¦
মানব পাচারের নিরাপদ রুট

মুজিব মাসুদ | প্রকাশ : ১৪ ডিসেম্বর ২০১৫

আন্তর্জাতিক একটি চক্র হযরত শাহজালাল (রহ.) বিমানবন্দর দিয়ে মানব পাচার করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন দেশের মানুষ এনে বাংলাদেশ থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে বিশ্বের নানা স্থানে পাচার করা হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি পাচার হচ্ছে যুক্তরাজ্যে। বাংলাদেশী পাসপোর্ট নিয়ে যাওয়া ১৭ শ্রীলংকার নাগরিককে ব্রিটিশ আটক করেছে। জাল পাসপোর্ট ও ভিসার কারণে ২ মাসে বিমানের ১৩০ যাত্রীকে বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এর সঙ্গে ব্রিটিশসহ ওইসব দেশের ভিসা অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশ থাকতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা আশংকা প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, এ কারণেই আদম পাচারকারীরা নির্বিঘ্নে ভিসা পাচ্ছে।
জানা গেছে, সম্প্রতি ব্রিটিশ এভিয়েশন গোয়েন্দা সংস্থাসহ বিভিন্ন দেশ থেকে এ ধরনের অভিযোগ পেয়ে নড়েচড়ে বসেছে সিভিল এভিয়েশন, ইমিগ্রেশন পুলিশসহ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। আদম পাচার বন্ধে খোদ সরকারকে কঠোর হুশিয়ারি দিয়েছে ব্রিটিশ সরকার। সরকারের অনুমতি নিয়ে ব্রিটিশ এভিয়েশন গোয়েন্দা সংস্থা একাধিকবার বিমান, সিভিল এভিয়েশন ও হযরত শাহজালাল (রহ.) বিমানবন্দর সরেজমিন পরিদর্শন করেছে। স্বরাষ্ট্র ও বিমান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। শাহজালালকে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়ার জন্য তারা কমপক্ষে ১০টি কঠোর শর্ত দিয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ বিমানের ঢাকা-লন্ডন সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার জন্যও বেঁধে দিয়েছেন একাধিক শর্ত।
এ প্রসঙ্গে বিমান এমডি কাইল হেউড বলেছেন, সম্প্রতি জাল-জালিয়াতি ও ভুয়া ভিসা-পাসপোর্টে বাংলাদেশ থেকে অস্বাভাবিক হারে লন্ডনে আদম পাচার হয়েছে। এর সঙ্গে বিমানের লোকজনও জড়িত বলে ব্রিটিশ গোয়েন্দারা জানিয়েছে। পাচার হওয়া লোকদের দলে বেশ ক’জন শ্রীলংকান, পাকিস্তানি ও ভারতীয় নাগরিকও আছেন। এ ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেজন্য বিমান বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। আশা করছেন ব্রিটিশরা এসব পদক্ষেপ দেখে সন্তুষ্ট হবে। লন্ডন ফ্লাইটের যাত্রীদের জন্য বিমান কর্তৃপক্ষ আলাদা ব্যবস্থা নিয়েছে। এ ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানের। এখন আর জাল আর ভুয়া ভিসায় কেউ লন্ডন পাড়ি দিতে পারবে না। এ ঘটনায় একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটিও গঠন করা হচ্ছে বলে যুগান্তরকে জানান তিনি।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সম্প্রতি ব্রিটিশ এভিয়েশন গোয়েন্দা দল বিমান ও সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অভিযোগে করেছে। এতে তারা উল্লেখ করে, শাহজালাল (রহ.) বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক আদম পাচারকারীদের নিরাপদ রুট। এ রুট ব্যবহার করে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকাসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা নির্বিঘ্নে লন্ডনে প্রবেশ করেছেন। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে এ ধরনের জাল ভিসা-পাসপোর্ট নিয়ে ১৩ বিদেশী নাগরিক লন্ডনে প্রবেশ করেন। এছাড়া ১৭ জন শ্রীলংকান তামিল নাগরিক যারা বাংলাদেশী পাসপোর্টে ভিসা নিয়ে শাহজালাল বিমানবন্দর ব্যবহার করে লন্ডনে প্রবেশ করতে চেয়েছিলেন। লন্ডন ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের গ্রেফতার করেছে। বর্তমানে তারা লন্ডনের বিভিন্ন কারাগারে আটক আছেন বলে জানা গেছে। এসব শ্রীলংকান নাগরিক বাংলাদেশ বিমানে লন্ডন গেছেন। সম্প্রতি বিমানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে এই তালিকাও তুলে দিয়েছে ব্রিটিশ গোয়েন্দারা। পাশাপাশি বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ করে এরা কিভাবে লন্ডনে গেছে, কারা এদের লন্ডনে পার করতে সহায়তা করেছে, এর সঙ্গে বিমানের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত আছে কিনা