jugantor
প্রতীক ছাড়াই শুরু হয়েছে প্রচারযুদ্ধ
১৪ ডিসেম্বরের আগে প্রতীক ব্যবহার নয়

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

বুধবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে দেশের ২৩৪ পৌরসভায় নির্বাচনী প্রচারযুদ্ধ। তবে প্রথম দিন কোনো প্রতীক ছাড়াই নিজেদের পক্ষে ভোট চেয়ে দিনভর গণসংযোগ করেছেন মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থীরা। প্রথমবারের মতো কোনো স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে দলীয় প্রতীকে মেয়র পদে নির্বাচন হতে যাওয়ায় নির্বাচনী এলাকাগুলোতে সৃষ্টি হয়েছে নতুন আমেজ। এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রায় সাত বছর পর ভোটযুদ্ধে নেমেছে নৌকা ও ধানের শীষ প্রতীক। আগামী ১৪ ডিসেম্বর রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রতীক বরাদ্দ দেয়ার আগ পর্যন্ত রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা নিজ প্রতীকে প্রচার চালাতে পারবেন না বলে বুধবার জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিষয়টি দেখভাল করতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তবে প্রার্থীরা প্রতীক ব্যবহার না করে আচরণবিধি মেনে পথসভা, ঘরোয়া সভা, জনসংযোগ চালাতে পারবেন।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, প্রচারণা লংঘনের বিষয়টি দেখার জন্য প্রতীক বরাদ্দের দিন থেকে প্রতিটি পৌরসভায় একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। তবে কেউ যদি বরাদ্দের আগে প্রচারে প্রতীক ব্যবহার করেন সে ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন কী ব্যবস্থা নেবে তা স্পষ্ট করা হয়নি। এদিকে নির্বাচনীবিধির সংশোধনী ভেটিংয়ের জন্য তা বুধবার আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে ইসি।

প্রচারণার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম বুধবার যুগান্তরকে বলেন, ‘বিধিতে বলা আছে, ভোটের ২১ দিন আগ থেকে প্রার্থীরা কোনো ধরনের প্রচারণা চালাতে পারবেন না। সে হিসাবে আজ (বুধবার) থেকে প্রচারণা হওয়ার কথা। তবে কবে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে তাও বিধিতে বলা আছে।’ তিনি বলেন, ‘এবারই প্রথম দলীয় প্রতীকে মেয়র নির্বাচন হচ্ছে। এ কারণে যারা দলীয়ভাবে নির্বাচন করছেন, তাদের দলীয় প্রতীক রয়েছে। কিন্তু স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে এখনও প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়নি। ১৪ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে। সবার জন্য সমান সুযোগ দিতে, কারও প্রতি বৈষম্য না করতে ইসি সব বিষয় বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘তবে প্রতীক বরাদ্দের আগে ব্যক্তিগতভাবে যে কোনো প্রার্থী প্রচারণায় নামতে পারবেন। তারা আচরণবিধি মেনে পথসভা, ঘরোয়া সভা ও জনসংযোগ চালাতে পারবেন। প্রচারে প্রার্থীরা আচরণবিধি মানছেন কিনা, তা দেখার জন্য ১৪ ডিসেম্বর থেকে প্রতিটি পৌরসভায় একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ শুরু করবেন। আচরণবিধি লংঘনের ঘটনা ঘটলে তারা শাস্তি দেবেন।’

যদি কোনো রাজনৈতিক দল নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত না মেনে বরাদ্দের আগেই প্রতীক নিয়ে প্রচারণায় নামেন, সে ক্ষেত্রে কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে- জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের সচিব বলেন, ‘সেটা পরে দেখা যাবে।’ কমিশন সচিব বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, রাজনৈতিক দলগুলো তাদের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেবে এবং সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য তারা সহায়তা করবে।’ আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি- এ তিনটি দল ইতিমধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নির্বাচনে সহায়তা করবে বলে আশ্বস্ত করেছে।

নির্বাচনে সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লংঘনের অভিযোগ উঠেছে, এ বিষয়ে কমিশন কী ব্যবস্থা নিয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘আচরণবিধি মেনে চলার জন্য আগ থেকে সব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আচরণবিধি লংঘন যাতে না হয়, সে জন্য জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। সংসদ সদস্যরা যেন আচরণবিধি মেনে চলেন, সে জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং সংসদ সচিবকে চিঠি দিয়েছি। আশা করি, কেউ আচরণবিধি আর লংঘন করবেন না।’

