¦
অথৈ সাগরে বাঁচার লড়াই

যুগান্তর ডেস্ক | প্রকাশ : ১৬ মে ২০১৫

আন্দামান সাগরে ডুবন্ত নৌকা থেকে প্রাণে বেঁচে যাওয়া রোহিঙ্গাদের হাড্ডিসার শরীর বলে দেয় কতদিন তারা খেতে পায়নি

মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডের অমানবিক আচরণের কারণে কয়েক হাজার বংলাদেশী ও মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিক মরতে বসেছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ও দেশের অনুরোধ সত্ত্বেও এসব অভিবাসীকে উপকূলে ভিড়তে দিচ্ছে না দেশ তিনটি। আর এ কারণে সাগরে ভেসে থাকা বোটগুলোতে নেমে এসেছে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়। খাদ্য ও পানি সংকটে মরছে মানুষ। ঘটছে বোটডুবির মতো দুর্ঘটনা। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার আচেহ উপকূলে অভিবাসী বোঝাই একটি বোট ডুবে যায়। এ সময় স্থানীয় জেলেরা ৬১ শিশুসহ ৭৫০ জনকে উদ্ধার করে। এর মধ্যে চারশ’ বাংলাদেশের নাগরিক বলে জানা গেছে। এদিকে অভিবাসীদের জীবন বাঁচাতে থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র। এর সমাধান খুঁজতে আগামী ২৯ মে সম্মেলনের আহ্বান করেছে থাইল্যান্ড। এ বিষয়ে আলোচনা করতে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া যৌথ কমিশনের চতুর্থ বৈঠক বসছে আজ। খবর এএফপি, বিবিসি, সিএনএন ও যুগান্তরের মালয়েশিয়া প্রতিনিধির।
মালয়েশিয়া থেকে যুগান্তরের প্রতিনিধি আহমাদুল কবির জানান, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়ার অদূরে গন্তব্যহীনভাবে ভাসতে থাকা বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গাদের বহনকারী একটি বোট শুক্রবার ডুবে যায়। ইন্দোনেশিয়ার কোস্টগার্ড ও স্থানীয় জেলেরা বোট থেকে নারী ও শিশুসহ ৭৫০ জনকে উদ্ধার করেছে। এদের মধ্যে প্রায় চারশ’ বাংলাদেশী রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে ডুবে যাওয়া বোটটিতে ঠিক কতজন অভিবাসী ছিল তা জানা যায়নি। ইন্দোনেশিয়া কর্তৃপক্ষের দাবি, এসব অভিবাসী রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশী। তাদের আচেহ প্রদেশের লাংসা শহরে রাখা হয়েছে। মালয়েশিয়া থেকে বিতারিত হয়ে ফেরার পথে সুমাত্রা দ্বীপের পূর্ব উপকূলে এসব অভিবাসীকে বহনকারী বোটটি ডুবে যায়।
লাংসার পুলিশপ্রধান সুনারয়া বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমরা তাদের কাছ থেকে জানতে পেরেছি তারা মালয়েশিয়া যাচ্ছিলেন। কিন্তু সে দেশের নৌবাহিনী তাদের ইন্দোনেশিয়ার জলসীমায় ঠেলে দেয়।’ তিনি বলেন, উপকূলের কাছাকাছি অন্য আরেকটি নৌকায় ছিল ৪৭ জন অভিবাসী। ক্ষুধার্ত এসব মানুষ পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে উদ্ধার মিনতি জানায়। স্থানীয় জেলেরা তাদের উদ্ধার করে।
এদিকে সম্প্রতি উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশী ও মিয়ানমারের রোহিঙ্গা অভিবাসীদের ফেরত পাঠানো হবে না বলে জানিয়েছে ইন্দোনেশিয়া। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাসির বলেছেন, ইন্দোনেশিয়া ১৯৫১ সালের উদ্বাস্তু বিষয়ক সম্মেলনে স্বাক্ষর না করলেও অভিবাসীদের ফেরত পাঠাবে না।
গত সপ্তাহের শেষদিকে প্রায় ছয়শ’ বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গা অভিবাসী উদ্ধার করেছে ইন্দোনেশিয়ার কর্তৃপক্ষ। তাদের বর্তমানে আচেহ প্রদেশের উত্তরাঞ্চলে লোকসুকোন শহরে একটি ক্রীড়া কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এই অভিবাসীদের সাগরে প্রায় ডুবন্ত অবস্থা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার পাওয়া অভিবাসীদের পুনর্বাসন করতে ইন্দোনেশিয়ায় একটি বসতিহীন দ্বীপ ঠিক করা হবে বলে জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশনের (আইওম) আঞ্চলিক প্রশাসন। মানব পাচারের এই সমস্যার জন্য মিয়ানমার সরকারকে অনেকাংশে দায়ী করে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের উপ-এশিয়া পরিচালক ফিল রবার্টসন বলেছেন, দেশটির সরকার রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন চালিয়ে এই সমস্যার জন্ম দিয়েছে।