তাও তদন্ত করে দেখার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। তবে ব্রিটিশ ইমিগ্রেশন পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এসব শ্রীলংকান নাগরিক জানিয়েছে, বাংলাদেশী একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তারা লন্ডনে এসেছে। তবে এই সিন্ডিকেটের কোনো সদস্যকে তারা কখনও চোখে দেখেনি এবং তাদের নামও জানে না। বাংলাদেশী মানুষের নাম ব্যবহার করে তারা বাংলাদেশী পাসপোর্ট নিয়েছে। এরপর ওই পাসপোর্ট ব্যবহার করে তারা ভিসাও নিয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে,শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন, বিমানের পাসপোর্ট কন্ট্রোল ইউনিট (পিসিইউ) ও বিভিন্ন দেশী-বিদেশী এয়ারলাইন্স এবং কিছু ট্রাভেল এজেন্সির নেতৃত্বে গড়া একটি সিন্ডিকেট এই মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত। নকল ভিসায় লন্ডনে প্রবেশের সময় গত এক মাসে ১৩ জনকে চিহ্নিত করে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়েছে হিথ্রো ইমিগ্রেশন পুলিশ। সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর এক মাসে এই ১৩ ব্যক্তিকে শনাক্ত করেছে ব্রিটিশ সরকার। গত সপ্তাহে ব্রিটিশ হাইকমিশনের দুই ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞ সরেজমিন বিমানের প্রধান কার্যালয় বলাকা পরিদর্শনে যান। এ সময় তারা বিমান পরিচালনা পর্ষদ চেয়ারম্যান এয়ার মার্শাল জামাল উদ্দিন ও বিমানের সিইও ব্রিটিশ নাগরিক কাইল হেউডের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা বিমানসহ বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে জাল ভিসা ও পাসপোর্টে লন্ডনে আদাম পাচারের এই ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেন। তারা অভিযোগ করেন, এই ঘটনার সঙ্গে বিমানের পিসিইউ ও শাহজালালের ইমিগ্রেশন পুলিশের কিছু দুনীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত। শুধু এই দুটি বিভাগই নয়, এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার দুর্নীতিবাজ সদস্য, বিমানের কিছু অসৎ সিবিএ নেতা, শাহজালালের স্ক্যানিং মেশিন অপারেটর, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) অসাধু নিরাপত্তা গার্ড, ট্রলিম্যান, ম্যান-পাওয়ার ডেক্সের কিছু কর্মী, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের নিু স্তরের দুর্নীতিবাজ কর্মী ও বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত মালিক-কর্মচারীরা। তারা বিমানের চেয়ারম্যান ও এমডির কাছে এসব অভিযোগ উত্থাপন করেন এবং দ্রুত তদন্ত দাবি করেন। একই সঙ্গে বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারেরও তাগিদ দেন। এ সময় তারা আবারও বিমানের জনবলের ঘাটতি ও বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন।
সূত্র জানায়, ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থাটি আদম পাচারকারীদের শনাক্তের জন্য তদন্তের একটি রোড ম্যাপ তৈরি করে দিয়েছে। একই সঙ্গে তারা পাচারকারীদের নাম-ঠিকানা, পাসপোর্টের কপি, ভিসাসহ যাবতীয় তথ্য দিয়েছেন। তাদের মতে, এই সিন্ডিকেট ধরতে হলে তদন্ত সংস্থাকে পাসপোর্ট অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, পাসপোর্ট ইস্যুকারী, পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনকারী গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন, ট্রাভেল এজেন্ট, ভিসা অফিসার, ভিসা ইস্যুকারী কর্মকর্তার সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান কথা বলতে হবে। শাহজালাল দিয়ে পাচারের দিন তাদের সঙ্গে বিমানবন্দরে কোন কোন ব্যক্তির কথা হয়েছে। সিসি টিভির ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করার পর তাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। বিমানবন্দরের যে গেট দিয়ে তারা প্রবেশ করেছে ওই গেটের নিরাপত্তা গার্ড, স্ক্যানিং অপারেটর, তাদের লাগেজ স্ক্যানারকারী, বিমানের পিসিইউতে (পাসপোর্ট কন্ট্রোল ইউনিট) কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের সঙ্গেও বৈঠক করে তথ্য নেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সংস্থাটির (ব্রিটিশ গোয়েন্দা) কর্মকর্তারা।