আচরণবিধি লংঘন থেকে সংসদ সদস্যদের ঠেকানো যাচ্ছে না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সংসদ সদস্যদের ঠেকাতে হবে, এমনটা আমি মনি করি না। এমপিরা জনগণের প্রতিনিধি। তারাই রাজনীতির মূল অংশ। তারাই আইন প্রণয়ন করেন। তাদের তৈরি আইনে কমিশন বিধি তৈরি করে। সংবিধান অনুযায়ী এটাও আইন। কাজেই আমরা মনে করি না এমপিরা তাদের তৈরি আইন ভঙ্গ করবেন। তাই তাদের ঠেকানোর প্রয়োজন মনে করি না।’ তবে ভঙ্গ করলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, ‘এমপিদের ঠেকানো যাচ্ছে না তা নয়। গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী আচরণবিধি লংঘনের দায়ে তিনজন সংসদ সদস্যকে শোকজ করা হয়েছিল। ইতিমধ্যে তারা শোকজের জবাবও দিয়েছেন। তারা বলেছেন, এটা তাদের অনিচ্ছাকৃত ভুল। ভবিষ্যতে আর এমনটা হবে না বলে কমিশনকে তারা প্রতিশ্র“তি দিয়েছেন।’ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে মঙ্গলবার কয়েকটি প্রকল্প পাসের বিষয়ে সচিবের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘এটি নিয়ে নির্বাচন কমিশন বিবেচনা করবে।’

আইন মন্ত্রণালয়ে নির্বাচনীবিধি সংশোধনী : কমিশন সূত্র জানিয়েছে, স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) নির্বাচন বিধিমালার কয়েকটি উপধারায় সংশোধনী আনতে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। ১৪ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দের আগেই সংশোধনী গেজেট আকারে প্রকাশের কথা রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ইসি সচিব বলেন, ‘বিধিতে ক্লারিকাল (করণিক) কিছু মিসটেক (ভুল) রয়েছে। সেই ক্লারিক্যাল মিসটেকগুলো সংশোধনীর জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।’ ভুলগুলোর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘যেমন উপবিধি (২)-এর জায়গায় উপবিধি (১) হবে। আবার দফা (ক)-এর জায়গায় (খ) হবে। আবার (খ)-এর জায়গায় (ক) হবে। এটি বড় কোনো ভুল নয়। আমি মনে করি, এতে নির্বাচনে কোনো সমস্যা হবে না।’



সাবমিট

প্রতীক ছাড়াই শুরু হয়েছে প্রচারযুদ্ধ

১৪ ডিসেম্বরের আগে প্রতীক ব্যবহার নয়
 যুগান্তর রিপোর্ট 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 
বুধবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে দেশের ২৩৪ পৌরসভায় নির্বাচনী প্রচারযুদ্ধ। তবে প্রথম দিন কোনো প্রতীক ছাড়াই নিজেদের পক্ষে ভোট চেয়ে দিনভর গণসংযোগ করেছেন মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থীরা। প্রথমবারের মতো কোনো স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে দলীয় প্রতীকে মেয়র পদে নির্বাচন হতে যাওয়ায় নির্বাচনী এলাকাগুলোতে সৃষ্টি হয়েছে নতুন আমেজ। এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রায় সাত বছর পর ভোটযুদ্ধে নেমেছে নৌকা ও ধানের শীষ প্রতীক। আগামী ১৪ ডিসেম্বর রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রতীক বরাদ্দ দেয়ার আগ পর্যন্ত রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা নিজ প্রতীকে প্রচার চালাতে পারবেন না বলে বুধবার জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিষয়টি দেখভাল করতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তবে প্রার্থীরা প্রতীক ব্যবহার না করে আচরণবিধি মেনে পথসভা, ঘরোয়া সভা, জনসংযোগ চালাতে পারবেন।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, প্রচারণা লংঘনের বিষয়টি দেখার জন্য প্রতীক বরাদ্দের দিন থেকে প্রতিটি পৌরসভায় একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। তবে কেউ যদি বরাদ্দের আগে প্রচারে প্রতীক ব্যবহার করেন সে ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন কী ব্যবস্থা নেবে তা স্পষ্ট করা হয়নি। এদিকে নির্বাচনীবিধির সংশোধনী ভেটিংয়ের জন্য তা বুধবার আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে ইসি।