অপরদিকে মানব পাচার প্রকট আকার ধারণ করায় এর সমাধান খুঁজতে ২৯ মে সম্মেলনের আহ্বান করেছে থাইল্যান্ড সরকার। গত মঙ্গলবার থাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যাংকক সম্মেলন আহ্বান করে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো। ব্যাংকক সম্মেলনে বাংলাদেশ, মিয়ানমার, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যোগ দেবেন বলে জানা গেছে। এছাড়া এই সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন কম্বোডিয়া, লাওস, যুক্তরাষ্ট্র, ভিয়েতনাম ও অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধিরাও। থাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মানব পাচার রোধে আঞ্চলিক সরকারগুলোকে এই বিশেষ বৈঠকে যোগ দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বর্তমান সংকট নিরসন করতে হলে সবগুলো সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। বৈঠকে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক কমিশন (ইউএনএইচসিআর), ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম), অফিস অন ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইম ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংগঠনকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
যুগান্তরের মালয়েশিয়া প্রতিনিধি আরও জানান, বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া যৌথ কমিশনের চতুর্থ বৈঠক বসছে আজ। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। বৈঠকে যোগ দিতে চার দিনের সফরে মালয়েশিয়া গেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আজ শনিবার থেকে দেশটির সাবাহ প্রদেশের কোতা কিনাবালুতে দু’দিনের ওই বৈঠক বসছে। দ্বিপক্ষীয় অন্য বিষয়গুলোর পাশাপশি মানব পাচার বন্ধের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের বর্ডার থেকে অবৈধভাবে মালয়েশিয়াসহ ওই অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে যেভাবে মানব পাচার হচ্ছে তা নিয়ে ঢাকা উদ্বিগ্ন। মালয়েশিয়া যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশীদের যেভাবে নিয়ে যাচ্ছে সংঘবন্ধ মানব পাচারকারী চক্র সেটি ভাবিয়ে তুলছে সরকারকে। এটি বন্ধে দ্বিপক্ষীয় সহয়োগিতার পাশাপাশি আঞ্চলিক উদ্যোগ চায় ঢাকা। কোতা কিনাবালুতে মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন জয়েন্ট কমিশনের বৈঠকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলতে চান বাংলাদেশের কর্মকর্তারা। এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রতিনিধি দলের একাধিক সদস্য। কর্মকর্তারা বলেছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরে সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মানব পাচার বন্ধের জন্য যৌথ উদ্যোগ আলোচনায় অগ্রাধিকার পাবে। মানব পাচার বন্ধে বৃহত্তর পরিসরে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে আলোচনার জন্য বাংলাদেশ মালয়েশিয়া এবং থাইল্যান্ডকে আগেই চিঠি দিয়েছে। অবৈধভাবে মালয়েশিয়া বা থাইল্যান্ড গিয়ে বাংলাদেশী যারা আটকা পড়েছেন, তাদের ফেরত আনার ব্যাপারেও বাংলাদেশ সহযোগিতা চাইছে। কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রমবিষয়ক কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম মুকুল এ প্রতিবেদককে জানান, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরের সময় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে মানুব পাচার বন্ধের বিষয়টি। যারা ইতিমধ্যে পাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে মালয়েশিয়া বা থাইল্যান্ডে গিয়ে আটকে পড়েছে তাদের কিভাবে ফেরত আনা যায়, সেটা নিয়েও আজকের বৈঠকে কথা হবে।
মানবিক বিপর্যয় : মালয়েশিয়াগামী বোটগুলোকে তিন দেশের উপকূলে ভিড়তে না দেয়ায় সাগরে ভেসে থাকা কয়েক হাজার বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গা নাগরিক এখন মৃত্যুপথ যাত্রী। খাদ্য ও পানি সংকটে বোটগুলোতে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে। বিবিসির একজন সংবাদিক জানিয়েছেন, বেঁচে থাকার জন্য ক্ষুধার্ত অভিবাসীরা নিজেদের মূত্র পান করতে বাধ্য হচ্ছেন। থাইল্যান্ড উপকূলে তিনি এ দৃশ্য দেখতে পান। না খেয়ে এ পর্যন্ত ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে এএফপির এক খবরে বলা হয়েছে। বার্তা সংস্থাটি জানায়, নিজেদের ভূখণ্ডে যাতে না ভিড়ে, এজন্য কৌশল হিসেবে ভাসমান বোটগুলোতে হেলিকপ্টারের সাহায্যে কিছু খাবার ফেলছে থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া। অপ্রতুল এ খাবার নিয়ে অভিবাসীদের মধ্যে কাড়াকাড়ি লেগে যায়। হেলিকপ্টার থেকে সাগরের পানিতে পড়ে যাওয়া প্যাকেট খাবার আনতে সাগরে ঝাঁপ দিয়ে সাতরিয়ে উঠতে না পেরে ১০ জনের প্রাণহানি হয়েছে বলে জানা গেছে।