জানা গেছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ব্যবহার করে ১ অক্টোবর থেকে ৩০ নভেম্বর- এই দুই মাসে বিভিন্ন দেশের ১৩০ জন নাগরিক লন্ডনসহ নানা দেশে গিয়ে আটক হয়েছে। এজন্য বিমানকে মোটা অংকের টাকা জরিমানা পরিশোধ করতে হয়েছে। আটক নাগরিকদের অধিকাংশের কাছে বাংলাদেশী পাসপোর্ট ছিল। কিন্তু তাদের অনেকেই বাংলাদেশী নয়- অন্য দেশের নাগরিক। বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশে আনা হয়েছে। এরপর বাংলাদেশী পাসপোর্ট দিয়ে তাদের পাচার করা হচ্ছিল। এদের একজন আল আমিন। তার পাসপোর্ট নম্বর বিএইচ-০৪৬২৮০১। ৪ নভেম্বর বাংলাদেশ বিমানে করে সিঙ্গাপুর হয়ে লন্ডন যাওয়ার পথে সিঙ্গাপুর ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে ধরা পড়ে মোহাম্মদ আজাদ, বিএফ-০৪৮৮৪৯১ নম্বর পাসপোর্ট নিয়ে মাসকট হয়ে লন্ডন যাওয়ার পথে সংশ্লিষ্ট দেশের ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক হয়। এরপর বিমানকে মোটা অংকের টাকা জরিমানা করে তাতে দেশে পাঠানো হয়েছে। শামীম আহম্মেদ পাসপোর্ট নম্বর বিবি-০০২৯২৩৬ ব্যবহার করে দাম্মাম হয়ে লন্ডন যাওয়ার পথে আটক হয়ে দেশে ফেরত আসে। সোহরাব হোসেন, বাংলাদেশী পাসপোর্ট নং-এই-২৩৩১০২৩ ব্যবহার করে ২০ নভেম্বর কুয়েত হয়ে লন্ডন যাওয়ার পথে কুয়েত পুলিশের হাতে আটক হয়। তাকেও ফেরত পাঠানো হয়েছে। এজন্য বাংলাদেশ বিমানকে জরিমানা গুনতে হয়েছে। ১৯ নভেম্বর এই-৫৩৯৫৪৪০ পাসপোর্ট ব্যবহার করে আলী আশরাফ আলম নামে এক ব্যক্তি মাসকট হয়ে লন্ডন যাওয়ার পথে আটক হয়। তাকেও দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ইফতেখার আহম্মেদ বাংলাদেশী পাসপোর্ট নম্বর বিএইচ- ০৯০৫৯১৪ ব্যবহার করে ১৮ নভেম্বর বাহরাইন এয়ারপোর্ট ব্যবহার করে লন্ডন যাওয়ার পথে আটক করা হয়। বিমান সূত্রে জানা গেছে, শুধু লন্ডনই নয়, গত দুই মাসে ১৩০ জন নাগরিকের মধ্যে অনেকে জাল ভিসা, পাসপোর্ট ব্যবহার করে জেদ্দা, দুবাই, বাহরাইন, কুয়েত, কাতার, সিঙ্গাপুর, মাসকট, রিয়াদ, সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যাওয়ার পথেও সংশ্লিষ্ট দেশের ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক হয়।
এদিকে ব্রিটিশ এভিয়েশন গোয়েন্দাদের তোপের মুখে ইতিমধ্যে তাদের বেঁধে দেয়া সবগুলো শর্তই পূরণ করেছে শাহজালাল বিমানবন্দর কতৃপক্ষ। একই সঙ্গে বাংলাদেশ বিমানও তাদের সবগুলো শর্ত পূরণ করে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। একই সঙ্গে আটককৃত যাত্রীদের বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু করেছে সিভিল এভিয়েশন ও সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স কতৃপক্ষ। তবে সূত্র জানিয়েছে, শর্তগুলো কতটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে তা দেখার জন্য আজ থেকে আগামী তিন দিন ব্রিটিশ গোয়েন্দা সদস্যরা বিমানবন্দর সরেজমিন পরিদর্শন করবে। এই অবস্থায় গত এক সপ্তাহ ধরে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবেশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরোপ করা হয়েছে। একটি লাগেজ দু দফায় স্ক্যানিং করে র‌্যাবের ডগ স্কোয়াড দিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়ে তারপর বিমানে তোলা হচ্ছে। যাত্রীদের পুরো শরীর তল্লাশির জন্য বসানো হয়েছে অত্যাধুনিক স্ক্যানিং মেশিন। এই স্ক্যানিং মেশিনে একজন যাত্রীর পুরো শরীর দেখা যায়। মহিলা ও পুরুষ যাত্রীদের স্ক্যানিংয়ের জন্য আলাদা ব্যবস্থা আছে। আগে বিমানবন্দরে প্রবেশের সময় জুতা, বেল্টসহ হ্যান্ড লাগেজের জিনিসপত্র দেখানোর প্রয়োজন হতো না। কিন্তু এখন ব্রিটিশ যাত্রীদের ইমিগ্রেশনে ঢুকার আগে জুতা, বেল্ট খুলে স্ক্যানিং করা হয়। গত মাস থেকে বিমানের লন্ডন ফ্লাইটের যাত্রীদের টার্মিনাল-১ এর ৬ নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশ করতে হচ্ছে। লন্ডন যাত্রীরা অন্য কোনো গেট দিয়ে শাহজালালে প্রবেশ করতে পারছে না। বিমানের পিসিইউ শাখায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভিসা ও পাসপোর্ট শনাক্তকরণে বিশেষ ট্রেনিং দেয়া হয়েছে। কোনো পাসপোর্ট ও ভিসা সম্পর্কে সন্দেহ হলেই বিমানবন্দর থেকে ব্রিটিশ ভিসা অফিসে যোগাযোগ করতে হচ্ছে। এরপর ক্লিয়ারেন্স পেলেও ওই যাত্রীকে ইমিগ্রেশনে পাঠানো হচ্ছে।
প্রথম পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close