প্রচারণার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম বুধবার যুগান্তরকে বলেন, ‘বিধিতে বলা আছে, ভোটের ২১ দিন আগ থেকে প্রার্থীরা কোনো ধরনের প্রচারণা চালাতে পারবেন না। সে হিসাবে আজ (বুধবার) থেকে প্রচারণা হওয়ার কথা। তবে কবে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে তাও বিধিতে বলা আছে।’ তিনি বলেন, ‘এবারই প্রথম দলীয় প্রতীকে মেয়র নির্বাচন হচ্ছে। এ কারণে যারা দলীয়ভাবে নির্বাচন করছেন, তাদের দলীয় প্রতীক রয়েছে। কিন্তু স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে এখনও প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়নি। ১৪ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে। সবার জন্য সমান সুযোগ দিতে, কারও প্রতি বৈষম্য না করতে ইসি সব বিষয় বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘তবে প্রতীক বরাদ্দের আগে ব্যক্তিগতভাবে যে কোনো প্রার্থী প্রচারণায় নামতে পারবেন। তারা আচরণবিধি মেনে পথসভা, ঘরোয়া সভা ও জনসংযোগ চালাতে পারবেন। প্রচারে প্রার্থীরা আচরণবিধি মানছেন কিনা, তা দেখার জন্য ১৪ ডিসেম্বর থেকে প্রতিটি পৌরসভায় একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ শুরু করবেন। আচরণবিধি লংঘনের ঘটনা ঘটলে তারা শাস্তি দেবেন।’

যদি কোনো রাজনৈতিক দল নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত না মেনে বরাদ্দের আগেই প্রতীক নিয়ে প্রচারণায় নামেন, সে ক্ষেত্রে কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে- জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের সচিব বলেন, ‘সেটা পরে দেখা যাবে।’ কমিশন সচিব বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, রাজনৈতিক দলগুলো তাদের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেবে এবং সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য তারা সহায়তা করবে।’ আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি- এ তিনটি দল ইতিমধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নির্বাচনে সহায়তা করবে বলে আশ্বস্ত করেছে।

নির্বাচনে সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লংঘনের অভিযোগ উঠেছে, এ বিষয়ে কমিশন কী ব্যবস্থা নিয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘আচরণবিধি মেনে চলার জন্য আগ থেকে সব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আচরণবিধি লংঘন যাতে না হয়, সে জন্য জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। সংসদ সদস্যরা যেন আচরণবিধি মেনে চলেন, সে জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং সংসদ সচিবকে চিঠি দিয়েছি। আশা করি, কেউ আচরণবিধি আর লংঘন করবেন না।’

আচরণবিধি লংঘন থেকে সংসদ সদস্যদের ঠেকানো যাচ্ছে না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সংসদ সদস্যদের ঠেকাতে হবে, এমনটা আমি মনি করি না। এমপিরা জনগণের প্রতিনিধি। তারাই রাজনীতির মূল অংশ। তারাই আইন প্রণয়ন করেন। তাদের তৈরি আইনে কমিশন বিধি তৈরি করে। সংবিধান অনুযায়ী এটাও আইন। কাজেই আমরা মনে করি না এমপিরা তাদের তৈরি আইন ভঙ্গ করবেন। তাই তাদের ঠেকানোর প্রয়োজন মনে করি না।’ তবে ভঙ্গ করলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, ‘এমপিদের ঠেকানো যাচ্ছে না তা নয়। গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী আচরণবিধি লংঘনের দায়ে তিনজন সংসদ সদস্যকে শোকজ করা হয়েছিল। ইতিমধ্যে তারা শোকজের জবাবও দিয়েছেন। তারা বলেছেন, এটা তাদের অনিচ্ছাকৃত ভুল। ভবিষ্যতে আর এমনটা হবে না বলে কমিশনকে তারা প্রতিশ্র“তি দিয়েছেন।’ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে মঙ্গলবার কয়েকটি প্রকল্প পাসের বিষয়ে সচিবের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘এটি নিয়ে নির্বাচন কমিশন বিবেচনা করবে।’

আইন মন্ত্রণালয়ে নির্বাচনীবিধি সংশোধনী : কমিশন সূত্র জানিয়েছে, স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) নির্বাচন বিধিমালার কয়েকটি উপধারায় সংশোধনী আনতে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। ১৪ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দের আগেই সংশোধনী গেজেট আকারে প্রকাশের কথা রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ইসি সচিব বলেন, ‘বিধিতে ক্লারিকাল (করণিক) কিছু মিসটেক (ভুল) রয়েছে। সেই ক্লারিক্যাল মিসটেকগুলো সংশোধনীর জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।’ ভুলগুলোর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘যেমন উপবিধি (২)-এর জায়গায় উপবিধি (১) হবে। আবার দফা (ক)-এর জায়গায় (খ) হবে। আবার (খ)-এর জায়গায় (ক) হবে। এটি বড় কোনো ভুল নয়। আমি মনে করি, এতে নির্বাচনে কোনো সমস্যা হবে না।’



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র