ভয়াবহ এ পরিস্থিতি দেখেও মন গলছে না মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডের। তারা সামান্য কিছু খাবার দিয়ে কোনো মতে অভিবাসীদের বাঁচিয়ে রেখে বোটগুলোকে প্রত্যার্পণের কৌশল গ্রহণ করেছে। কিন্তু তাদের এই কৌশলের কারণে মরতে বসেছে কয়েক হাজার বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গা। বোটগুলোকে তিন দেশের উপকূলে ভিড়তে দেয়ার জন্য আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা ও দেশ বারবার আহ্বান জানানোর পরও তা গ্রাহ্য করছে না মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ড।
এদিকে মালয়েশিয়ায় ভিড়তে না পেড়ে মিয়ানমারের নাগরিক বোঝাই একটি বোটকে বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার মধ্যবর্তী অন্দামান সাগারে ভাসতে দেখা গেছে। অন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের কয়েকজন সাংবাদিক ওই বোটের কাছে গিয়ে ক্ষুধার্ত মানুষের আহাজারি দেখতে পান। বোট থেকে তারা সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘আমাদের কছে কোনো পানি নেই। আমাদের সাহায্য করুন।’ মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চল থেকে আগত সিরাজ নামের ১৫ বছরের এক তরুণ বলেন, ‘আমরা ক্ষুধার্ত। আমাদের খাবার দিন।’
বারবার ঠেলে দেয়া সত্ত্বেও অভিবাসী বোঝাই বোটগুলো উপকূলে ভেড়ার জন্য পুন:পুন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। থাইল্যান্ডের এক কর্মকর্তা সিএনএনকে জানান, মালয়েশিয়া থেকে প্রত্যাখ্যাত একটি জাহাজ থাইল্যান্ড উপকূলে প্রবেশের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।
অভিবাসীদের বাঁচানোর আহ্বান জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্রের : মানব পাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে সাগরে নৌযানে ভাসতে থাকা বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গা মুসলিম অভিবাসীদের জীবন বাঁচাতে থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার পৃথক সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানায় তারা। এর আগে নিউইয়র্কভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) দুর্গত অভিবাসীদের জায়গা দিতে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডকে তাগিদ দেয়।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জাতিসংঘ মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, ‘মানব পাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে আন্দামান ও মাল্লাকা প্রণালীতে নৌযান ভাসতে থাকা হাজারো অভিবাসীর বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব বেশ উদ্বিগ্ন। ওইসব অভিবাসী ও শরণার্থী বহনকারী নৌযানগুলো প্রবেশে কিছু দেশ বাধা দেয়ার খবর তার (মহাসচিব) কাছে রয়েছে। সরকারগুলোর প্রতি তিনি আহ্বান জানিয়েছেন, সাগরে উদ্ধারের বাধ্যবাধকতা যেন নিশ্চিত করা হয় এবং উদ্বাস্তুদের নিষিদ্ধ করার বিষয়টি যথাযথ আইনে যেন রক্ষা করা হয়।’
মুখপাত্র আরও বলেন, ‘তিনি (মহাসচিব) সরকারগুলোর প্রতি আরও আহ্বান জানিয়েছেন, (অভিবাসীদের) যথাসময়ে উপকূলে ভেড়ার সুযোগ দিতে হবে এবং সীমান্ত ও বন্দর উন্মুক্ত রেখে সেসব বিপন্ন লোকদের সহায়তা করতে হবে, যাদের এটা দরকার।’
বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গা মুসলিম অভিবাসীদের সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে মানবাধিকার সংগঠন এবং কংগ্রেসের কিছু সদস্য। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সাগরে ভাসমান অভিবাসীরদের রক্ষায় পদক্ষেপ নিতে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জেফ রাথকে বলেন, ‘এটা একটা আঞ্চলিক ইস্যু। তাৎক্ষণিকভাবে দরকার এর আঞ্চলিক সমাধান। তবে এ জন্য মেরিটাইম ও আন্তর্জাতিক আইন মেনে বিশ্বসম্প্রদায় আঞ্চলিক দেশগুলোকে সহয়তা করতে পারে।
 

প্রথম পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close