। বর্ষবরণে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ পরিচালক সমিতি। ভোরে এ আয়োজনের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন ও বাংলা সিনেমার মিষ্টি মেয়েখ্যাত নায়িকা কবরী। উদ্বোধনের পর বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গীত বিভাগের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখে সকাল ৮টায় কলাভবনের সামনের বটতলায় বসে বাংলা গানের আসর। সকাল ১০টায় নাটমণ্ডল প্রাঙ্গণে বিশ্ববিদ্যালয় থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের উদ্যোগে পরিবেশিত হয় নানা অনুষ্ঠান। কলাভবনের সামনে সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয় বাংলা বিভাগের দিনব্যাপী আয়োজন।
এদিন রাজধানীর নানা জায়গায় কনসার্টের আয়োজন করা হয়। কলাবাগান মাঠে দুপুর ২টা ২০ মিনিট থেকে শুরু হয় ‘বৈশাখী উৎসব’। এখানে সঙ্গীত পরিবেশন করে জেমস ও নগরবাউল, শিরোনামহীন, আর্টসেল, চিরকুট এবং ইনসাইড ইউ। বিকাল ৩টায় স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির সিদ্বেশ্বরী ক্যাম্পাসে গান পরিবেশন করে শিল্পী তাহসান এবং ব্যান্ড লালন।
রমনা পার্কের জামতলায় সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হয় ‘বৈশাখী আনন্দ তুফান’। সঙ্গীত পরিবেশন করে নগরবাউল জেমস্, সোলস, বাপ্পা অ্যান্ড ফ্রেন্ডস, ফিডব্যাক, বৃষ্টি মুৎসুদ্দী, নির্বাচিতা মুৎসুদ্দী, লুবনা লিমি এবং বাংলাদেশ পুলিশ সাংস্কৃতিক পরিষদের শিল্পীরা।
ধানমণ্ডির আবাহনী মাঠে ‘বৈশাখী কনসার্ট’ শুরু হয় বিকাল ৩টায়। পরিবেশনায় ছিল জেমস ও নগরবাউল, ফিডব্যাক, চিরকুট। নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বেলা সাড়ে ১২টায় শুরু হয় ‘আনন্দে মাতো বৈশাখে’ কনসার্ট। বনানীর কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ ও ২৭ নম্বর সড়কসংলগ্ন রাজউক মাঠে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে শুরু হয় বৈশাখী কনসার্ট। এখানে গান করে মাইলস, ওয়ারফেজ, অর্থহীন, শফি মণ্ডল ও কোনাল। ঢাকার অদূরে আশুলিয়ায় ফ্যান্টাসি কিংডম পার্কে বিকালে অনুষ্ঠিত হয় ‘বৈশাখী কনসার্ট’।
ঢাকা মহানগর দোকান মালিক সমিতি সকাল ৯টায় পান্তা-ইলিশ ও মনোজ্ঞ সঙ্গীত অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে নববর্ষকে বরণ করে নেয়। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বিজিবি সদর দফতর পিলখানায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়। সকাল ৯টায় পিলখানার বিজিবির প্রশিক্ষণ মাঠে বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করেন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ। মঙ্গল শোভাযাত্রা, বৈশাখী মেলা, নানা সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালিত হয় পহেলা বৈশাখ ১৪২২। সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে শোভাযাত্রা উদ্বোধন করেন ভিসি অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান।
 

প্রথম পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close